প্রেমেন্দ্র মিত্রের গান আধুনিক বাংলা গানের ধারায় রচিত

প্রেমেন্দ্র মিত্রের গান

প্রেমেন্দ্র মিত্রের গান আধুনিক বাংলা গানের ধারায় রচিত প্রায় দেড় শতাধিক গানের সমাহার। কবি ও কথাসাহিত্যিক প্রেমেন্দ্র মিত্রের বহুমুখী প্রতিভার আরেকটি চমকপ্রদ দিক ছিল তাঁর গান রচনা। তাঁর গানগুলোকে আধুনিক বাংলা গান হিসেবে সহজেই শ্রেণিকরণ করা যায়। তাঁর গানেও প্রেম, বিরহ, রোমান্টিকতার অনুভব এবং স্বাভাবিকভাবেই চাঁদ ফুল তারা পাখি ইত্যাদি শব্দের প্রভাব দেখা যায়। প্রেমেন্দ্র … Read more

থামো বন্ধু, দাঁড়াও ক্ষণেক থামি হচ্ছে প্রেমেন্দ্র মিত্রের রচিত গান

থামো বন্ধু

থামো বন্ধু, দাঁড়াও ক্ষণেক থামি গানটি বাংলা সংগীতের স্বর্ণযুগের একটি কালজয়ী সৃষ্টি। এই গানটির কথা লিখেছেন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক প্রেমেন্দ্র মিত্র। গানটির প্রথম কণ্ঠশিল্পী বা মূল গায়িকা ছিলেন ছায়া দেবী। গানটি প্রথমে তুলসী লাহিড়ীর কাহিনী ঘিরে রিক্তা (১৯৩৯) ছবিতে ব্যবহৃত হয়েছিল এবং গানটি সে সময় বিশেষ আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। গানটির সুরারোপ করেছেন কিংবদন্তি সংগীতজ্ঞ … Read more

হারা-মরু নদী, শ্রান্ত দিনের পাখি, নিভু-নিভু দীপ, আর্ত-আতুর নহ একাকী

হারা-মরু নদী

হারা-মরু নদী, শ্রান্ত দিনের পাখি, নিভু-নিভু দীপ, আর্ত-আতুর নহ একাকী গানটি বাংলা সংগীতের স্বর্ণযুগের একটি কালজয়ী সৃষ্টি। এই গানটির কথা লিখেছেন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক প্রেমেন্দ্র মিত্র। গানটির প্রথম কণ্ঠশিল্পী কে ছিলে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে পরবর্তীতে গানটি গেয়েছেন ফিরোজা বেগম। গানটির সুর করেছেন প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক কমল দাশগুপ্ত। গানটির মর্মার্থ গানটি আবেগঘন পংক্তি … Read more

নাবিক আমার নোঙর ফেলো, ওই তো তোমার তীর

নাবিক আমার নোঙর ফেলো

নাবিক আমার নোঙর ফেল ওই তো তোমার তীর গানটি বাংলা সংগীতের স্বর্ণযুগের একটি কালজয়ী সৃষ্টি। এই গানটির কথা লিখেছেন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক প্রেমেন্দ্র মিত্র। গানটির প্রথম কণ্ঠশিল্পী বা মূল গায়িকা ছিলেন কিংবদন্তি শিল্পী রবিন মজুমদার এবং সহশিল্পীরা। গানটির সুর করেছেন প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক কমল দাশগুপ্ত। গানটি সম্ভবত ১৯৪২ সালে মুক্তি পায়। এটি পরবর্তীতে ‘যোগাযোগ’ … Read more

আরও একটু সরে বসতে পারো, আরও একটু কাছে

আরও একটু সরে বসতে পারো

আরও একটু সরে বসতে পারো, আরও একটু কাছে গানটি বাংলা আধুনিক গানের জগতের অন্যতম জনপ্রিয় একটি রোমান্টিক গান। এই গানটির কথা লিখেছেন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক প্রেমেন্দ্র মিত্র। গানটির প্রথম কণ্ঠশিল্পী বা মূল গায়িকা ছিলেন কিংবদন্তি রিক্তা (১৯৩৯) ছবির অন্যতম অভিনেত্রী রমলা দেবী (ইহুদি কন্যা মিস র‍্যাচেল কোহেল) নিজ কণ্ঠে গেয়েছিলেন এবং গানটি সে সময় … Read more

এই জীবনের যত মধুর ভুলগুলি, ডালে ডালে ফোটায় কে আজ বুলিয়ে রঙিন অঙ্গুলি

এই জীবনের যত মধুর ভুলগুলি

এই জীবনের যত মধুর ভুলগুলি,— ডালে ডালে ফোটায় কে আজ বুলিয়ে রঙিন অঙ্গুলি গানটি বাংলা সংগীতের স্বর্ণযুগের একটি কালজয়ী সৃষ্টি। এই গানটির কথা লিখেছেন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক প্রেমেন্দ্র মিত্র। গানটির প্রথম কণ্ঠশিল্পী বা মূল গায়ক ছিলেন কিংবদন্তি শিল্পী রবীন মজুমদার। গানটির সুর করেছেন প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক কমল দাশগুপ্ত। গানটি ১৯৪২ সালে মুক্তি পায়। এটি … Read more

যদি ভালো না লাগে তো দিও না মন, শুধু দূরে যেতে কেন বলো এমন

যদি ভালো না লাগে তো

যদি ভালো না লাগে তো দিও না মন, শুধু দূরে যেতে কেন বলো এমন গানটি বাংলা সংগীতের স্বর্ণযুগের একটি কালজয়ী সৃষ্টি। এই গানটির কথা লিখেছেন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক প্রেমেন্দ্র মিত্র। গানটির প্রথম কণ্ঠশিল্পী বা মূল গায়িকা ছিলেন কিংবদন্তি শিল্পী কানন দেবী। গানটির সুর করেছেন প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক কমল দাশগুপ্ত। গানটি ১৯৪২ সালে মুক্তি পায়। … Read more

পুন্নাম

পুন্নাম ছোটগল্প

অসুখ আর কিছুতেই সারে না। কাসি সর্দি সারে ত খোসে সর্বাঙ্গ ছেয়ে যায়, খোস গিয়ে লিভার ওঠে ঠেলে—তারপর ন্যাবায় ধরে। চার বছরের ছেলেটাকে নিয়ে যমে-মানুষে টানাটানি চলেছে ত চলেইছে। প্যাকাটির মতো সরু চারটে হাত-পা নড়বড় করে, ফ্যাকাসে হলুদবরণ মুখে কাতর অসহায় চোখ দুটি শুধু জুল-জুল করে- সে-চোখে বিশ্বের সকল ক্লান্তি, সকল অবসাদ, সমস্ত বিরক্তি যেন … Read more

প্রেমেন্দ্র মিত্র আধুনিক বাঙালি কবি ছোটগল্পকার, উপন্যাসিক ও সিনেমা পরিচালক

প্রেমেন্দ্র মিত্র

প্রেমেন্দ্র মিত্র (৪ সেপ্টেম্বর, ১৯০৪ – ৩ মে, ১৯৮৮) ছিলেন একাধারে কবি, ছোটগল্পকার, উপন্যাসিক এবং চিত্রপরিচালক হিসেবে স্বমহিমায় ভাস্বর। মূলত কবি ও কথাশিল্পী হিসেবে খ্যাতি অর্জন করলেও তাঁর কর্মজীবন ছিল বহুমুখী প্রতিভায় দীপ্ত। শিক্ষকতা ও পত্রিকা সম্পাদনা থেকে শুরু করে চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য রচনা, পরিচালনা এবং বেতার কেন্দ্র পরিচালনার মতো নানা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে তিনি নিজেকে নিয়োজিত … Read more

মহানগর

মহানগর

আমার সঙ্গে চলো মহানগরে — যে-মহানগর ছড়িয়ে আছে আকাশের তলায় পৃথিবীর ক্ষতের মতো, আবার যে-মহানগর উঠেছে মিনারে মন্দিরচূড়ায়, আর অভ্রভেদী প্রাসাদ-শিখরে তারাদের দিকে, প্রার্থনার মত মানবাত্মার। আমার সঙ্গে এসো মহানগরের পথে, যে-পথ জটিল, দুর্বল মানুষের জীবনধারার মতো, যে-পথ অন্ধকার, মানুষের মনের অরণ্যের মতো, আর যে-পথ প্রশস্ত, আলোকোজ্জ্বল, মানুষের বুদ্ধি, মানুষের উৎসাহের মতো। এ-মহানগরের সংগীত রচনা … Read more

error: Content is protected !!