উত্তরা সিনেমার লাল মাটির গান: ‘ফুল গাছটি লাগইছিলাম’ ও ‘কালো জলে কুচলা তলে’ লিরিক্স ও বিশ্লেষণ

উত্তরা সিনেমা ও সাঁওতালী লোকগীতির লাল মাটির দেশ বাঁকুড়ার ছৌ নাচ

বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত পরিচালিত কালজয়ী চলচ্চিত্র ‘উত্তরা’র গানগুলো বাংলা সিনেমার ইতিহাসে এক অনন্য সৃষ্টি। এই সিনেমার গানগুলোর মূল শক্তি হলো সাঁওতালী লোকগীতির প্রভাব এবং বাঁকুড়া, বর্ধমান ও বীরভূমের ‘লাল মাটির দেশ’-এর খাঁটি মাটির সুর। প্রতিটি গানের ভেতরে লুকিয়ে আছে এক তীব্র অন্তর্নিহিত হাহাকার, যা শ্রোতার হৃদয়কে গভীরভাবে ছুঁয়ে যায়। অসামান্য কণ্ঠশিল্পী অভিজিৎ বসুর অনন্য গায়কীতে প্রাণ … Read more

তোমরা গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে: গানের ইতিহাস ও ভাবার্থ

তোমরা গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে ভাওয়াইয়া গানের দৃশ্য

বাংলা লোকসংগীতের এক অমূল্য সম্পদ কালজয়ী ভাওয়াইয়া গান ‘তোমরা গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে’। হিমালয়ের পাদদেশীয় অঞ্চল তথা বর্তমান ভারতের আসামের গোয়ালপাড়ায় জন্ম নেওয়া এই ঐতিহ্যবাহী গোয়ালপাড়িয়া লোকগীতিটি আজ সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। গানটির মূল বৈশিষ্ট্য ও ইতিহাস: গানের মূল বিষয়বস্তু: প্রেম, বিরহ ও অপেক্ষা ‘তোমরা গেইলে কি আসিবেন মোর মাহুত বন্ধুরে’ গানটি মূলত … Read more

প্রান্তরের গান আমার: সলিল চৌধুরী ও উৎপলা সেনের কালজয়ী গানের লিরিক্স ও ইতিহাস

প্রান্তরের ও গান আমার লিরিক্স এবং সলিল চৌধুরীর ছবি সম্বলিত ব্যানার

‘প্রান্তরের গান আমার, মেঠো সুরের গান আমার’—বাংলা আধুনিক গানের সোনালী যুগের এক অনবদ্য ও কালজয়ী সৃষ্টি। ১৯৫৩ সালে মুক্তি পাওয়া এই গানটি আজও শ্রোতাদের মুগ্ধ করে。 সুরের জাদুকর সলিল চৌধুরীর অসামান্য কথা ও সুর, আর কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী উৎপলা সেন-এর জাদুকরি গায়কীর এক অপূর্ব মেলবন্ধন এটি। প্রজন্মের পর প্রজন্ম পেরিয়েও এই মেঠো সুর আজও প্রতিটি বাঙালি … Read more

রাই জাগো গো, জাগো শ্যামের মনমোহিনী গানের কথা ও ইতিহাস

Rai Jago Go traditional Baul folk song performance in Bengal village

জনপ্রিয় কৃষ্ণভজন “রাই জাগো গো, জাগো শ্যামের মনমোহিনী” মূলত একটি ঐতিহ্যবাহী বাংলা লোকসংগীত। এই আধ্যাত্মিক গানটির সুনির্দিষ্ট কোনো একক রচয়িতা বা গীতিকারের নাম ইতিহাসে পাওয়া যায় না। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে কীর্তন শিল্পী এবং লোকসংগীত সাধকদের মাধ্যমে এই ভক্তিগীতিটি বাংলার ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়েছে। “রাই জাগো গো” গানটির মূল প্রেক্ষাপট ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য “রাই জাগো … Read more

ফিরাইয়া দে মোদের কায়ুর বন্ধুদেরে: এক রক্তঝরা ইতিহাসের গান

Bengali peasants and freedom fighters protesting with red flag under banyan tree during Kayyur movement

বাংলা প্রতিবাদী গানের ইতিহাসে “ফিরাইয়া দে মোদের কায়ুর বন্ধুদেরে” একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও শোকাতুর গণসংগীত। ১৯৪২ সালে ভারতীয় গণনাট্য সংঘের (IPTA) অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব ও প্রখ্যাত গণসংগীত শিল্পী বিনয় রায় এই ঐতিহাসিক গানটি রচনা এবং সুর করেছিলেন। কালজয়ী এই সৃষ্টিটি পরবর্তীতে ১৯৮৭ সালে মণিলাল মজুমদারসহ অন্যান্য লোকশিল্পীদের কণ্ঠে আরও ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। “ফিরাইয়া দে … Read more

পথ হারাবো বলেই এবার পথে নেমেছি: সলিল-হেমন্ত জুটির এক অমর সৃষ্টি

১৯৫০-এর দশকের স্টুডিওতে সলিল চৌধুরী ও হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের সংগীত চর্চার একটি সাদা-কালো ক্লাসিক ছবি।

বাংলা আধুনিক গানের ইতিহাসে ‘পথ হারাবো বলেই এবার পথে নেমেছি’ গানটি একটি কালজয়ী সৃষ্টি। কিংবদন্তি সংগীতকার সলিল চৌধুরীর অনবদ্য কথা ও সুরে গানটি এক অনন্য মাত্রা পেয়েছে। ১৯৫৮ সালে ‘অপরাজিত’ চলচ্চিত্রের ব্যাপক সাফল্যের পর, সলিল চৌধুরীর নিরীক্ষাধর্মী সংগীত যখন জনপ্রিয়তার শীর্ষে, ঠিক তখনই গানটি একক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এই অবিস্মরণীয় গানে কণ্ঠ দিয়েছেন প্রখ্যাত গায়ক … Read more

গণসংগীতের মাইলফলক: বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা গানের প্রেক্ষাপট ও বিশ্লেষণ

প্রতিবাদী জনতার মিছিলে সলিল চৌধুরীর 'বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা' গানের ব্যানার হাতে অধিকার আদায়ের সংগ্রামের একটি প্রতীকী চিত্র।

সলিল চৌধুরীর কালজয়ী সৃষ্টি ‘বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা’ বাংলা গণসংগীতের ইতিহাসে এক অবিনাশী মাইলফলক। ১৯৪৫ সালের উত্তাল রাজনৈতিক আবহে রচিত এই গানটি হয়ে উঠেছিল শোষিত মানুষের হৃদয়ের গর্জন। ব্রিটিশ শাসন পরবর্তী সময়ে যখন স্বাধীন দেশেও রাষ্ট্রীয় জুলুম ও সাধারণ মানুষের ওপর নিপীড়ন থামেনি, তখনই এটি প্রতিবাদের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। তৎকালীন কমিউনিস্ট আন্দোলনের … Read more

মনের জানালা ধরে উঁকি দিয়ে গেছে যার চোখ: সলিল ও সতীনাথের কালজয়ী সৃষ্টি

একটি অন্ধকার ঘরের জানালার পাশে বিষণ্ন মনে দাঁড়িয়ে থাকা শাড়ি পরা এক নারী, যার দৃষ্টি সুদূরে নিবদ্ধ। টেবিলের ওপর রাখা পুরোনো ল্যাম্প, ডায়েরি এবং এক কাপ চা যা সলিল চৌধুরীর 'মনের জানালা' গানের বিরহী আবহ প্রকাশ করছে।

‘মনের জানালা ধরে উঁকি দিয়ে গেছে যার চোখ তাকে আর মনে পড়ে না’—গানটি কালজয়ী সুরকার ও গীতিকার সলিল চৌধুরীর এক অতুলনীয় সৃষ্টি। এটি কেবল একটি গান নয়, বরং তাঁর নিজের লেখা একটি ছোটগল্পের ছায়ায় তৈরি এক সুরের আখ্যান। সলিল চৌধুরীর সৃজনে যে আধুনিকতা ও নাগরিক বিষণ্নতার মেলবন্ধন দেখা যায়, এই গানটি তারই এক অনন্য উদাহরণ। … Read more

যদি কিছু আমারে শুধাও: সলিল চৌধুরীর সুরের জাদুতে এক অব্যক্ত অনুভূতির গল্প

নদীর ঘাটে বিষণ্ণ মনে বসে থাকা এক তরুণী, হাতে সাদা ফুল এবং পাশে একটি পুরনো বই, যা সলিল চৌধুরীর ‘যদি কিছু আমারে শুধাও’ গানের বিরহ ও নীরবতাকে ফুটিয়ে তুলছে।

জনপ্রিয় বাংলা আধুনিক গানগুলোর মধ্যে সলিল চৌধুরীর ‘যদি কিছু আমারে শুধাও’ অন্যতম। গানটির কথা ও সুরের মেলবন্ধনে তিনি বিরহ আর যন্ত্রণাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। সলিল চৌধুরীর এই সৃষ্টিতে কেবল সুরের মূর্ছনা নয়, বরং হৃদয়ের এক গভীর নীরবতা খুঁজে পাওয়া যায়। গানের ভাবার্থ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, প্রকৃতির শান্ত ব্যাকুলতা আর না বলা কথার … Read more

যদি জানতে গো তুমি জানতে: সলিল-মানবেন্দ্র জুটির এক কালজয়ী মহাকাব্য

পুরানো কোলকাতার একটি বাড়ির জানালায় বিষণ্ণ মনে বসে থাকা এক নারী, বাইরে বৃষ্টিভেজা রাস্তা এবং হলুদ ট্যাক্সি, যা সলিল চৌধুরীর ‘যদি জানতে গো তুমি জানতে’ গানের বিরহী আবহের প্রতিফলন।

‘যদি জানতে গো তুমি জানতে’ গানটি বাংলা আধুনিক গানের ইতিহাসে এক কালজয়ী মহাকাব্য। ১৯৬১-৬২ সালের দিকে রেকর্ড করা এই গানটির কথা ও সুরের জাদুকর ছিলেন কিংবদন্তি সলিল চৌধুরী। প্রথিতযশা শিল্পী মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়ের ভরাট এবং আবেগঘন কণ্ঠ গানটিকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে, যা আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে সমানভাবে নাড়া দেয়। সঙ্গীত পরিচালনার ক্ষেত্রে এই গানে সলিল … Read more