কমরেড জ্যোতিষ বসু: ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে সশস্ত্র সংগ্রামের এক কিংবদন্তি শ্রেণিযোদ্ধা

ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে যে কজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নিজের জীবনকে সম্পূর্ণভাবে মেহনতি মানুষের কল্যাণে উৎসর্গ করেছেন, তাঁদের মধ্যে কমরেড জ্যোতিষ বসু (সেন্টু বসু) অন্যতম। তিনি ছিলেন একাধারে ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের লড়াকু সৈনিক, ভাষা সংগ্রামী, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব এবং ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। রাজনীতি ও সংস্কৃতির মেলবন্ধনে তিনি যে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, তা আজকের প্রজন্মের জন্য এক গভীর অনুপ্রেরণার উৎস।

👶 জন্ম, শৈশব ও পারিবারিক রাজনৈতিক পটভূমি

কমরেড জ্যোতিষ বসু ১৯২০ সালে বৃহত্তর ময়মনসিংহ শহরের নওমহলস্থ পৈত্রিক বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। চার ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। তাঁর পিতা উপেন্দ্র চন্দ্র বসু এবং মাতা লাবণ্য প্রভা বসু। উপেন্দ্র চন্দ্র বসুর আদি নিবাস ছিল বর্তমান টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতি থানার নারিন্দা গ্রামে।

জ্যোতিষ বসুর পরিবারটি ছিল বিষয়-সম্পত্তিতে সমৃদ্ধ এবং রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত উদার। তাঁর পিতা উপেন্দ্র বসু ছিলেন ভারতের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল “भारतीय राष्ट्रीय कांग्रेस” (ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস)-এর একজন একনিষ্ঠ সংগঠক। অন্যদিকে, তাঁর মাতা লাবণ্য প্রভা বসুও ছিলেন দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ এক প্রগতিশীল নারী কর্মী। নারীদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে তিনি রামকৃষ্ণ রোডের নিজ বাড়িতে একটি ‘বয়ন বিদ্যালয়’ বা সেলাই শিক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করেন এবং নিজ দায়িত্বে তা পরিচালনা করতেন। এমন একটি রাজনৈতিক ও জনকল্যাণমুখী পারিবারিক পরিবেশেই জ্যোতিষ বসুর দেশপ্রেমের হাতেখড়ি হয়।

🎓 শিক্ষা জীবন ও বিপ্লবী রাজনীতিতে হাতেখড়ি

জ্যোতিষ বসু ময়মনসিংহ সিটি কলেজিয়েট স্কুল থেকে সফলতার সাথে ম্যাট্রিক (এসএসসি) পাশ করেন। তবে ছাত্রাবস্থাতেই তাঁর জীবনের মোড় ঘুরে যায়। ময়মনসিংহ শহরের তৎকালীন বিপ্লবী গোপন রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সাথে তাঁর নিবিড় সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিখ্যাত বামপন্থী বিপ্লবী নেতা সুনির্মল সেনের একান্ত সহচর হিসেবে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে পা রাখেন।

ম্যাট্রিক পাশের পর পরিবারের ইচ্ছায় তাঁকে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ভর্তি করানো হয়। তবে ততদিনে দেশের মুক্তি আর মেহনতি মানুষের অধিকারের লড়াই তাঁর মনকে আচ্ছন্ন করে ফেলেছে। “সর্বভারতীয় ছাত্র ফেডারেশনের” (AISF) একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে যুক্ত হওয়ার পর তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা জীবনের কার্যত পরিসমাপ্তি ঘটে। পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার চেষ্টা করা সত্ত্বেও তাঁকে আর ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশোনায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়নি।

🚩 রাজনৈতিক জীবন এবং কমিউনিস্ট পার্টিতে অন্তর্ভুক্তি

শিক্ষাজীবনকে বিদায় জানিয়ে জ্যোতিষ বসু ময়মনসিংহে ফিরে আসেন এবং পুরোদমে বিপ্লবী রাজনীতি শুরু করেন। চল্লিশের দশকের শুরুতে বিশ্বজুড়ে ফ্যাসিবাদের যে তাণ্ডব চলছিল, তার বিরুদ্ধে ময়মনসিংহে গড়ে ওঠা আন্দোলনে তিনি অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। এই ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের এক রক্তাক্ত অধ্যায়ে ফরোয়ার্ড ব্লকের সাথে সংঘর্ষে তাঁর প্রিয় বন্ধু ও সহকর্মী ফনি চক্রবর্তী নিহত হন এবং কানু রায় গুরুতর আহত হন।

এই সংগ্রামের পথ ধরেই ১৯৪০ সালে জ্যোতিষ বসু ‘ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি’ (CPI)-এর সদস্যপদ লাভ করেন। ১৯৪৩ সালে বিশ্বজুড়ে সমাদৃত “ভিয়েতনাম দিবস”কে কেন্দ্র করে ময়মনসিংহ শহরে যে বিশাল গণআন্দোলন গড়ে উঠেছিল, তার মূল সংগঠকদের একজন ছিলেন তিনি। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে ১৯৪৪ সালে তিনি প্রথমবার গ্রেফতার হন এবং পরবর্তীতে মুক্তি পান। এরপর কমিউনিস্ট আন্দোলনের প্রবাদপ্রতিম নেতা কমরেড মনি সিং, খোকা রায় এবং আলতাব আলীর সান্নিধ্যে শুরু হয় তাঁর পুরোদস্তুর রাজনৈতিক পথচলা। ১৯৪৫ সালে নেত্রকোনায় অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক ‘সর্বভারতীয় কৃষক সভা’য় তিনি একনিষ্ঠ স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

🌾 টংক আন্দোলন, দাঙ্গা প্রতিরোধ ও দেশভাগের কঠিন সময়

ময়মনসিংহের উত্তরাঞ্চলের গারো ও হাজং কৃষকদের উপর জমিদারদের শোষণের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা বিখ্যাত ‘টংক আন্দোলনে’ কমরেড জ্যোতিষ বসু অত্যন্ত অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। চল্লিশের দশকের মাঝামাঝি সময়ে যখন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার লেলিহান শিখায় গোটা বাংলা পুড়ছিল, তখন তিনি কমিউনিস্ট নেতা কমরেড আলতাব আলীর সাথে মিলে ময়মনসিংহে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা এবং দাঙ্গা প্রতিরোধে ঐতিহাসিক ভূমিকা রাখেন।

১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর বহু অভিজাত কমিউনিস্ট নেতা ও শুভানুধ্যায়ী পূর্ব বাংলা ত্যাগ করে ভারতে চলে যান। সদ্য গঠিত পাকিস্তানের মুসলিম লীগ সরকারের চরম নির্যাতন এবং চারপাশের সাম্প্রদায়িক বৈরী পরিবেশের কারণে কমিউনিস্ট পার্টির জন্য সেটি ছিল এক চরম অন্ধকার ও কঠিন সময়। এমন প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তরুণ জ্যোতিষ বসু দেশ ছাড়েননি। তিনি অনাহারে-অর্ধাহারে, পরিচিত-অপরিচিত মানুষের আশ্রয়ে থেকে বৃহত্তর ময়মনসিংহের মেহনতি মানুষের অধিকারের ‘লালঝান্ডা’ আঁকড়ে ধরে পার্টিকে পুনর্গঠন করতে থাকেন। এর ফলে পাকিস্তান সরকারের নির্মম অত্যাচার নেমে আসে তাঁর পুরো পরিবারের উপর। ১৯৪৮ থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৬ বছর তিনি একটানা আত্মগোপনে (Underground) থাকতে বাধ্য হন এবং পরবর্তীতে মুসলিম লীগ বিরোধী ‘যুক্তফ্রন্ট’ নির্বাচনের প্রাক্কালে পুনরায় প্রকাশ্যে আসেন।

🚔 স্বৈরশাসকের নিপীড়ন, জেলজীবন ও মহান ত্যাগ

১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার পূর্ব বাংলার প্রগতিশীল যুক্তফ্রন্ট সরকারকে অন্যায়ভাবে ভেঙে দেয় এবং ৯২(ক) ধারা জারি করে জ্যোতিষ বসুসহ বহু নেতাকে গ্রেফতার করে। জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি আবারও আত্মগোপন করেন। ১৯৫৭ সালে তিনি শ্রীমতি ছায়া বসুর সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

তবে বিয়ের এক বছরের মাথায় ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খানের সামরিক সরকার জ্যোতিষ বসু ও তাঁর নবপরিণীতা স্ত্রীর নামে হুলিয়া জারি করে। শুধু তাই নয়, বেআইনিভাবে ময়মনসিংহ শহরের পৈত্রিক বাড়িসহ তাঁদের মোট ২৪ কাঠা জমি ক্রোক করে পুরো পরিবারটিকে বাস্তুচ্যুত ও উচ্ছেদ করা হয়। (স্বাধীনতার পর তাঁর এক সময়ের জেলসঙ্গী ও স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এই ক্রোককৃত সম্পত্তির ক্ষতিপূরণ দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু মহান দেশপ্রেমিক জ্যোতিষ বসু যুদ্ধবিধ্বস্ত সদ্য স্বাধীন দেশের রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে কোনো অর্থ নিতে পরিষ্কার অস্বীকৃতি জানান)। ১৯৬০ সালে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় কিশোরগঞ্জ থেকে তিনি পুনরায় গ্রেফতার হন এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের পূর্ব পর্যন্ত দীর্ঘ ৯ বছর কারাগারে কাটান। এই দীর্ঘ জেলজীবনে মাত্র ৩ দিনের জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়েছিলেন তিনি। ১৯৬৯ সালে মুক্তি পাওয়ার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে তাঁকে আবারও আত্মগোপনে যেতে হয়।

🎖️ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদান

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু হলে কমরেড জ্যোতিষ বসু সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে কমরেড আলতাব আলীসহ সীমান্ত অতিক্রম করার সময় লেংগুড়া বাজারের কাছে তাঁরা পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী ইপিআর-এর হাতে আটক হন। একপর্যায়ে তাঁদের দুজনকে ফায়ারিং স্কোয়াডে পাঠানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ঠিক সেই মুহূর্তে সীমান্তবর্তী টংক আন্দোলন অধ্যুষিত এলাকার সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ খবর পেয়ে সেখানে ছুটে আসেন। মেহনতি মানুষের কাছে আলতাব আলী ও জ্যোতিষ বসু ছিলেন অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ও পরিচিত নাম। ফলশ্রুতিতে, সাধারণ জনতার তীব্র প্রতিরোধ ও বিক্ষোভের মুখে তাঁরা দুজন অলৌকিকভাবে নিশ্চিত মৃত্যুর হাত থেকে প্রাণে বেঁচে যান। পরবর্তীতে, ভারতের মেঘালয় রাজ্যের বারেঙ্গাঁ পাড়া, চান্দু ভূঁই এবং সিশিংপাড়ায় ছাত্র ইউনিয়ন, ন্যাপ ও কমিউনিস্ট পার্টির সমন্বয়ে গঠিত গেরিলা বাহিনীর ৩টি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাম্পের সফল পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। অন্যদিকে, মুক্তিযুদ্ধের পুরোটা সময় তাঁর পরিবার দেশের অভ্যন্তরে অবরুদ্ধ থেকে চরম নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়।

স্বাধীন বাংলাদেশ পুনর্গঠন ও শেষ জীবন

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হওয়ার পর জ্যোতিষ বসু মুক্ত বাংলাদেশে ফিরে আসেন। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনের পাশাপাশি ‘বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি’ (CPB)-কে শক্তিশালী গণভিত্তি দেওয়ার কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেন। ১৯৭২ সনে তিনি পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক এবং ১৯৭৩ সনে দ্বিতীয় কংগ্রেসে কেন্দ্রীয় কমিটির পূর্ণাঙ্গ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮০ সাল পর্যন্ত তিনি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং আমৃত্যু ময়মনসিংহ জেলা কমিটির সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সামরিক শাসনামলে তিনি পুনরায় আত্মগোপনে যেতে বাধ্য হন এবং ১৯৭৭ সালে প্রকাশ্য রাজনীতিতে ফিরে আসেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে জেল, হুলিয়া, সম্পত্তি হারানো এবং অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়েও তিনি তাঁর আদর্শ থেকে একচুলও নড়েননি। ১৯৮১ সালের ১৮ জুন, ৬১ বছর বয়সে এই মহান বিপ্লবী হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

কমরেড জ্যোতিষ বসু সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা দেখুন ইউটিউব থেকে
আলোচনা করেন সিপিবির ময়মনসিংহ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড শেখ বাহার মজুমদার।

🌟 ব্যক্তিত্ব, দূরদর্শিতা ও কিংবদন্তিদের সাথে জেলজীবন

জ্যোতিষ বসু ছিলেন একজন অসাধারণ সুবক্তা এবং অত্যন্ত উদার মনের মানুষ। নিজ রাজনৈতিক আদর্শ ও পার্টির প্রতি তাঁর আনুগত্য ছিল প্রশ্নাতীত। তবে সংকীর্ণ দলীয় বৃত্ত বা যান্ত্রিক অনুশাসনে তিনি নিজেকে কখনো বন্দী করেননি। তাঁর রাজনৈতিক দূরদর্শিতা, অমায়িক আচরণ এবং অহংকারমুক্ত ব্যক্তিত্বের কারণে তিনি আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের কাছেও অত্যন্ত গ্রহণযোগ্য ও শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। তিনি কোনো অভিভাবকসুলভ অহংবোধ দেখাতেন না, বরং সবসময় জনতার কাতারে দাঁড়িয়ে একটি সাম্যবাদী ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখতেন।

পাকিস্তানি স্বৈরশাসকদের নির্মম নিপীড়নের মুখে তাঁর পুরো পরিবার একসময় স্থায়ীভাবে ভারতে চলে যায়। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বারবার ভারতে চলে যাওয়ার অনুরোধ করলেও, দেশ ও মাটির টানে তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। জীবনের অর্ধেকেরও বেশি সময় তাঁর কেটেছে অন্ধকার প্রকোষ্ঠে। এই দীর্ঘ কারাজীবনে বিভিন্ন সময়ে তাঁর সহবন্দী বা সাথী হিসেবে ছিলেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত সব প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পুরোধা ব্যক্তিত্ব। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:

  • মহারাজ ত্রৈলোক্য নাথ চক্রবর্তী 🌀
  • মনোরঞ্জন ধর 🏛️
  • নগেন সরকার 🚩
  • মন্মথ দে ✊
  • সুকুমার ভাওয়াল 📜
  • কাজী আব্দুল বারী 🗣️
  • কমরেড আলতাব আলী 🤝
  • মহাদেব স্যানাল 🎨
  • রবি নিয়োগী 📖
  • অজয় রায় 🖊️
  • আলোকময় নাহা ✨
  • মীর কফিল উদ্দিন (লাল মিয়া) 🔴
  • জমিয়ত আলী 🌾
  • রফিক উদ্দিন ভুইয়া 🗳️
  • বিখ্যাত কৃষক নেতা সামছুল হক 🚜
  • আজিজুল ইসলাম khan 🏛️

আরো পড়ুন

📢 শেষ কথা (Conclusion)

কমরেড জ্যোতিষ বসুর জীবন অবলীলায় প্রমাণ করে যে, আদর্শের জন্য কীভাবে সব সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ও পৈত্রিক সম্পত্তি বিসর্জন দেওয়া যায়। মেহনতি মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে তাঁর এই অসামান্য আত্মত্যাগ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে চিরকাল স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।

তথ্যসূত্র ও টিকা

. সম্পাদনা নোট: এই তথ্যবহুল প্রবন্ধটি প্রথম রচিত হয়েছিল ২২ জুন, ২০২১ তারিখে। পাঠকদের জন্য সাম্প্রতিকতম ও নির্ভুল তথ্য নিশ্চিত করতে লেখাটি আজ ১৯ জুন ২০২৬ তারিখে সর্বশেষ আপডেট করা হয়েছে।

Leave a Comment