মুসলিম দার্শনিক

মুসলিম দার্শনিক বা মুসলিম দার্শনিকবৃন্দ (ইংরেজি: Muslim Philosophers) হচ্ছেন প্রাচ্যের দর্শন ও রাষ্ট্রচিন্তায় প্রাধান্যকারী অ-ইউরোপীয় ধারার আরবীয়, মিসরীয়, ব্যাবিলনীয়, পারসিক, ও দক্ষিণ এশীয় দার্শনিকদের চিন্তাধারাকে বোঝানো হয়। বস্তুত পাশ্চাত্যের ইউরোপীয় দেশসমূহের চিন্তাবিদদের বিপরীতে প্রাচ্যের আরব, এশীয়, মিশর, পারস্য, চীন ও ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের দার্শনিক ও চিন্তাবিদদের যে দার্শনিক চিন্তাধারা প্রবহমান তাই মুসলিম দর্শন চিন্তা নামে খ্যাত। মুসলিম দর্শনের আলোচনা করতে গেলে দেখা যাবে মুসলিম দার্শনিকগণ জ্ঞানের প্রতি অনুরাগী হয়েই তাদের দর্শন আলোচনায় প্রবৃত্ত হয়েছেন।

মুসলিম দার্শনিকবৃন্দ জন্মগ্রহণ করেছেন সামন্তবাদের উত্থান ও অবক্ষয়ের যুগে। তাঁদের চিন্তাসমূহ সাম্নতবাদের পৃষ্ঠপোষকতা যেমন করেছে তেমনিভাবে অনেকের চিন্তা মুসলিম সাম্রাজ্য ও সম্রাট এবং সুলতানদের পক্ষে কাজে লেগেছে। তাঁদের অনেকের চিন্তাধারা যেমন ভাববাদ দ্বারা প্রভাবিত তেমনি অনেকেই বস্তুবাদকে গ্রহণ করেছেন।

মুসলিম দার্শনিক ও দর্শন

ব্যাপক অর্থে  “মুসলিম দর্শন হলো মুসলিম জাতির বিভিন্ন চিন্তাধারা, যে চিন্তাধারায় মুসলমানদের রাজনৈতিক, ধর্মীয়, তাত্তিক, ইহলৌকিক, পারলৌকিক, মরমি ইত্যাদি সকল চিন্তাশীল আলোচনাই অন্তর্ভুক্ত।” অপর এক দলের মতে, “মুসলিম দর্শন হলো মুসলিম চিন্তাবিদদের সে সকল আলোচনা, যা তারা গ্রিক দর্শনের আলোকে চিন্তা করেছেন”। আবার সংকীর্ণ অর্থে কেউ কেউ মুসলিম দর্শন বলতে বুঝিয়েছেন, “মুসলিম দর্শন হলো মুসলমান জাতির দর্পণ। মুসলিম মনীষীগণ কোরআন ও হাদিসের ভিত্তিতে জীবন ও জগতের ব্যাখ্যা দেওয়ার যে প্রচেষ্টা চালান, তাই হচ্ছে মুসলিম দর্শন”। সংক্ষেপে বলা যায়, মুসলিম দর্শন হচ্ছে, “কোরআন ও হাদিসের আলোকে জীবন ও জগতের ব্যাখ্যা ও মূল্যায়নের প্রয়াস।”

বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স তৃতীয় বর্ষের কোর্স মুসলিম দার্শনিকবৃন্দ (ইংরেজি: Muslim Philosophers) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী দর্শন ও মুসলিম দর্শন ও দার্শনিক বিষয়ক সিলেবাস অনুসারে এই পাতাটি সাজানো হয়েছে। তবে সাধারণ পাঠকদের কথা চিন্তা করেও এখানে আলোচনা করা হয়েছে।

মুসলিম দার্শনিক

যেসব মুসলিম দার্শনিকবৃন্দ সম্পর্কে পাঠ করতে হয়, তাঁদের সম্পর্কে এখানে যথাসম্ভব লেখার চেষ্টা করা হয়েছে। আপনারা প্রতিটি লেখার লিংকে ক্লিক করে বিস্তারিত পড়তে পারবেন।

আল কিন্দি (৮০১ – ৮৭৩ খ্রি.)

আল ফারাবি (৮৭২-৯৫০ খ্রি.)

ইবনে সিনা (৯৮০ – জুন ১০৩৭ খ্রি.)

ইমাম আল গাজ্জালী (আনু. ১০৫৮-১৯ ডিসেম্বর, ১১১১ খ্রি.)

ইবনে রুশদ (১১৬২- ১১ ডিসেম্বর ১১৯৮ খ্রি.)

ইবনে খালদুন (২৭ মে ১৩৩২ – ১৭ মার্চ ১৪০৬ খ্রি.)

মোল্লা সদর (আনু. ১৫৭১ – ১৬৩৫)

  • মোল্লা সদর

শাহ ওয়ালীউল্লাহ (১৭০৩–১৭৬২ খ্রি.)

  • শাহ ওয়ালীউল্লাহ

আল্লামা মহম্মদ ইকবাল (৯ নভেম্বর ১৮৭৭ – ২১ এপ্রিল ১৯৩৮)

You cannot copy content of this page