প্রাচ্যের রাষ্ট্রচিন্তা

প্রাচ্যের রাষ্ট্রচিন্তা বলতে অ-ইউরোপীয় ধারার প্রাচীন মিসরীয়, ব্যাবিলনীয়, পারসিক, চৈনিক ও ভারতীয় রাষ্ট্রচিন্তকদের চিন্তাধারাকে বোঝানো হয়। বস্তুত পাশ্চাত্যের ইউরোপীয় দেশসমূহের চিন্তাবিদদের বিপরীতে প্রাচ্যের মিশর, পারস্য, চীন ও ভারতের চিন্তাবিদদের যে রাজনৈতিক চিন্তাধারা প্রবহমান তাই প্রাচ্যদেশীয় রাষ্ট্রচিন্তা নামে খ্যাত।

বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের কোর্স নং ২২১৯০৭-এর প্রাচ্যের রাষ্ট্রচিন্তা (ইংরেজি: Oriental Political Thought) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাচ্য অঞ্চলের রাষ্ট্রচিন্তা ও প্রাচ্যের সমাজচিন্তা বিষয়ক সিলেবাস অনুসারে এই পাতাটি সাজানো হয়েছে। তবে সাধারণ পাঠকদের কথা চিন্তা করেও এখানে আলোচনা করা হয়েছে। আপনারা প্রতিটি লেখার লিংকে ক্লিক করে বিস্তারিত পড়তে পারবেন।

প্রাচ্যের রাষ্ট্রচিন্তার অর্থ ও গুরুত্ব

রাষ্ট্র সম্পর্কে প্রাচ্যের ধারণা

প্রাচীন ও মধ্যযুগের রাষ্ট্রচিন্তা

কৌটিল্য

আবুল ফজল

প্রাচীন সামন্তবাদী চীনা রাষ্ট্রচিন্তা

মুসলিম রাষ্ট্রচিন্তাবিদগণ

আল ফারাবি

ইমাম গাজ্জালী

ইবনে রুশদ

ইবনে খালদুন

বেঙ্গল ও ভারতীয় উপমহাদেশের রাষ্ট্রচিন্তা

দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক সংকটকে সঠিকভাবে অনুধাবন  করতে হলে সর্বাগ্রে যেটা প্রয়োজন তা হলো রাজনৈতিক নেতৃবর্গের চিন্তা-চেতনা ও কর্মধারা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা লাভ করা। কারণ উপমহাদেশের রাজনীতি প্রধানত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে কেন্দ্র করে বিকশিত হয়েছে। তাদের অঙ্গুলি সংকেতে সংগ্রামে অবতীর্ণ হয়েছেন আপামর জনগোষ্ঠী এবং অকাতরে প্রাণ দিয়েছেন অসংখ্য নরনারী। এর ফলে স্বাভাবিকভাবেই রাজনীতিক পটপরিবর্তন ঘটেছে অত্যন্ত দ্রুত লয়ে। প্রকৃতপক্ষে উপমহাদেশের রাজনীতি এই প্রজ্ঞাবান ও কুশলী নেতৃবৃন্দের ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় ভূমিকার পরিচয়বাহী। আমরা উপমহাদেশের প্রগতিশীল ও প্রতিক্রিয়াশীল উভয় ধারার চিন্তাধারার মূল্যায়ন করেছি।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

অরবিন্দ ঘোষ

মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী

মানবেন্দ্রনাথ রায়

আল্লামা ইকবাল

মুজফফর আহমদ

মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী