মহান চুলের বাবরি দোলানো মুক্ত হাসির প্রগল্ভ ফোয়ারা–সাদি আমাদের বন্ধু। দেখা হতে পারতো অনেক আগেই তবে হলোও খুব পরে তা নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষে, কলা সদনের করিডোরে। তার প্রগল্ভ হাসিতেই সম্ভবত ফিরে দেখা– কে যায়– সাদি যায়, কাঁধে ব্যাগ হাতে বই। কী বই, কী পড়ে মনে নেই! এরপর দেখি লাইব্রেরিতে যায়– কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি। কি কর ওখানে? পড়তে যাই। আমি একতলার কোনায় পড়ি ফ্রেন্স। ও যায় তিনতলায়–মানিক পড়তে। ততদিনে মানিক বন্দোপাধ্যায়ের সমগ্র পড়ছে। এদিকে আমাদের একটা কমপ্লিমেন্টরি কোর্স ছিল বাংলা; অবশ্য কেউ চাইলে বদলে ফিলোসফি নিতে পারতো। ওখানে মানিক বাবুর পুতুল নাচের ইতিকথা উপন্যাসটি ছিল। আমরা পড়েছি পদ্মা নদীর মাঝি–ইন্টারমিডিয়েটে। দেখেছি গৌতম বাবুর কপিলা-কুবের উপাখ্যান–আমারে লইবা মাঝি! আরও পরে। তবে প্রাগৈতিহাসিক পড়তে গিয়ে তব্দা লেগে যায়–গল্পের বুনোট আর বিষয়বস্তুতে। ভাবিত করে তোলে। ততদিনে বুঝে যাই কেউ কেউ কেন মানিককে গদ্যের গ্রান্ডমাস্টার জ্ঞান করে! সাদি আর্লি স্টেজেই মানিক শেষ করতে পেরেছিল। তবে আমার ভাবনায় ছিল–ও মানিকই যদি পড়বে তবে সেন্ট্রাল লাইব্রেরিতে গিয়ে কেন–হল লাইব্রেরিতেই পড়তে পারে। সময় সুযোগ দুটোই ফেভারেবল। পরে মনে হলো আমাদের হলের মতো বাংলার কালেকশন সূর্যসেনে নাও থাকতে পারে।
তারপর কেটে যায় সময়–এ জগতে কে কার! ঢাবির ইংরেজির ছেলে-মেয়েরা ছাড়া ছাড়া–একা একা। যেটুকু–তাও হল কেন্দ্রিক–থাকা, খাওয়া, শোয়া–মুখোমুখি হওয়া। একটু রাজনৈতিক বাতাস ধরতে পারা এই যা! নইলে তো হলে থাকা দায়। কোন বেড়াল কী খেকো–মাছ না মাংস, বুঝতে শেখা। এই আর্টটা রপ্ত করতে না পারলে সমূহ বিপদ। আপনার শরীরে আঁচড় কাটবে। হবেন ক্ষত-বিক্ষত; কেবল শারীরিক নয় মানসিকও। কেউ আপনার পাশে এসে দাঁড়াবে না। কারণ হলের বাবা-মা বনে যাওয়া রাজনৈতিক দলগুলোর ছাত্র সংগঠন প্যারেন্টলি শাসন করবে! আর দায়িত্বে থাকা আবাসিক শিক্ষকেরা হাতের পুতুল। তাঁরা দাঁতহীন বংগ শার্দূল। আবার অনেকেই উপরওয়ালার আর্শিবাদে হলের দায়িত্বে। তাঁদের তো কৃজ্ঞতাবোধ থাকতে হয়। থাকেও–কারও কারও একটু বেশিই। নইলে তো পরবর্তী পুলসিরাত পেরিয়ে ইপ্সিত আসনে সমাসীন হওয়া কঠিন থেকে জটিলতর হয়ে যায়! শিক্ষা জীবনে বিশ্ববিদ্যালয় হল বা ডর্মিটরি এক অদ্ভুত জায়গা–গাল ভরা নাম আবাসন; আসলে এতিম ছাত্রদের মাথা গোজার ঠাঁয়। শহরে যাদের থাকার ব্যবস্থা নেই তাদের জন্য তৈরি সেল। এই সুযোগে জঙ্গলের প্রাণির মতো–জোর যার মুল্লুক তার নিয়ম বলবৎ হয়। সরকার দলীয় ছাত্র সংগঠন সাধারণ শিক্ষার্থীদের দণ্ডমুণ্ডের কর্তা হিসেবে আর্বিভূত হয়। দেশকে প্রতিনিধিত্ব করা প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়ের এই দশা!
হল জীবনের বিপরীত দিক পেলাহীন গাছের চারার মতো। পরিবারের বাইরে জীবন কিভাবে আশ পাশের পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে নিতে হয় তার প্রথম মহড়া। তবে যাদের জন্য নতুন তাদের জন্য খুব চ্যালেঞ্জের। অনেক দুর্ঘটনাও ঘটে যায়। এমন কী মৃত্যুর সংবাদও মাঝেমধ্যে পাওয়া যায়। শারীরিক নির্যাতন অতি মামুলি বিষয়। পান থেকে চুন খসলেই বিপদ। তবে এগুলো সবই রাজনৈতিক পাণ্ডাদের সাথে। অন্যথায় ব্যক্তি স্বাধীনতার উত্তম জায়গা হলো এই হল। একজন তরুণের যুবক হয়ে ওঠার সময় ও সুযোগ। জীবনের মধুরতম দিনগুলি অপেক্ষা করে রঙিন স্বপ্নের মোড়কে। বাস্তব কঠিন হলেও স্বপ্নই তো মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। স্বপ্নের বাস্তবায়নই তো মানুষকে সারা জীবন তাড়িয়ে বেড়ায়। যারা তথাকথিত ছাত্র সংগঠন করতো তাদের হলে ফাও খাওয়ার ব্যবস্থা থাকতো–ডাইনিং-ক্যান্টিনে। এই যে অন্যায়ের হাতেখড়ি সম্ভবত সারা জীবনের জন্য রপ্ত হয়ে যায়। পরবর্তী জীবনভর চলে তার হাতে কলমে প্রয়োগ। তা সে সরকারি, বেসরকারি কিম্বা অন্য কোনো ক্ষেত্র হোক না কেন সুযোগ পেলেই হাত টানের খাসলত প্রকাশিত হয়। আমাদের দেশের সরকারি অফিসের লোকগুলোর স্বভাব-আচরণ দেখলেই বোঝা যায়। এতো গেল টেবিলের অন্তরালের কেচ্ছা; সদরের গল্পও কম যায় না–কাজ করে না বা পাওয়া যায় না। যেন কোনো দায়বদ্ধতা নেই। আবার দেখারও কেউ আছে বলে মনে হয় না। যখন যে দায়িত্ব তা না করে অন্য কিছু করা যে নৈতিকতা বিরোধী সে বোধ কোনও কালে জাগ্রত হয়নি। কাজেই এদের কাছ থেকে ন্যায়-অন্যায় এর ফারাক ব্যবচ্ছেদের প্রত্যাশা বাতুলতা মাত্র। এ ভাবেই চলে আসছে–চলতে থাকবে, সহসা এর থেকে বের হওয়া কালচার পরিবর্তনের সামিল। সেটার জন্য জনগোষ্ঠীর মানসিক প্রস্তুতির দরকার হয়; ঐটা আবার সময় সাপেক্ষ। জাতি ঐ সাপেক্ষ সময় পার করছে ভাবলে একটু স্বস্তি লাগে বৈকি! হলে এই সব গতানুগতিক ছাত্র সংগঠনের বাইরে দু’একটা ব্যতিক্রম ছিল না তা অবশ্য বলা যাবে না। তবে তাদের কর্ম একেবারেই ক্ষীণ; কিছুটা সুযোগের অভাবে সৎ এর মতো। তবুও তো মন্দের ভালো! এরা সংখ্যায় একেবারেই নগণ্য। এ কারণেই হয়তো অন্যদের ছাড় পেত। যা বাছা চলছিস চল–যাচ্ছিস যা। এদের ভিতর যারা রাজনীতি সচেতন তাদের কথা আলাদা। তাদের তো কার্যক্রম থাকতে হয়! নইলে আর মানুষ কিসে–এই চিন্তা থেকেই কেউ কেউ রাজনীতির সাথে নিজেদের না মিশিয়ে থাকতে পারেনি।
সাদিকে দেখেছি বাম ঘরানার চিন্তায়। তবে ইংরেজির ছেলে-মেয়েদের পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের গতানুগতিক লেজুরবৃত্তিক রাজনীতির সাথে জড়ানোর স্কোপ কম ছিল। পরীক্ষা নামক এক জুজু তাড়া করে বেড়াত। পুল সিরাত পার হওয়ার তাড়না থাকতো বেশি। ওখানকার করণ মাঝিদের কানের সাথে চোখও খুইয়ে গিয়েছিল। কাজেই লারে লাপ্পা করে পার পাওয়া কষ্টকর ছিল। বাম রাজনীতির সুবিধা দুটি–এক, অন্য দল তাদের মিছিলে যেতে বাধ্য করবে না। দ্বিতীয়ত–পড়াশোনা প্রিয়দের খোরাক যুগানোর মতো অনেক সোর্সের যোগানদাতা তারা। লাল কেতাবের কথা তো লোকমুখে ছড়িয়েছিল। সাদির পড়াশোনার ঝোঁকের সাথে মিলে এক্সট্রা ডাইমেনশান তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়।
সাদি ছাত্র জীবনেই পত্রিকার সাথে জড়িয়ে গিয়েছিল। শীর্ষস্থানীয় জাতীয় দৈনিকে লেখালেখি করতো। এ সূত্রে স্ট্রেস নেওয়ার সক্ষমতা আরও বাড়ার কথা। পরীক্ষার বৈতরণী পার হওয়ার পথও তৈরি হয়েছিল বৈকি। তবে আমাদের করণ মাঝিদের কেবল কানই খুইয়েছিল তাই নয় চক্ষুদ্বয়ও তার সাথে বিট্রে করেছিল। ফলাফল আমাদের উপর দিয়ে ঝড় বয়ে যাওয়ার তীব্র আশঙ্কা থেকেই যেত। পরীক্ষা মানেই যেন ১০নং বিপদ সংকেত। কাজেই নিরাপদ আশ্রয়ে শুরু হতো দিগ্বিদিক ছোটাছুটি, অনিশ্চিত দৌড়াদৌড়ি। প্রথম আশ্রয় লালজি বা সেন মশাই। ওতে না কুলালে বড় ভাইয়েরা। একই ডিপার্টমেন্টের কিম্বা একই হলের। শেষ আশ্রয় বন্ধুরা। কয়েক বন্ধু মিলে ক্রিটিক্যাল এনালাইসিস পরীক্ষার ভাষা এপ্রিসিয়েশন। এবং এর উপর ভর করেই বৈতরণী পার হবার কোশেশ। আর যাদের হেল্প বড্ড বেশি প্রয়োজন ছিল তাদের পাওয়া যেত না। তাঁরা থাকতেন ভদ্র পল্লীতে। উঁচু দেয়ালের ওপারে। তাঁদের নাগাল পাওয়া সম্ভব ছিল না। এর ফলেই কিনা জানিনা শিক্ষার্থীদের ভিতর এক ধরণের রেসিস্টেন্স পাওয়ার তৈরি হয়ে যেত। ওপাড়াতে আর যাওয়ার কথা ভাবতো না। কিম্বা ওঁদের কাছে গিয়েই বা কি–এসব ভাবনা দানা বাঁধতে শুরু করে! এক পর্যায়ে সিমেন্টেড হয়ে যায়–এখানে শেখার কিছু নেই–কেউ নেই। যা শিখে এসেছিল ওটাই সম্বল। কেবল পরিস্থিতির সাথে মিলানো, মিলে যাওয়া। বড় বড় নাম তাঁদের কেবল ছোট ছোট কাম! অথবা তাঁরা অমনটাই।
শিক্ষিত মানুষের দুই সত্তা–বলতে হয় দুই ধরণের। এক শ্রেণি–লেখাপড়া শেষে চাকরি বাগিয়ে, বিয়ে করে পুরোদস্তুর সংসারী। তারপর সন্তান, তাদের বেড়ে ওঠা, লেখাপড়ায় তদারকি। পরের শ্রেণিটি সংখ্যায় নগণ্য, নিতান্ত কম। তারা সংসারে মনোনিবেশের সাথে অন্য কিছুতেও ব্যাপৃত থাকে–লেখালেখি বা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড। বলতে গেলে সংসারের গুরুত্ব, দায়িত্ব-কর্তব্য অনেকটা পিছনে পড়ে যায়। এই শ্রেণি ভাগ্যবান বলতে হয় অন্তত এ দেশীয় সমাজ ব্যবস্থার বিচারে। যদিও লেখালেখির কাজটা সহজতর নয় বরং জটিল। ক্ষেত্র বিশেষ দূরাসাধ্য। কারণ মেধা থাকলেই লেখক হওয়া যায় না। আবার অমেধাবী হয়ে চর্চায় রাইটার বনে যাওয়া–দিল্লীকা দূর অস্ত হায়! এ কারণেই এদেশে সংখ্যায় লেখকদের এতো আকাল! বুদ্ধিতে এতো খরা! যদি অতি প্রাকৃতের কথা বলতে হয় তাহলে সাদি ভাগ্যবান। ডোয়ার্ফের দেশে জায়ান্ট–আর কী!
সাদি বেছে নিজেছে কঠিন জীবন। হ্যাঁ, লেখালেখিটা কষ্টসাধ্য কাজই বটে। অনেক কিছু ছেড়ে এতে মনোনিবেশ করতে হয়। বিত্ত, আরাম-আয়েশ যা আবার চিত্ত বিরোধী। ইতোমধ্যে সাদির বই বেরিয়েছে ১৯টি। বুদ্ধিবৃত্তিক সমাজকে সে প্রতিনিধিত্ব করে। শিক্ষকতা পেশার পাশাপাশি সমাজ সচেতন নাগরিক হিসেবে যে দায় তা পালন করে–পাশে দাঁড়িয়ে, সাহস যুগিয়ে, প্রয়োজনে কলম ধরে। মানুষ অমরত্বের আকাঙ্ক্ষী। এ কারণে সমাজে অনেক ধরণের কর্মে সে লিপ্ত হয়–ধর্মেও ভিড়ে যায়। কিন্তু কিছু মানুষ এমনিতেই পৌঁছে যায় এ পথে। আমার কাছে পথটি লেখালেখি–কলমের কালি মানুষকে অমর করে তোলে। সাদি সেটি চায় কিনা জানি না; তবে সে পথটি মসৃণ করতে পেরেছে বলেই আমার বিশ্বাস। যদিও, এখনও তার সামনে অবারিত পথ–উন্মুক্ত মাঠ। অবশ্য ক্ষেত্রটা সাদি পেয়েছে পারিবারিকভাবেই। তার মা থেকে, যিনি উত্তরাঞ্চলে, অন্যত্রও পরিচিত মুখ ছিলেন সংস্কৃত অঙ্গনে। টিএস এলিয়টের মতো। মায়ের থেকে হয়তো কাব্য চলে এসেছে সন্তানের ধমনীতে। পঞ্চাশে নাকি লেখক দিব্যজ্ঞান প্রাপ্ত হন–মানে পক্ক লেখা বের হয়। সাদি সেই পথে এ বছর পা রেখেছে। জগৎ এবার তার প্রতীক্ষায়; ফুল ফলে ভরে উঠবে ভাঁড়ার; উথলে উঠবে সাহিত্যের অন্ধিসন্ধি। নব নব সৃষ্টির প্রতীক্ষায় অনাগত পাঠকেরা!
আরো পড়ুন
- অনুপ সাদির কবিতা: সাহিত্য ভ্রমের বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক
- অনুপ সাদির কবিতায় দ্রোহ, স্বদেশ ও বিশ্বমানবের জয়গান
- অনুপ সাদির হাফ সেঞ্চুরি এবং আমার লেখার হাতেখড়ি
- রূপোলী জ্যোৎস্নায় সফেদ সাদি
- নিজকথায় লোককথায় হুমায়ুন আজাদ এবং নারী : প্রতিরোধ, সত্য ও ভাঙচুরের পাঠ
- অনুপ সাদি প্রসঙ্গে দুচার কথা
- উইকিমিডিয়া কমন্স ফটোগ্রাফিতে অনুপ সাদির কাজ
- শাহেরা খাতুন স্মারক গ্রন্থ-এর একটি মূল্যায়ন
- অনুপ সাদি বাংলা উইকিপিডিয়ার অন্যতম অবদানকারী
- অনুপ সাদি : ব্যক্তি ও ব্যক্তিসত্ত্বা
- চণ্ডালের চণ্ডিপাঠ
- ফেসবুকে আত্মনির্মিত অনুপ সাদির ভগ্নাংশ
- অনুপ সাদি ভাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের যে অগ্রজকে মনে রেখেছি
- এক আলোর ফেরিওয়ালা অনুপ সাদি
- অনুপ সাদি সবকিছু খুব খুঁটিয়ে দেখে
- আমাদের সাদি স্যার
- অনুপ সাদি সংখ্যার সম্পাদকীয়, অন্তরাশ্রম চতুর্থ সংখ্যা
- অন্তর্দৃষ্টি সম্পন্ন এক ব্যক্তিত্ব
- অনুপ সাদি একজন সংগ্রামী কলমযোদ্ধা
- বাঙালির ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ বই দুই বাংলার লেখকদের বিভিন্ন রচনার সংকলন
- অনুপ সাদির বাংলা উইকিপিডিয়া সম্পাদনা, অভিজ্ঞতা ও অন্যান্য কার্যক্রম
- অনুপ সাদির কবিতা তুলে এনেছে শ্রমঘনিষ্ঠ রাজনীতির স্বপ্নকাহন
- কবি অনুপ সাদি বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে সমাজের মূর্ত ছবি আঁকেন
- অনুপ সাদির সম্মেলনপঞ্জি হচ্ছে বিভিন্ন সম্মেলনে উপস্থিতি ও প্রবন্ধ উপস্থাপন
- অনুপ সাদি গ্রন্থাবলী বা অনুপ সাদি রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থসমূহ হচ্ছে বারোটি বই
- অনুপ সাদি প্রদত্ত বক্তৃতার তালিকা হচ্ছে ভাষণ ও আলোচনা
বিশেষ দ্রষ্টব্য: লেখাটির রচনাকাল ৪-৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে। অনুপ সাদির ৫০তম জন্মদিন উপলক্ষে প্রকাশিতব্য গ্রন্থের জন্য লেখক লেখাটি দিয়েছেন। ফুলকিবাজ.কমে লেখাটি হুবহু প্রকাশ করা হলো। এছাড়াও ছবিটি একটি বাস্তবের ছবি হতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দ্বারা তৈরি করা হয়েছে।

জিল্লুর রহমানের জন্ম ৮ জানুয়ারি ১৯৮০ তারিখে বাংলাদেশের মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলায়। তাঁর লিখিত কয়েকটি বই হচ্ছে এই জলে এই জ্যোৎস্নায় (কাব্যগ্রন্থ), নীল খামের গল্পেরা (গল্পগ্রন্থ) এবং শার্দূলের খোঁজে সুন্দরবনে (ভ্রমণকাহিনী)। তিনি বর্তমানে ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।