সর্বশেষ

অর্থনীতিবাদ শ্রমিক আন্দোলনে রাজনীতি বাদ দিয়ে আর্থিক দাবি

অর্থনীতিবাদ (ইংরেজি: Economism) বলে আখ্যায়িত করা হয় শ্রমিক শ্রেণি পরিচালিত সাম্যবাদী আন্দোলনে রাজনৈতিক সংগ্রাম পরিত্যাগ করে আংশিক আর্থিক দাবি আদায়ের প্রবণতাকে। যখন কোনো কমিউনিস্ট পার্টি রাজনৈতিক সংগ্রামে ঢিলেঢালা ভাব প্রদর্শন করে আর্থিক উন্নতির দাবি তোলে তখন অর্থনীতিবাদ প্রকাশ পায়।[১] বুর্জোয়া সংস্কারবাদের সাথে অর্থনীতিবাদ প্রায়ই একাকার হয়ে যায়। তবে এ দু’য়ের

আরো পড়ুন

পুঁজিপতিরা কীভাবে তাদের মুনাফা গোপন করে

নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি বিবেচনা  নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে তারা কত কথা বলে! এবং কত কম গুরুত্ব আছে এটার। কীভাবে তারা বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার জন্য অবলম্বন করে সাধারণ বাক্যাংশ, আড়ম্বরপূর্ণ বক্তৃতা, জাঁকজমকপূর্ণ ‘প্রকল্প’ যেগুলির অভিলক্ষ চিরকালের মতো শুধু প্রকল্পই থেকে যাওয়ার। এখন বিষয়টি হলো যে যদি না বাণিজ্যসংক্রান্ত এবং ব্যাঙ্কের গোপনীয়তা রহিত করা হয়,

আরো পড়ুন

সাম্রাজ্যবাদ, পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ পর্যায় লেনিন রচিত পুঁজিবাদের বিশ্লেষণমূলক

সাম্রাজ্যবাদ, পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ পর্যায় বা ‘ইম্পেরিয়ালিজম, দ্য হাইয়েস্ট স্টেজ অব ক্যাপিটালিজম’ হচ্ছে পুঁজিবাদের ঊনবিংশ এবং বিংশ শতকের বিকাশের বিশ্লেষণমূলক গ্রন্থ যেটি ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন ১৯১৬ সনে রচনা করেন। ১৯১৭ সনের রুশ বিপ্লবের প্রাক্কালে বিপ্লবী আন্দোলনের তাত্ত্বিক নেতৃত্ব দানের জন্য লেনিন তাঁর এই গ্রন্থে রাশিয়ার সমাজতান্ত্রিক সংগ্রাম এবং আন্তর্জাতিক আন্দোলনসমূহের অভিজ্ঞতার

আরো পড়ুন

লেনিনের বই রাশিয়ায় পুঁজিবাদের বিকাশ প্রসঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা

রাশিয়ায় পুঁজিবাদের বিকাশ (রুশ: Развитие капитализма в России) হচ্ছে ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন লিখিত ১৮৯৯ সালে প্রকাশিত একটি বই। বইটি লেনিনের নির্বাসনকালে লেখা হয় এবং লেনিন এই কাজ তিন বছরের অধিককাল ধরে চালান।[১] বিপ্লবী ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিনকে ১৮৯৭ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি সাইবেরিয়ায় তিন বছরের জন্য নির্বাসনের দণ্ডাজ্ঞা দেয়া হয়। ১৮৯৭ সালের

আরো পড়ুন

কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র হচ্ছে হিন্দু রাষ্ট্রচিন্তা সম্পর্কে রচিত একটি

অর্থশাস্ত্র (সংস্কৃত: अर्थशास्त्र) হচ্ছে কৌটিল্য রচিত হিন্দু রাষ্ট্রচিন্তা সম্পর্কে একটি প্রাচীন গ্রন্থ। বিষ্ণুগুপ্ত বা কৌটিল্য নামে পরিচিত তক্ষশিলার অধিবাসী জনৈক ব্রাহ্মণকে এই গ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে ধরা হয়। তিনি চাণক্য নামেও পরিচিত। বিশাখদত্ত রচিত মুদ্রারাক্ষস থেকে জানা যায় যে তিনি মগধে মৌর্যসম্রাট চন্দ্রগুপ্তের (৩২২-২১৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দ) প্রধান মন্ত্রী ছিলেন। গ্রন্থটির রচনাকাল এবং

আরো পড়ুন
You cannot copy content of this page