ভারতে বিদ্রোহ

কার্ল মার্কসের প্রবন্ধ ভারতে সিপাহী বিদ্রোহ, ১৮৫৭, হায়দ্রাবাদ,

কার্ল মার্কস রচিত ‘ভারতে বিদ্রোহ’: ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের এক অনন্য দলিল লন্ডন ১৭ জুলাই ১৮৫৭ দিল্লি বিদ্রোহী সিপাহীদের হস্তগত ও মোগল বাদশাহ ঘোষিত হবার পর ৮ই জুন ঠিক এক মাস হলো। ব্রিটিশ শক্তির বিরুদ্ধে ভারতের এই প্রাচীন রাজধানী বিদ্রোহীরা দখলে রাখতে পারবে তেমন কোনো ধারণা অবশ্যই অস্বাভাবিক। দিল্লি সুরক্ষিত কেবল একটি দেয়াল ও একটি সাধারণ … Read more

নয়া ঐতিহাসিকতাবাদ কি? সাহিত্য ও ইতিহাসের নিবিড় সম্পর্ক ও সমালোচনা

নয়া বা নব্য ঐতিহাসিকতাবাদ বা New historicism

নব্য ঐতিহাসিকতাবাদ (New Historicism) হলো সাহিত্য সমালোচনার একটি আধুনিক ও ইতিহাসভিত্তিক ধারা। সহজ কথায়, এটি এমন একটি সাহিত্য তত্ত্ব যা কোনো সাহিত্যকর্মকে কেবল আলাদা একটি সৃষ্টি হিসেবে দেখে না; বরং তৎকালীন বুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস এবং সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটের আলোকেই সাহিত্যকে বিশ্লেষণ করে। বর্তমান সময়ে আধুনিক ইতিহাসচর্চার বিভিন্ন নতুন প্রবণতার সাথে এই তত্ত্বের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। নয়া ঐতিহাসিকতাবাদ … Read more

আধুনিক নৃত্য কি? রবীন্দ্রনাথ ও উদয়শঙ্করের সৃজনশীল নৃত্যের ইতিহাস

আধুনিক নৃত্য

আধুনিক নৃত্য বা আধুনিকবাদী নৃত্য বা মডার্ন ড্যান্স (Modern Dance) হলো পশ্চিমা নাট্য ও সংগীতানুষ্ঠান নৃত্যের একটি জনপ্রিয় ঘরানা। উনিশ ও বিশ শতকের শুরুর দিকে জার্মানি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এই ধারার সূচনা হয়। পরবর্তীতে প্রখ্যাত নৃত্যশিল্পী উদয় শঙ্কর এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাত ধরে এটি ভারতীয় উপমহাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। ভারতে এই ধারাটি ‘সৃজনশীল নৃত্য’ বা … Read more

স্মৃতিময় সিটিসেল: আমার তারুণ্য, প্রেম এবং একটি হারানো অধ্যায়ের স্মৃতিচারণ

একটি বড় বিলবোর্ডে সিটিসেলের লোগো এবং বাংলা লেখা সংবলিত গ্রামীণ রাস্তার দৃশ্য যেখানে মানুষ এবং রিকশা চলাচল করছে।

প্যাসিফিক বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড, যা জনপ্রিয় ব্র্যান্ড নাম ‘সিটিসেল’ হিসেবে পরিচিত ছিল, বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম ও প্রাচীনতম মোবাইল অপারেটর। শুধু বাংলাদেশেই নয়, দক্ষিণ এশিয়ায় টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের অগ্রদূত হিসেবে শ্রীলঙ্কার ‘ইতিসালাত’ কিংবা পাকিস্তানের ‘পাকটেল’-এর সমসাময়িক সময়েই সিটিসেল তাদের কার্যক্রম শুরু করে। এটি দেশের একমাত্র মোবাইল নেটওয়ার্ক ছিল যা তৎকালীন উন্নত সিডিএমএ (CDMA) এবং ইভিডিও (EV-DO) প্রযুক্তি … Read more

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাস: কারণ, ঘটনা এবং ভয়াবহ পরিণতির সম্পূর্ণ চিত্র

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসপ্রাপ্ত রণাঙ্গনে অগ্রসরমান সৈন্যদল এবং ট্যাঙ্ক।

মানব সভ্যতার ইতিহাসে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (Second World War) ছিল এক নজিরবিহীন ধ্বংসাত্মক অধ্যায়, যা ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ছয় বছর স্থায়ী হয়েছিল। সেই চরম উত্তেজনাকর সময়ে বিশ্বের শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলো মূলত মিত্রশক্তি এবং অক্ষশক্তি নামক দুটি শক্তিশালী সামরিক জোটে বিভক্ত হয়ে এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে লিপ্ত হয়। এই মহাযুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে ৩০টিরও বেশি দেশের প্রায় ১০ কোটিরও বেশি মানুষ অংশগ্রহণ করেছিল, যা … Read more

দ্য গ্রেট ডিপ্রেশন বা ১৯২৯-এর মহামন্দা: পুঁজিবাদের সংকট ও বিশ্ব অর্থনীতির এক অন্ধকার অধ্যায়

১৯৩০-এর দশকের গ্রেট ডিপ্রেশন বা মহামন্দার সময় বিনামূল্যে খাবারের জন্য লাইনে দাঁড়ানো বেকার ও ক্ষুধার্ত মানুষের ভিড়।

বিংশ শতাব্দীর ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী, গভীর এবং সুদূরপ্রসারী অর্থনৈতিক সংকটের নাম হলো ‘মহামন্দা’ (The Great Depression)। মূলত ১৯২৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এই মন্দার দাবানল ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে এবং ১৯৩০-এর দশকের পুরোটা সময়জুড়ে এটি বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশকে বিপর্যস্ত করে রাখে। বিভিন্ন দেশে এর প্রভাব ভিন্ন ভিন্ন সময়ে অনুভূত হলেও ১৯২৯ থেকে ১৯৩০-এর দশকের শেষভাগ … Read more

কাতালান বিচ্ছিন্নতাবাদ: মার্কসবাদী দৃষ্টিভঙ্গিতে সাম্রাজ্যবাদী শোষণের নতুন রূপ

সাম্রাজ্যবাদী দাবার বোর্ডে কাতালান বিচ্ছিন্নতাবাদ এবং ইউরোপীয় আঞ্চলিক পতাকাকে গুটি হিসেবে ব্যবহার করে বুর্জোয়া পুঁজিপতিদের আধিপত্যের একটি রাজনৈতিক ইলাস্ট্রেশন।

কাতালোনিয়ার বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন (ইংরেজি: Catalan separatist movement) মূলত একটি প্রগতিশীলতাবিরোধী ও স্বাধীনতাবিরোধী তৎপরতা, যাকে বিশ্বমানবতার শত্রুদের একটি পরিকল্পিত আন্দোলন হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। এই প্রক্রিয়াটি সংকীর্ণ কাতালান জাতীয়তাবাদে গভীরভাবে প্রোথিত একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র, যার একমাত্র লক্ষ্য হলো স্পেনের রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা বিনষ্ট করে কাতালোনিয়ার জন্য একটি তথাকথিত ‘পতাকা স্বাধীনতা’ ছিনিয়ে আনা। এই আন্দোলনের অন্তরালে … Read more

প্রাচীন এথেন্সের বিচারব্যবস্থা: ডাইকাস্ট ও জনতার আদালতের আদ্যোপান্ত

প্রাচীন এথেন্সের এক জনাকীর্ণ উন্মুক্ত আদালত বা অ্যাটিক ডিকাস্টেরিয়নের দৃশ্য, যেখানে বিচারক বা ডাইকাস্টগণ সারিবদ্ধভাবে বসে আছেন এবং একজন বক্তা তাদের সামনে বক্তব্য রাখছেন; পটভূমিতে পার্থেননসহ এথেন্সের ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও পাহাড় দেখা যাচ্ছে।

প্রাচীন এথেন্সের গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় বিচার বিভাগ ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী। এই ব্যবস্থার মূলে ছিলেন ডাইকাস্ট (গ্রিক: δικαστής, বহুবচনে: δικασταί) বা বিশেষ বিচারকবৃন্দ। ডাইকাস্ট ছিল প্রাচীন এথেন্স নগর-রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় পদের নাম। একে আধুনিক জুরি ব্যবস্থা বা বিচারক পদের সমতুল্য মনে করা যায়। প্রতি বছর এথেন্সের পূর্ণ নাগরিকদের মধ্য থেকে (যাঁরা দাস নন কিংবা ঋণের দায়ে নাগরিকত্ব হারাননি) … Read more

স্নায়ুযুদ্ধের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ: বিশ্ব রাজনীতির এক জটিল ইতিহাস

স্নায়ুযুদ্ধের আদর্শিক দ্বন্দ্ব, ক্ষমতার মেরুকরণ, পরমাণু অস্ত্র প্রতিযোগিতা এবং বিশ্বব্যাপী ছায়াযুদ্ধের (Proxy War) একটি সচিত্র চিত্রায়ন।

স্নায়ুযুদ্ধের কতিপয় বৈশিষ্ট্য (ইংরেজি: Characteristics of the Cold War) মূলত সোভিয়েত ইউনিয়ন ও মার্কিন প্রভাবিত বিশ্ব ব্যবস্থার আদর্শিক স্বরূপ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তীকালে সাম্রাজ্যবাদী-পুঁজিবাদী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সমাজতন্ত্রী সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে যে স্নায়বিক ও কৌশলগত দ্বৈরথ শুরু হয়, তাই বুদ্ধিজীবী মহলে স্নায়ুযুদ্ধ নামে পরিচিত। বিশ্বব্যাপী আধিপত্য বিস্তারের এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও ক্ষমতার মেরুকরণ তৎকালীন ভূ-রাজনীতিতে এক চরম উত্তেজনা সৃষ্টি করেছিল, যার কিছু স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য বিশেষভাবে লক্ষণীয়। সোভিয়েত ও মার্কিন মতাদর্শিক লড়াই … Read more

ইউরোপের স্নায়ুযুদ্ধকালীন রাজনৈতিক ইতিহাস: সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠন

স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন ন্যাটো এবং ওয়ারশ প্যাক্টভুক্ত ১৯৮৮ সালের দেশসমূহ

স্নায়ুযুদ্ধ বা ঠাণ্ডা যুদ্ধ বা ঠান্ডা লড়াই বা শীতল যুদ্ধ (ইংরেজি: Cold war) হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অবসানের পর প্রায় দীর্ঘ চল্লিশ বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও মতাদর্শগত আধিপত্য প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে চালিত এক অঘোষিত ব্যঙ্গ যুদ্ধ (ইংরেজি: Mock-war)। এই স্নায়ুযুদ্ধ নামটিও সাম্রাজ্যবাদী বুদ্ধিজীবীদের প্রদত্ত এবং তারাই জনপ্রিয় করে। সত্যবিরোধী সাম্রাজ্যবাদী … Read more

ইউরোপের অর্থনৈতিক শক্তি: দেশগুলোর বিশাল শিল্প সাফল্য ও বৈশ্বিক প্রভাব

কার্ল এদুয়ার্দ বিয়ারম্যানের আঁকা বার্লিনের বিখ্যাত বরসিগ ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা; যা ১৯ শতকের ইউরোপীয় শিল্প বিকাশের প্রতীক।

পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার মাত্র এক-পঞ্চমাংশেরও কম মানুষ ইউরোপ মহাদেশে বসবাস করা সত্ত্বেও, ইউরোপ একাই সারা বিশ্বের মোট শিল্পপণ্যের প্রায় ৫০ শতাংশের বেশি উৎপাদন করে আসছে। উন্নত প্রযুক্তি এবং দক্ষ মানবসম্পদ ব্যবহার করে বৈশ্বিক শিল্পোৎপাদনে এই আধিপত্য বজায় রাখা ইউরোপের অর্থনৈতিক সক্ষমতার এক অনন্য উদাহরণ। জনতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে ইউরোপ মহাদেশটি অত্যন্ত নগরসমৃদ্ধ, যেখানে মোট জনসংখ্যার … Read more

জুলিয়াস সিজার হত্যাকাণ্ড: রোমান প্রজাতন্ত্রের পতন ও এক ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র

ভিনসেঞ্জো কামুচ্চিনি (Vincenzo Camuccini)-র আঁকা "দ্য ডেথ অফ জুলিয়াস সিজার" (১৮০৬)

প্রাচীন রোমের রাজনৈতিক বিবর্তন ও ক্ষমতার পালাবদলের ইতিহাসে খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতক এক অত্যন্ত সংকটময় ও কৌতূহলোদ্দীপক অধ্যায়। রোমান প্রজাতন্ত্রের চিরায়ত গণতান্ত্রিক কাঠামো যখন অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও সামরিক উচ্চাভিলাষের চাপে ভেঙে পড়ছিল, ঠিক তখনই ইতিহাসের মঞ্চে আবির্ভাব ঘটে গেইয়াস জুলিয়াস সিজারের। সামরিক সাফল্য, প্রথম ত্রয়ীশাসন এবং পম্পের সাথে রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধের পথ ধরে সিজার রোমের একচ্ছত্র অধিপতি … Read more

রাষ্ট্র ও বিপ্লব: অধ্যায় ১ (১) — রাষ্ট্র হলো শ্রেণি-বিরোধের অমীমাংসেয়তার ফল

ভি. আই. লেনিনের একটি মডার্ন ইলাস্ট্রেশন যেখানে পেছনে একদল শ্রমজীবী মানুষ ও কলকারখানা দেখা যাচ্ছে এবং নিচে একটি বক্সে ‘রাষ্ট্র ও বিপ্লব’ বই থেকে নেওয়া তার একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উদ্ধৃতি বাংলায় লেখা রয়েছে।

নিপীড়িত শ্রেণিগুলির মুক্তির সংগ্রামে তাদের চিন্তাগুরু ও নায়কদের মতবাদের ক্ষেত্রে ইতিহাসে একাধিকবার যা ঘটেছে, বর্তমানে তাই ঘটছে মার্কসের মতবাদ নিয়েও। মহাবিপ্লবীদের জীবদ্দশায় উৎপীড়কেরা তাঁদের ওপর অবিরাম নিগ্রহ চালিয়েছে, তাঁদের মতবাদকে আক্রমণ করেছে অতি হিংস্র বিদ্বেষে, অতি ক্ষিপ্ত ঘৃণায় এবং মিথ্যা ও কুৎসার অতি বেপরোয়া অভিযানে। মৃত্যুর পর চেষ্টা হয়েছে তাঁদের পরিণত করতে নিরীহ দেবপটে, স্থান … Read more

রাষ্ট্র ও বিপ্লব: অধ্যায় ৩ (৫) — পরগাছা রাষ্ট্রের উচ্ছেদ

লেনিন এবং প্যারিস কমিউন গড়ারত শ্রমিকদের একটি লাল ও কালো রঙের বিপ্লবী পোস্টার ইলাস্ট্রেশন, যেখানে শ্রমের অর্থনৈতিক মুক্তির বাংলা উদ্ধৃতি রয়েছে।

আমরা আগেই মার্কসের সংশ্লিষ্ট কথাগুলি তুলে দিয়েছি, তার সম্পূরণ করা উচিত। মার্কস লেখেন, ‘….নতুন ঐতিহাসিক সৃষ্টির একটা সাধারণ ভাগ্য এই হয় যে, সমাজজীবনের সাবেকী এমনকি অপ্রচলিত যে রূপগুলোর সঙ্গে নতুন প্রতিষ্ঠানগুলির কিছুটা সাদৃশ্য থাকে, তাদেরই সমগোত্রীয় বলে তাদের ধরা হয়। এইভাবে সাম্প্রতিক রাষ্ট্রযন্ত্রকে যা ভাঙছে (bricht — ভেঙে ফেলছে) সেই কমিউনকেও ধরা হলো মধ্যযুগীয় কমিউনের … Read more

রাষ্ট্র ও বিপ্লব: অধ্যায় ৩ (৪) — জাতীয় ঐক্যের সংগঠন

ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিনের আধুনিক ইলাস্ট্রেশন যেখানে 'রাষ্ট্র ও বিপ্লব' বইয়ের উদ্ধৃতিসহ প্রলেতারীয় কমিউন গঠন এবং বুর্জোয়া রাষ্ট্রযন্ত্র ধ্বংসের রূপক দৃশ্য ফুটে উঠেছে।

‘…জাতীয় সংগঠনের যে সংক্ষিপ্ত রূপরেখাটাকে আরো বিকশিত করে তোলার সময় কমিউনের ছিল না, তার মধ্যেই সুস্পষ্ট করে বলা আছে যে কমিউনকেই হতে হবে… সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম গ্রামটিরও রাজনৈতিক রূপ…’ কমিউন থেকেই  নির্বাচিত হওয়ার কথা ছিল প্যারিসে ‘জাতীয় প্রতিনিধিমন্ডলীর’। ‘…কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে অল্পসংখ্যক কিন্তু অতি গুরুত্বপূর্ণ কাজ তখনো রয়ে গেল, সেগুলো খারিজ করার কথা ছিল না—ইচ্ছাকৃত জালিয়াতিতে … Read more