আধুনিক বাংলা গান সমকালের রুচি ও মনন থেকে জন্ম নেওয়া এক অনন্য সুরশৈলী

আধুনিক বাংলা গান

আধুনিক বাংলা গান (ইংরেজি: Modern Bangla song) মূলত সমকালের রুচি ও মনন থেকে জন্ম নেওয়া এক অনন্য সুরশৈলী। এর নামেই মিশে আছে সমসাময়িকতা আর নতুনের জয়গান। বাংলা গানের দীর্ঘ পথচলায়—প্রাচীন চর্য্যাপদ থেকে শুরু করে মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলী কিংবা লোকসংগীতের আঙিনা পেরিয়ে—অনেকগুলো বিবর্তনের স্তর অতিক্রম করেই আধুনিক গান আজ তার নিজস্ব স্বকীয়তা ও স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি … Read more

এইটুকু এই জীবনটাতে হাসতে মানা, নিষেধের বেড়াজালে বিষণ্ণ হাসির গান

এইটুকু এই জীবনটাতে

এইটুকু এই জীবনটাতে হাসতে মানা চলতে মানা’ গানটি আধুনিক বাংলা গানের ইতিহাসে এক বিরল সংযোজন। ১৯৬০ সালে কিংবদন্তি শিল্পী ধনঞ্জয় ভট্টাচার্যের কণ্ঠে ধারণকৃত এবং সুরকার সুধীন দাশগুপ্তের অনবদ্য সুরমূর্ছনায় সমৃদ্ধ এই গানটি বিশিষ্ট গীতিকার সুবীর হাজরা রচনা করেন। এই চৌদ্দ লাইনের নাতিদীর্ঘ গীতিকবিতাটিতে মানুষের জীবনের গভীর অপ্রাপ্তি ও অবদমিত অনুভূতিগুলোকে এক অদ্ভুত বিষাদময় হাস্যরসের (Black Humor) মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সমাজ ও … Read more

রাখালিয়া সুর আনে মৃদু সমীরণ আনন্দ মুখোপাধ্যায়ের লেখা একটি আধুনিক বাংলা গান

রাখালিয়া সুর

রাখালিয়া সুর আনে মৃদু সমীরণ গানটি বাংলা আধুনিক গানের স্বর্ণযুগের এক অনন্য সৃষ্টি। গানটির রচয়িতা প্রখ্যাত গীতিকার আনন্দ মুখোপাধ্যায়। মাত্র ৮ লাইনের এই নাতিদীর্ঘ গানটিতে তিনি পল্লী প্রকৃতির আবহে এক গভীর রোমান্টিক আবহ ফুটিয়ে তুলেছেন। ১৯৫৮ সালে মুক্তি পাওয়া এই কালজয়ী গানটিতে সুরারোপ করেন বরেণ্য সুরকার শৈলেন মুখোপাধ্যায়। গানটির প্রথম রেকর্ডিং করেছিলেন প্রথিতযশা শিল্পী ইলা চক্রবর্তী। তাঁর দরদী কণ্ঠের … Read more

এই ঝির ঝির ঝির বাতাসে এই গান ভেসে ভেসে আসে, সেই সুরে সুরে মন নাচে উল্লাসে

এই ঝির ঝির ঝির বাতাসে

এই ঝির ঝির ঝির বাতাসে এই গান ভেসে ভেসে আসে হচ্ছে সুধীন দাশগুপ্তের কথা ও সুরে একটি জনপ্রিয় আধুনিক বাংলা গান। বাংলা আধুনিক গানের ইতিহাসে সুধীন দাশগুপ্ত এক কালজয়ী নাম। তাঁরই লেখা ও তাঁরই সুরে সৃষ্টি হওয়া অন্যতম জনপ্রিয় একটি গান হলো “এই ঝির ঝির ঝির বাতাসে”। গানটির কথা ও সুরের মধ্যে প্রকৃতির স্নিগ্ধতা এবং এক ধরণের ছন্দময় দোলা … Read more

বনে বনে বসন্ত আসে বকুলের গান যায় ছড়িয়ে শিরশিরে ফাল্গুনী হাওয়া

বনে বনে বসন্ত আসে

বনে বনে বসন্ত আসে বকুলের গান যায় ছড়িয়ে শিরশিরে ফাল্গুনী হাওয়া হচ্ছে অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা একটি অসাধারণ আধুনিক বাংলা গান। গানটি মাঝারি আকারের ১৪ লাইনের একটি গান। গানটিতে গীতিকার নিজেই সুরারোপ করেন। গানটি প্রথম রেকর্ডিংয়ে ১৯৫৮ সালে প্রথম কণ্ঠ দিয়েছিলেন কিংবদন্তি শিল্পী ইলা (বসু) চক্রবর্তী। নাতিদীর্ঘ গানটি ‘গান ফুরালো জলসা ঘরে’ নামের এ্যালবামে সংকলিত হয়েছে। … Read more

জাতের নামে বজ্জাতি সব: নজরুলের সাম্যবাদী চেতনার এক কালজয়ী প্রতিবাদ

জাতের নামে বজ্জাতি সব

জাতের নামে বজ্জাতি সব জাত-জালিয়াৎ খেলছ জুয়া গানটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি কালজয়ী জাগরণের গান। ১৯২৩ সালে রচিত এই গানটি মূলত তৎকালীন সমাজব্যবস্থায় বিদ্যমান জাত-পাত, অস্পৃশ্যতা এবং ধর্মীয় গোঁড়ামির বিরুদ্ধে এক তীব্র প্রতিবাদ। কবি এখানে দেখিয়েছেন যে, মানুষে মানুষে ভেদাভেদ সৃষ্টিকারী এই জাতিভেদ প্রথা আসলে ধর্মের মূল শিক্ষা নয়, বরং শোষক শ্রেণির একটি … Read more

প্রেমেন্দ্র মিত্রের গান আধুনিক বাংলা গানের ধারায় রচিত

প্রেমেন্দ্র মিত্রের গান

প্রেমেন্দ্র মিত্রের গান আধুনিক বাংলা গানের ধারায় রচিত প্রায় দেড় শতাধিক গানের সমাহার। কবি ও কথাসাহিত্যিক প্রেমেন্দ্র মিত্রের বহুমুখী প্রতিভার আরেকটি চমকপ্রদ দিক ছিল তাঁর গান রচনা। তাঁর গানগুলোকে আধুনিক বাংলা গান হিসেবে সহজেই শ্রেণিকরণ করা যায়। তাঁর গানেও প্রেম, বিরহ, রোমান্টিকতার অনুভব এবং স্বাভাবিকভাবেই চাঁদ ফুল তারা পাখি ইত্যাদি শব্দের প্রভাব দেখা যায়। প্রেমেন্দ্র … Read more

থামো বন্ধু, দাঁড়াও ক্ষণেক থামি হচ্ছে প্রেমেন্দ্র মিত্রের রচিত গান

থামো বন্ধু

থামো বন্ধু, দাঁড়াও ক্ষণেক থামি গানটি বাংলা সংগীতের স্বর্ণযুগের একটি কালজয়ী সৃষ্টি। এই গানটির কথা লিখেছেন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক প্রেমেন্দ্র মিত্র। গানটির প্রথম কণ্ঠশিল্পী বা মূল গায়িকা ছিলেন ছায়া দেবী। গানটি প্রথমে তুলসী লাহিড়ীর কাহিনী ঘিরে রিক্তা (১৯৩৯) ছবিতে ব্যবহৃত হয়েছিল এবং গানটি সে সময় বিশেষ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। গানটির সুরারোপ করেছেন কিংবদন্তি সংগীতজ্ঞ … Read more

হারা-মরু নদী, শ্রান্ত দিনের পাখি, নিভু-নিভু দীপ, আর্ত-আতুর নহ একাকী

হারা-মরু নদী

হারা-মরু নদী, শ্রান্ত দিনের পাখি, নিভু-নিভু দীপ, আর্ত-আতুর নহ একাকী গানটি বাংলা সংগীতের স্বর্ণযুগের একটি কালজয়ী সৃষ্টি। এই গানটির কথা লিখেছেন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক প্রেমেন্দ্র মিত্র। গানটির প্রথম কণ্ঠশিল্পী কে ছিলে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে পরবর্তীতে গানটি গেয়েছেন ফিরোজা বেগম। গানটির সুর করেছেন প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক কমল দাশগুপ্ত। গানটির মর্মার্থ গানটি আবেগঘন পংক্তি … Read more

নাবিক আমার নোঙর ফেলো, ওই তো তোমার তীর

নাবিক আমার নোঙর ফেলো

নাবিক আমার নোঙর ফেল ওই তো তোমার তীর গানটি বাংলা সংগীতের স্বর্ণযুগের একটি কালজয়ী সৃষ্টি। এই গানটির কথা লিখেছেন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক প্রেমেন্দ্র মিত্র। গানটির প্রথম কণ্ঠশিল্পী বা মূল গায়িকা ছিলেন কিংবদন্তি শিল্পী রবিন মজুমদার এবং সহশিল্পীরা। গানটির সুর করেছেন প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক কমল দাশগুপ্ত। গানটি সম্ভবত ১৯৪২ সালে মুক্তি পায়। এটি পরবর্তীতে ‘যোগাযোগ’ … Read more

আরও একটু সরে বসতে পারো, আরও একটু কাছে

আরও একটু সরে বসতে পারো

আরও একটু সরে বসতে পারো, আরও একটু কাছে গানটি বাংলা আধুনিক গানের জগতের অন্যতম জনপ্রিয় একটি রোমান্টিক গান। এই গানটির কথা লিখেছেন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক প্রেমেন্দ্র মিত্র। গানটির প্রথম কণ্ঠশিল্পী বা মূল গায়িকা ছিলেন কিংবদন্তি রিক্তা (১৯৩৯) ছবির অন্যতম অভিনেত্রী রমলা দেবী (ইহুদি কন্যা মিস র‍্যাচেল কোহেল) নিজ কণ্ঠে গেয়েছিলেন এবং গানটি সে সময় … Read more

এই জীবনের যত মধুর ভুলগুলি, ডালে ডালে ফোটায় কে আজ বুলিয়ে রঙিন অঙ্গুলি

এই জীবনের যত মধুর ভুলগুলি

এই জীবনের যত মধুর ভুলগুলি,— ডালে ডালে ফোটায় কে আজ বুলিয়ে রঙিন অঙ্গুলি গানটি বাংলা সংগীতের স্বর্ণযুগের একটি কালজয়ী সৃষ্টি। এই গানটির কথা লিখেছেন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক প্রেমেন্দ্র মিত্র। গানটির প্রথম কণ্ঠশিল্পী বা মূল গায়ক ছিলেন কিংবদন্তি শিল্পী রবীন মজুমদার। গানটির সুর করেছেন প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক কমল দাশগুপ্ত। গানটি ১৯৪২ সালে মুক্তি পায়। এটি … Read more

যদি ভালো না লাগে তো দিও না মন, শুধু দূরে যেতে কেন বলো এমন

যদি ভালো না লাগে তো

যদি ভালো না লাগে তো দিও না মন, শুধু দূরে যেতে কেন বলো এমন গানটি বাংলা সংগীতের স্বর্ণযুগের একটি কালজয়ী সৃষ্টি। এই গানটির কথা লিখেছেন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক প্রেমেন্দ্র মিত্র। গানটির প্রথম কণ্ঠশিল্পী বা মূল গায়িকা ছিলেন কিংবদন্তি শিল্পী কানন দেবী। গানটির সুর করেছেন প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক কমল দাশগুপ্ত। গানটি ১৯৪২ সালে মুক্তি পায়। … Read more

বিদায় সন্ধ্যা আসিল ওই: নজরুলের এক অমর বিরহী সুরের কাব্যিক বিশ্লেষণ

বিদায় সন্ধ্যা আসিল ওই

বিদায় সন্ধ্যা আসিল ওই ঘনায় নয়নে অন্ধকার’—বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের এক অসামান্য সৃষ্টি, যেখানে কবির কলমে ফুটে উঠেছে বিরহ ও বিচ্ছেদের এক মরণপণ আর্তনাদ। এটি কেবল একটি গান নয়, বরং নজরুলগীতির এক কালজয়ী করুণ রসাত্মক আবেদন। গোধূলির ম্লান আলোয় প্রিয়জনকে হারানোর যে গভীর হাহাকার এই গানে চিত্রিত হয়েছে, তা শ্রোতার হৃদয়ে এক বিষণ্ণ অনুভূতির … Read more

যারে হাত দিয়ে মালা দিতে পার নাই কেন মনে রাখ তারে

যারে হাত দিয়ে মালা দিতে পারো নাই

যারে হাত দিয়ে মালা দিতে পার নাই গানটি কবি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত ও সুরারোপকৃত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং কালজয়ী নজরুলগীতি। গানটি মূলত বিচ্ছেদ এবং না-পাওয়ার বেদনার এক অপূর্ব কাব্যিক প্রকাশ। গানটি সম্পর্কে অন্যান্য তথ্য ধারণা করা হয়, গানটি কবির জীবনের ব্যক্তিগত বিরহ ও প্রেমকে কেন্দ্র করে রচিত। নজরুলের প্রথম স্ত্রী নার্গিস আসার খানম-এর সাথে … Read more