পিয়াল শাখার ফাঁকে ওঠে একফালি চাঁদ: কালজয়ী এক বাংলা গানের কাব্যিক বিশ্লেষণ

পিয়াল শাখার ফাঁকে বাঁকা একফালি চাঁদ এবং নৌকায় বসে থাকা প্রিয়তমার মায়াবী রোমান্টিক আবহ।

কিংবদন্তি গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের কালজয়ী সৃষ্টিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো— ‘পিয়াল শাখার ফাঁকে ওঠে একফালি চাঁদ বাঁকা ঐ’। আধুনিক বাংলা গানের ইতিহাসে এই গানটি এমন এক মণিমানিক্য, যা কয়েক দশক পেরিয়েও আজও শ্রোতাদের মনে শিহরণ জাগায়। গানটি আমাদের নিয়ে যায় মিলনের এক গভীর রোমান্টিক আকাঙ্ক্ষায়, যেখানে প্রতিটি শব্দ যেন ভালোবাসার এক একটি জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। অখিলবন্ধু ঘোষের সুর … Read more

শিপ্রা নদীর তীরে সন্ধ্যা নামে: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার ও অখিলবন্ধু ঘোষের এক অমর সৃষ্টি

শিপ্রা নদীর তীরে গোধূলি বেলায় একাকী বিষণ্ণ মুহূর্তের দৃশ্য - অখিলবন্ধু ঘোষের বিরহী গানের প্রেক্ষাপট।

বাঙালি হৃদয়ে বিরহ আর গোধূলি যেন একসূত্রে গাঁথা। আর সেই বিরহ যদি সুর পায় অখিলবন্ধু ঘোষের দরদী কণ্ঠে, তবে তা হয়ে ওঠে অমর। কিংবদন্তি গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের কালজয়ী সৃষ্টি— ‘শিপ্রা নদীর তীরে সন্ধ্যা নামে গো অন্তর হলো দিশাহারা!’ আধুনিক বাংলা গানের ইতিহাসে এমন এক মণিমানিক্য, যা আজও শ্রোতাদের নিয়ে যায় এক মায়াবী ও বিষণ্ণ রোমান্টিকতায়। অখিলবন্ধু ঘোষের … Read more

গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের অমূল্য সৃষ্টি: অখিলবন্ধু ঘোষের ‘শ্রাবণ রাতি বাদল নামে’ গানের সার্থকতা

'শ্রাবণ রাতি বাদল নামে' গানের বিরহী আবহ এবং বর্ষণসিক্ত প্রকৃতির চিত্রকল্প।

‘শ্রাবণ রাতি বাদল নামে কোথা তুমি এসো ফিরে’—বিখ্যাত গীতিকার গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের অমর সৃষ্টিগুলোর মধ্যে একটি। কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী অখিলবন্ধু ঘোষের দরদী কণ্ঠে গাওয়া এই বিরহী গানটি আধুনিক বাংলা গানের ভুবনে এক অনন্য সম্পদ। দীপালি ঘোষের সুরারোপিত এই গানটিতে বর্ষার অন্ধকার রাতে প্রিয়জনকে হারানোর বেদনা এবং গভীর স্মৃতিকাতরতা অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে। গানের কথা শ্রাবণ রাতি বাদল … Read more

একটি দুটি তারা করে উঠি উঠি: গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের এক অমর সৃষ্টি

নদীর তীরে শান্ত সন্ধ্যায় এক যুগল আকাশের তারা দেখছে, যা গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের একটি দুটি তারা করে উঠি উঠি গানের মায়াবী আবহ ফুটিয়ে তুলছে।

গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের অমর সৃষ্টিগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি আধুনিক বাংলা গান হলো ‘একটি দুটি তারা করে উঠি উঠি, মনকে দিলাম ছুটি’। ১০ লাইনের এই ছোট অথচ গভীর প্রেমময় গানটিতে সুরারোপ করেছিলেন কিংবদন্তি সুরকার নচিকেতা ঘোষ। শিল্পী দ্বিজেন মুখোপাধ্যায়ের মায়াবী কণ্ঠে প্রথম রেকর্ড হওয়া এই গানটি মূলত গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের একটি চমৎকার অনুত্তীর্ণ গীতিকবিতা, যা আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে দোলা দেয়। গৌরীপ্রসন্ন মজুমদারের … Read more

কতদিন দেখিনি তোমায়: প্রণব রায় রচিত বিচ্ছেদ ও নিঃসঙ্গতার এক কাব্যিক আখ্যান

একটি সাদাকালো সিনেমাটিক ছবি যেখানে একজন মধ্যবয়সী বিষণ্ণ পুরুষকে একটি বিছানার ধারে বসে গভীর চিন্তায় মগ্ন দেখা যাচ্ছে। তার ঠিক পাশেই দেয়ালে ঝোলানো একটি বৃত্তাকার আয়নায় এক হাসিখুশি তরুণীর প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে, যা তার স্মৃতির প্রতিফলন। ঘরের টেবিলে একটি নিভন্ত লণ্ঠন এবং খোলা বই পড়ে আছে, আর জানালার বাইরে দিয়ে আসা হালকা আলো ঘরের বিষণ্ণতাকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। ছবির মাঝখানে বাংলায় গানের কয়েকটি পঙক্তি লেখা আছে।

কতদিন দেখিনি তোমায়, তবু মনে পড়ে তব মুখখানি—এটি প্রখ্যাত গীতিকার প্রণব রায়ের লেখা একটি কালজয়ী আধুনিক বাংলা গান। প্রায় ১০ লাইনের এই নাতিদীর্ঘ প্রেমের গানটিতে সুরারোপ করেছিলেন প্রথিতযশা সুরকার কমল দাশগুপ্ত এবং প্রথম রেকর্ডিংয়ে কণ্ঠও দিয়েছিলেন তিনি। গানটি প্রণব রায়ের অন্যতম জনপ্রিয় কাজ হিসেবে স্বীকৃত। পরবর্তীতে শিল্পী ফিরোজা বেগম, মান্না দে, কুমার শানু, অয়ন সরকার … Read more

মায়ের মমতা ও প্রকৃতির মেলবন্ধন: ‘মধুর আমার মায়ের হাসি’ গানের কাব্যিক বিশ্লেষণ

একটি গ্রামবাংলার বাড়ির উঠানে মাদুরে বসে থাকা হাস্যোজ্জ্বল মা ও তাঁর ছোট সন্তান, যেখানে বিকেলের সোনালী রোদ বাঁশবাগান ও টিনের ঘরের ওপর এসে পড়েছে।

মধুর আমার মায়ের হাসি চাঁদের মুখে ঝরে, মাকে মনে পড়ে আমার মাকে মনে পড়ে—কালজয়ী এই গানটি গীতিকার প্রণব রায়ের এক অনন্য সৃষ্টি। ১১ লাইনের এই নাতিদীর্ঘ আধুনিক বাংলা গানটি মূলত মায়ের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা ও মমত্বের এক সুরেলা বহিঃপ্রকাশ। গানটির আদি সংস্করণে সুরারোপ ও কণ্ঠদান করেছিলেন প্রখ্যাত শিল্পী সুধীরলাল চক্রবর্তী। পরবর্তীতে অনুপ ঘোষাল, কুমার শানু, … Read more

নাইবা ঘুমালে প্রিয় রজনী এখনো বাকি: কালজয়ী এই গানের পেছনের গল্প ও লিরিক্স

নাইবা ঘুমালে প্রিয় গানের কথা অনুযায়ী এক জ্যোৎস্নাস্নাত রাতে জানালা দিয়ে আকাশের চাঁদের দিকে তাকিয়ে থাকা এক বিষণ্ণ নারীর প্রতিচ্ছবি।

নাইবা ঘুমালে প্রিয়, রজনী এখনো বাকি, প্রদীপ নিভিয়া যায়, শুধু জেগে থাক্ তব আঁখি—এটি প্রখ্যাত গীতিকার প্রণব রায়ের লেখা একটি কালজয়ী আধুনিক বাংলা গান। প্রায় ১০ লাইনের এই নাতিদীর্ঘ প্রেমের গানটিতে সুরারোপ করেছিলেন প্রথিতযশা সুরকার সুবল দাশগুপ্ত। গানটি প্রথম রেকর্ডিংয়ে কণ্ঠ দিয়েছিলেন কিংবদন্তি শিল্পী কে এল সায়গল। পরবর্তীতে শিল্পী অনুপ ঘোষাল, কুমার শানু, অমিত পাল, … Read more

তব মুখখানি খুঁজিয়া ফিরি গো সকল ফুলের মুখে: গানটির ইতিহাস ও অজানা তথ্য

তব মুখখানি খুঁজিয়া ফিরি' গানের প্রেক্ষাপটে একটি জলরঙের চিত্র, যেখানে জ্যোৎস্না রাতে বাগানে বসে সাদা শাড়ি পরা এক নারী চিঠি লিখছেন এবং চারপাশে সাদা ফুল ও বিরহের আবহ ফুটে উঠেছে।

‘তব মুখখানি খুঁজিয়া ফিরি গো সকল ফুলের মুখে, ফুল ঝরে যায় তব স্মৃতি জাগে’—এটি বাংলা আধুনিক গানের স্বর্ণযুগের এক অমর সৃষ্টি। ১৯৪১ সালে প্রথম রেকর্ড হওয়া এই কালজয়ী গানটিতে সুরারোপ করেন এবং কণ্ঠ দেন কিংবদন্তি শিল্পী কমল দাশগুপ্ত। ১৪ লাইনের এই বিরহী প্রেমের গানটি দাদরা তালে নিবদ্ধ, যা আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে এক বিশেষ স্থান দখল … Read more

জীবনে যারে তুমি দাওনি মালা: বিরহ ও না পাওয়ার এক কালজয়ী গান

জীবনে যারে তুমি দাওনি মালা গানের প্রতীকী চিত্র—ব্যর্থ প্রেম ও বিরহী স্মৃতির এক বিষাদময় দৃশ্য।

জীবনে যারে তুমি দাওনি মালা, মরণে কেন তারে দিতে এলে ফুল হচ্ছে প্রণব রায়ের লেখা একটি আধুনিক বাংলা গান। গানটির প্রথম রেকর্ডিং-এ সুরকার ছিলেন শৈলেশ দাশগুপ্ত এবং শিল্পী ছিলেন সন্তোষ সেনগুপ্ত। প্রণব রায়ের কালজয়ী এই গানটি কেবল প্রেমের ব্যর্থতার গান নয়, এটি সময়ের চাকা ঘুরে যাওয়া এক চরম সত্যের বহিঃপ্রকাশ। গানটির প্রতিটি ছত্রে লুকিয়ে আছে … Read more

বলেছিলে তুমি তীর্থে আসিবে আমার তনুর তীরে: গানটির সঠিক গীতিকার ও ভাবার্থ

গোধূলি বেলায় নদীর ঘাটে সাদা-লাল শাড়িতে বিষণ্ণ এক নারী প্রতীক্ষারত, "বলেছিলে তুমি তীর্থে আসিবে" গানের বিরহী আবহ প্রকাশ করছে।

“বলেছিলে তুমি তীর্থে আসিবে আমার তনুর তীরে”—প্রণব রায়ের লেখা এই আধুনিক বাংলা গানটি বিরহ আর আকুলতার এক অনন্য দলিল। ১০ লাইনের এই মাঝারি দৈর্ঘ্যের গানটি মূলত প্রেমের এক গভীর প্রশস্তি। নিজের অস্তিত্বকে ভালোবাসার মানুষের কাছে সম্পূর্ণ সমর্পণ করার যে আর্তি এখানে ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই হৃদয়স্পর্শী। গানটির আদি সুরকার ছিলেন কমল দাশগুপ্ত। কণ্ঠশিল্পী ছিলেন জগন্ময় … Read more

error: Content is protected !!