ফিরাইয়া দে মোদের কায়ুর বন্ধুদেরে: এক রক্তঝরা ইতিহাসের গান

Bengali peasants and freedom fighters protesting with red flag under banyan tree during Kayyur movement

বাংলা প্রতিবাদী গানের ইতিহাসে “ফিরাইয়া দে মোদের কায়ুর বন্ধুদেরে” একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও শোকাতুর গণসংগীত। ১৯৪২ সালে ভারতীয় গণনাট্য সংঘের (IPTA) অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব ও প্রখ্যাত গণসংগীত শিল্পী বিনয় রায় এই ঐতিহাসিক গানটি রচনা এবং সুর করেছিলেন। কালজয়ী এই সৃষ্টিটি পরবর্তীতে ১৯৮৭ সালে মণিলাল মজুমদারসহ অন্যান্য লোকশিল্পীদের কণ্ঠে আরও ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। “ফিরাইয়া দে … Read more

আমি চেয়ে চেয়ে দেখি সারাদিন: স্বর্ণযুগের সেই কালজয়ী গানের কাব্যিক ব্যবচ্ছেদ

আমি চেয়ে চেয়ে দেখি সারাদিন গানের রোমান্টিক আবহ প্রকাশকারী একটি শৈল্পিক ছবি যেখানে একজন পুরুষ মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে আছেন এবং সামনে প্রকৃতির স্নিগ্ধতা ফুটে উঠেছে।

আধুনিক বাংলা গানের স্বর্ণযুগের এক অনন্য সৃষ্টি হলো ‘আমি চেয়ে চেয়ে দেখি সারাদিন’। কালজয়ী এই রোমান্টিক গানটির গীতিকার কিংবদন্তি গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার। অসাধারণ কণ্ঠ আর সুরের মূর্ছনায় গানটিকে জীবন্ত করে তুলেছিলেন প্রখ্যাত শিল্পী শ্যামল মিত্র, যিনি এই গানের সুরকারও ছিলেন। ১৯৬৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ব্লকবাস্টার চলচ্চিত্র ‘দেয়া নেয়া’-এর এই গানটি আজও সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে এক বিশেষ স্থান দখল … Read more

আমি স্বপ্নে তোমায় দেখেছি লিরিক্স: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের এক অমর সৃষ্টি

আমি স্বপ্নে তোমায় দেখেছি গানের রোমান্টিক আবহ প্রকাশকারী একটি শৈল্পিক ছবি।

বিখ্যাত গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের কালজয়ী সৃষ্টিগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি আধুনিক বাংলা গান হলো— ‘আমি স্বপ্নে তোমায় দেখেছি মোর নিশীথ বাসর শয্যায়, মন বলে ভালোবেসেছি’। ১৯৬১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই রোমান্টিক গানটিতে সুর দিয়েছিলেন প্রখ্যাত সুরকার রবীন চট্টোপাধ্যায়। গানটি প্রথমবার রেকর্ড করা হয় কিংবদন্তি শিল্পী সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের কণ্ঠে। মূলত তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত জনপ্রিয় চলচ্চিত্র ‘বিপাশা’-তে এই … Read more

পিয়াল শাখার ফাঁকে ওঠে একফালি চাঁদ: কালজয়ী এক বাংলা গানের কাব্যিক বিশ্লেষণ

পিয়াল শাখার ফাঁকে বাঁকা একফালি চাঁদ এবং নৌকায় বসে থাকা প্রিয়তমার মায়াবী রোমান্টিক আবহ।

কিংবদন্তি গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের কালজয়ী সৃষ্টিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো— ‘পিয়াল শাখার ফাঁকে ওঠে একফালি চাঁদ বাঁকা ঐ’। আধুনিক বাংলা গানের ইতিহাসে এই গানটি এমন এক মণিমানিক্য, যা কয়েক দশক পেরিয়েও আজও শ্রোতাদের মনে শিহরণ জাগায়। গানটি আমাদের নিয়ে যায় মিলনের এক গভীর রোমান্টিক আকাঙ্ক্ষায়, যেখানে প্রতিটি শব্দ যেন ভালোবাসার এক একটি জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। অখিলবন্ধু ঘোষের সুর … Read more

শিপ্রা নদীর তীরে সন্ধ্যা নামে: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার ও অখিলবন্ধু ঘোষের এক অমর সৃষ্টি

শিপ্রা নদীর তীরে গোধূলি বেলায় একাকী বিষণ্ণ মুহূর্তের দৃশ্য - অখিলবন্ধু ঘোষের বিরহী গানের প্রেক্ষাপট।

বাঙালি হৃদয়ে বিরহ আর গোধূলি যেন একসূত্রে গাঁথা। আর সেই বিরহ যদি সুর পায় অখিলবন্ধু ঘোষের দরদী কণ্ঠে, তবে তা হয়ে ওঠে অমর। কিংবদন্তি গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের কালজয়ী সৃষ্টি— ‘শিপ্রা নদীর তীরে সন্ধ্যা নামে গো অন্তর হলো দিশাহারা!’ আধুনিক বাংলা গানের ইতিহাসে এমন এক মণিমানিক্য, যা আজও শ্রোতাদের নিয়ে যায় এক মায়াবী ও বিষণ্ণ রোমান্টিকতায়। অখিলবন্ধু ঘোষের … Read more

গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের অমূল্য সৃষ্টি: অখিলবন্ধু ঘোষের ‘শ্রাবণ রাতি বাদল নামে’ গানের সার্থকতা

'শ্রাবণ রাতি বাদল নামে' গানের বিরহী আবহ এবং বর্ষণসিক্ত প্রকৃতির চিত্রকল্প।

‘শ্রাবণ রাতি বাদল নামে কোথা তুমি এসো ফিরে’—বিখ্যাত গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের অমর সৃষ্টিগুলোর মধ্যে একটি। কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী অখিলবন্ধু ঘোষের দরদী কণ্ঠে গাওয়া এই বিরহী গানটি আধুনিক বাংলা গানের ভুবনে এক অনন্য সম্পদ। দীপালি ঘোষের সুরারোপিত এই গানটিতে বর্ষার অন্ধকার রাতে প্রিয়জনকে হারানোর বেদনা এবং গভীর স্মৃতিকাতরতা অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে। গানের কথা শ্রাবণ রাতি বাদল … Read more

একটি দুটি তারা করে উঠি উঠি: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের এক অমর সৃষ্টি

নদীর তীরে শান্ত সন্ধ্যায় এক যুগল আকাশের তারা দেখছে, যা গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের একটি দুটি তারা করে উঠি উঠি গানের মায়াবী আবহ ফুটিয়ে তুলছে।

গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের অমর সৃষ্টিগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি আধুনিক বাংলা গান হলো ‘একটি দুটি তারা করে উঠি উঠি, মনকে দিলাম ছুটি’। ১০ লাইনের এই ছোট অথচ গভীর প্রেমময় গানটিতে সুরারোপ করেছিলেন কিংবদন্তি সুরকার নচিকেতা ঘোষ। শিল্পী দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়ের মায়াবী কণ্ঠে প্রথম রেকর্ড হওয়া এই গানটি মূলত গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের একটি চমৎকার অনুত্তীর্ণ গীতিকবিতা, যা আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে দোলা দেয়। গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের … Read more

বাংলা গানের স্বর্ণযুগের কিংবদন্তি: গীতিকার প্রণব রায়ের জীবন ও সৃষ্টি

বাংলা গানের স্বর্ণযুগের প্রখ্যাত গীতিকার ও কবি প্রণব রায়ের একটি সৃজনশীল চিত্র, যেখানে তাঁকে কলম হাতে গান লিখতে দেখা যাচ্ছে এবং পটভূমিতে পিয়ানো, গ্রামোফোন ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিসহ একটি ধ্রুপদী সংগীত কক্ষের আবহ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

বাংলা সংগীতের উজ্জ্বল নক্ষত্র প্রণব রায় (৫ ডিসেম্বর ১৯১১ – ৭ আগস্ট ১৯৭৫) ছিলেন একাধারে প্রখ্যাত কবি ও সফল গীতিকার। বিংশ শতাব্দীর ত্রিশ ও চল্লিশের দশকে আধুনিক গান এবং চলচ্চিত্রের গানে তিনি অভাবনীয় জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। সে সময়ের কালজয়ী তিন গীতিকার—অজয় ভট্টাচার্য, শৈলেন রায় এবং প্রণব রায়কে একত্রে ‘থ্রি মাস্কেটিয়ার্স’ বলা হতো, যা তাঁদের আকাশচুম্বী … Read more

মায়ের মমতা ও প্রকৃতির মেলবন্ধন: ‘মধুর আমার মায়ের হাসি’ গানের কাব্যিক বিশ্লেষণ

একটি গ্রামবাংলার বাড়ির উঠানে মাদুরে বসে থাকা হাস্যোজ্জ্বল মা ও তাঁর ছোট সন্তান, যেখানে বিকেলের সোনালী রোদ বাঁশবাগান ও টিনের ঘরের ওপর এসে পড়েছে।

মধুর আমার মায়ের হাসি চাঁদের মুখে ঝরে, মাকে মনে পড়ে আমার মাকে মনে পড়ে—কালজয়ী এই গানটি গীতিকার প্রণব রায়ের এক অনন্য সৃষ্টি। ১১ লাইনের এই নাতিদীর্ঘ আধুনিক বাংলা গানটি মূলত মায়ের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা ও মমত্বের এক সুরেলা বহিঃপ্রকাশ। গানটির আদি সংস্করণে সুরারোপ ও কণ্ঠদান করেছিলেন প্রখ্যাত শিল্পী সুধীরলাল চক্রবর্তী। পরবর্তীতে অনুপ ঘোষাল, কুমার শানু, … Read more

নাইবা ঘুমালে প্রিয় রজনী এখনো বাকি: কালজয়ী এই গানের পেছনের গল্প ও লিরিক্স

নাইবা ঘুমালে প্রিয় গানের কথা অনুযায়ী এক জ্যোৎস্নাস্নাত রাতে জানালা দিয়ে আকাশের চাঁদের দিকে তাকিয়ে থাকা এক বিষণ্ণ নারীর প্রতিচ্ছবি।

নাইবা ঘুমালে প্রিয়, রজনী এখনো বাকি, প্রদীপ নিভিয়া যায়, শুধু জেগে থাক্ তব আঁখি—এটি প্রখ্যাত গীতিকার প্রণব রায়ের লেখা একটি কালজয়ী আধুনিক বাংলা গান। প্রায় ১০ লাইনের এই নাতিদীর্ঘ প্রেমের গানটিতে সুরারোপ করেছিলেন প্রথিতযশা সুরকার সুবল দাশগুপ্ত। গানটি প্রথম রেকর্ডিংয়ে কণ্ঠ দিয়েছিলেন কিংবদন্তি শিল্পী কে এল সায়গল। পরবর্তীতে শিল্পী অনুপ ঘোষাল, কুমার শানু, অমিত পাল, … Read more