কৃষক প্রতিনিধিদের কংগ্রেস (Congress of Peasants’ Deputies)[১]
কৃষক সংগঠনগুলির এবং কৃষক প্রতিনিধি সোভিয়েতগুলির প্রতিনিধিদের একটি কংগ্রেসের অধিবেশন ১৩ এপ্রিল থেকে তাউরিদা প্রাসাদে চলছে। এই প্রতিনিধিরা একটি সারা রুশ কৃষক প্রতিনিধি সোভিয়েত আহ্বানের জন্য সিদ্ধান্ত নিতে এবং সারা দেশে একই ধরনের আরও কৃষক প্রতিনিধি সোভিয়েত প্রতিষ্ঠার জন্য মিলিত হয়েছেন।
দিয়েলো নারোদা’র ভাষ্য অনুযায়ী ২০টিরও অধিক গুবের্নিয়া থেকে আসা প্রতিনিধিরা কংগ্রেসে অংশগ্রহণ করছেন।
নিচ থেকে “উপর” পর্যন্ত “কৃষক সম্প্রদায়কে” দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংগঠিত হবার প্রয়োজনের ব্যাপারে সনির্বন্ধ অনুরোধ জানিয়ে সিদ্ধান্তসমূহ গৃহীত হয়েছে। বিভিন্ন অঞ্চলে সক্রিয় “কৃষক প্রতিনিধি সোভিয়েতগুলিকে” “কৃষক সম্প্রদায়ের সর্বোত্তম ধরনের সংগঠন” বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
বর্তমান কংগ্রেস আহ্বানের জন্য গঠিত অস্থায়ী ব্যুরোর একজন সদস্য বাইকোভস্কি উল্লেখ করেছেন যে একটি সারা রুশ কৃষক প্রতিনিধি সোভিয়েত গঠন করে কৃষক সম্প্রদায়কে সংগঠিত করার একটি সিদ্ধান্ত “মস্কো কো-অপারেটিভ কংগ্রেস”[২] কর্তৃক গ্রহণ করা হয়েছে, যেখানে ১২ মিলিয়ন সংগঠিত সদস্যের, অথবা ৫০ মিলিয়ন জনগণের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে।
এটি বিশাল গুরুত্বপূর্ণ একটি উদ্যোগ, যাকে সব ধরনের সমর্থন দিতে হবে। এই উদ্যোগ যদি অবিলম্বে সম্পন্ন করা হয়, যদি কৃষক সম্প্রদায়, সিঙ্গারভের প্রচেষ্টা সত্ত্বেও, সংখ্যাগরিষ্ঠের সিদ্ধান্ত বলে অবিলম্বে সমস্ত জমি দখলে নেয় এবং জমিদারদের সঙ্গে “স্বেচ্ছাপ্রণোদিত চুক্তি” বলে নয় যেভাবে তিনি এটা করতে চান, তখন কেবলমাত্র সৈনিকরা নয়, যারা অনেক বেশি রুটি ও মাংস পাবেন, বরং এর দ্বারা স্বাধীনতার উদ্দেশ্যও অর্জিত হবে।
কেননা সরকারি কর্মকর্তাদের ছাড়া এবং জমিদার ও তাদের গলগ্রহদের “নিয়ন্ত্রণ ও তদারকি” ছাড়া নিচ থেকে কৃষকদের সংগঠনগুলি গঠন করা হলে, সেটা হবে বিপ্লবের সাফল্যের জন্য, স্বাধীনতার জন্য, জমিদারদের জোয়াল ও বন্ধন থেকে মুক্ত রাশিয়ার জন্য একমাত্র নির্ভরযোগ্য অঙ্গীকার।
এখানে কোনো সন্দেহ নেই যে আমাদের পার্টির সকল সদস্য, সকল শ্রেণি সচেতন শ্রমিক কৃষক প্রতিনিধি সোভিয়েতগুলির সংগঠনগুলিকে তাদের সাধ্যমতো সমর্থন দেবেন, এর প্রতি খেয়াল রাখবেন যাতে এদের সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং এদের শক্তি সংহত হয়, এবং প্রলেতারীয় শ্রেণি লাইনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এবং সঠিক পথে এসব সোভিয়েতের মধ্যে কাজ করতে তাদের সার্বিক প্রচেষ্টাকে কাজে লাগাবেন। এই কাজ চালিয়ে যেতে সাধারণ কৃষক সোভিয়েতগুলির অভ্যন্তরে প্রলেতারীয় শক্তিগুলিকে (ক্ষেতমজুর, দিনমজুর ইত্যাদি) আলাদাভাবে সংগঠিত করা দরকার, অথবা (যথাসময়ে) ক্ষেতমজুর প্রতিনিধি সোভিয়েত প্রতিষ্ঠা করা দরকার।
আমাদের উদ্দেশ্য শক্তিকে বিক্ষিপ্ত করে দেওয়া নয়; পক্ষান্তরে আন্দোলনকে শক্তিশালী ও বিস্তারিত করা, “সবচেয়ে নিচুস্তরের” কথাটা আমাদের উত্থাপন করতে হচ্ছে জমিদার ও পুঁজিপতিদের পরিভাষাটা ব্যবহার করতে—ওরা সমাজের অংশ, অথবা আরও সঠিক অর্থে, শ্রেণি।
আন্দোলন গড়ে তুলতে, আমাদের এদেরকে বুর্জোয়া প্রভাব থেকে মুক্ত করতে হবে; এদের পেটি বুর্জোয়াদের অনিবার্য দুর্বলতা, দোদুল্যমানতা এবং ভুল থেকে মুক্ত করতে আমাদের চেষ্টা করতে হবে। এই কাজটা করতে হবে সৌহার্দ্যপূর্ণ বিশ্বাস তৈরির মাধ্যমে, আগেই ঘটনায় অংশগ্রহণ ছাড়া, সাংগঠনিকভাবে একে “মজবুত” করতে তাড়াহুড়ো ছাড়াই যা গ্রামীণ প্রলেতারিয়েত ও আধা-প্রলেতারিয়েতের প্রতিনিধরা নিজেদের জন্য এখনও পুরোপুরি বুঝে উঠতে, চিন্তা-ভাবনা করে বের করতে এবং আত্মস্থ করতে পারেনি। কিন্তু এটা অবশ্যই করা চাই, এবং সর্বত্র এখনই একটা যাত্রা অবশ্যই কার্যকর করতে হবে।
বাস্তবসম্মত দাবিগুলি ও স্লোগানগুলি, অথবা আরও সঠিক অর্থে প্রস্তাবগুলি কৃষকদের মনোযোগ পাবার জন্য তৈরি করতে হবে, আবশ্যক ও জরুরি বিষয়গুলি হবে যার ভিত্তি। প্রথম প্রসঙ্গটা হলো জমি। গ্রামীণ প্রলেতারিয়েতকে কোনো ব্যতিক্রম ছাড়াই সমগ্র জনগণের কাছে সমস্ত জমির পরিপূর্ণ ও অবিলম্বে হস্তান্তরের পক্ষে থাকতে হবে, যাতে স্থানীয় কমিটিগুলির দ্বারা অবিলম্বে এটা দখলে নেওয়া হয়। কিন্তু আপনি জমি খেতে পারেন না। লক্ষ লক্ষ পরিবারের কোনো ঘোড়া, কৃষি উপকরণ অথবা বীজ নেই, “জনগণের” কাছে জমি হস্তান্তর থেকে তারা কিছুই পাবে না।
বড়ো খামারগুলির কার্যক্রম চালু রাখার প্রশ্নটা, যে কোনো জায়গায় সবকিছু সম্ভব, যেহেতু বৃহদাকারের প্রতিষ্ঠানসমূহ, কৃষি বিশেষজ্ঞ এবং ক্ষেতমজুর প্রতিনিধি সোভিয়েতগুলির দ্বারা পরিচালিত এবং সবচেয়ে ভালো মেশিন, বীজ এবং সর্বোত্তম চাষাবাদ পদ্ধতি ব্যবহারের বিষয়গুলি আলোচিত হতে হবে এবং অবিলম্বে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিতে হবে।
আমরা কৃষকদের থেকে এটা আড়াল করতে পারি না, গ্রামীণ প্রলেতারিয়েত ও আধা-প্রলেতারিয়েতের কাছ থেকে একেবারেই না, পণ্য অর্থনীতি ও পুঁজিবাদের অধীনে ক্ষুদ্রায়তনের চাষাবাদ মানবজাতিকে গণ দারিদ্র্য থেকে মুক্ত করতে পারে না, তাই সরকারি দিক থেকে পরিচালিত বৃহদাকারের চাষাবাদের দিকে যাওয়ার ব্যাপারে চিন্তা করা আবশ্যক এবং জনসাধারণকে শিক্ষা দিয়ে এখনই এই কাজ মোকাবেলা করা এবং পরের পালায় জনগণ থেকে শেখা, এই ধরনের উৎক্রমণ ঘটানোর জন্য বাস্তবসম্মত সুবিধাজনক পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার।
রাষ্ট্রের সংগঠন ও প্রশাসন আরেক অত্যাবশ্যক এবং জরুরি বিষয়। গণতন্ত্র প্রচার করা যথেষ্ট নয়, এটা প্রচার করা এবং ডিক্রি দেওয়া যথেষ্ট নয়, প্রতিনিধিত্বশীল প্রতিষ্ঠানে জনগণের প্রতিনিধিদের ওপর বিশ্বাস করা যথেষ্ট নয়, এর রূপায়ন সহ গণতন্ত্র এখনই গড়ে তুলতে হবে, নিচের দিক থেকে, জনগণের নিজেদের উদ্যোগের মাধ্যমে, রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডের সকল ক্ষেত্রে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে, উপর থেকে “তদারকি” ছাড়া, আমলাতন্ত্র ছাড়া। সমগ্র জনগণের সর্বজনীন অস্ত্রসজ্জিত করে, সমগ্র জনগণের একটি সর্বজনীন মিলিশিয়া দিয়ে, নারীদের অন্তর্ভুক্ত করে, পুলিশ, আমলাতন্ত্র এবং স্থায়ী সেনাবাহিনীর স্থান পূরণ করা একটি বাস্তবসম্মত কাজ যা অবিলম্বে মোকাবেলা করতে হবে এবং করতে পারাও যাবে। জনগণ এই কাজে যত বেশি উদ্যোগ, বৈচিত্র, বেপরোয়া এবং সৃজনশীল ভূমিকা রাখতে পারবে ততই বেশি ভালো। কেবলমাত্র গ্রামীণ প্রলেতারিয়েত ও আধাপ্রলেতারিয়েত নয়, এছাড়াও কৃষক সম্প্রদায়ের দশ ভাগের নয় ভাগ সম্ভবত আমাদের অনুসরণ করবে যদি আমরা আমাদের প্রস্তাব পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করতে পারি, সহজসরলভাবে, বোধগম্য উপায়ে বাস্তব জীবন থেকে উদাহরণ প্রদর্শন করে। আমাদের প্রস্তাবগুলি:
—পুলিশের পুনঃপ্রতিষ্ঠার অনুমতি দেওয়া যাবে না;
—সরকারি কর্মকর্তাদের স্বৈরাচারী ক্ষমতার অনুমতি দেওয়া যাবে না, যাদের কার্যত পদচ্যুত করা যায় না এবং যারা জমিদার অথবা পুঁজিপতি শ্রেণির মধ্যে পড়ে;
—জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন একটি স্থায়ী সেনাবাহিনীর পুনঃপ্রতিষ্ঠার অনুমতি দেওয়া যাবে না, কেননা এই ধরনের একটা সেনাবাহিনী স্বাধীনতা দমনের এবং রাজতন্ত্র পুনর্বহালের সব ধরনের প্রচেষ্টার সবচেয়ে নিশ্চিত গ্যারান্টি;
—জনগণকে শেখাতে নিচের দিকে নামুন, সরকারের দক্ষতা তত্ত্বে নয় বরং অনুশীলনে রয়েছে। জনগণের অভিজ্ঞতাকে সর্বত্র কাজে লাগিয়ে সরকারের দক্ষতার অনুশীলন শুরু করুন। নিচের থেকে গণতন্ত্র, আমলাতন্ত্র ছাড়া, পুলিশ ছাড়া, একটি স্থায়ী সেনাবাহিনী ছাড়া গণতন্ত্র; স্বেচ্ছামূলক সামাজিক দায়িত্ব সর্বজনীনভাবে সশস্ত্র জনগণ থেকে গঠিত একটি মিলিশিয়ার দ্বারা—এই হলো মুক্তির গ্যারান্টি যা কোনো জার, কোনো হঠকারী চালবাজ জেনারেল, কোনো পুঁজিপতি কেড়ে নিতে পারবে না।[৩]
আরো পড়ুন
- প্রেসনেয়া জেলার জনসভায় বক্তৃতা
- কৃষক প্রতিনিধিদের কংগ্রেস
- সোভিয়েত ইউনিয়নের ইতিহাসে লেনিনবাদী বলশেভিক পার্টির ভূমিকা
- সোভিয়েত ইউনিয়ন আমার নিজের ঘর — পল রবসন
- সোভিয়েত ইউনিয়ন নামে পরিচিত ছিল সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক লোকতন্ত্রের ইউনিয়ন
- সোভিয়েত ইউনিয়নের ইতিহাসে লেনিনবাদী বলশেভিক পার্টির ভূমিকা
- অন্তর্দলীয় গণতন্ত্র হচ্ছে গণতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতাবাদের নীতি
- বুর্জোয়া গণতান্ত্রিক বিপ্লব প্রসঙ্গে লেনিনবাদ
- অক্টোবর বিপ্লবের চতুর্থ বার্ষিকী উপলক্ষে
- সিপিএসইউ (বি)-তে দক্ষিণ বিচ্যুতি
- এক লাইন, না দুই লাইন?
- সংশোধনবাদ প্রসঙ্গে লেনিনবাদী মত এবং তা কেন প্রতিরোধ করতে হবে
- লেনিনবাদী সংগ্রামের রূপ হচ্ছে লেনিন কর্তৃক রচিত সংগ্রামের বিভিন্ন সূত্রাবলি
- লেনিনবাদী বলশেভিকবাদী কমিউনিস্ট পার্টি হচ্ছে সাম্যবাদ অভিমুখী সংগঠন
- ভ্যানগার্ডবাদ বা ভ্যানগার্ড পার্টি গঠন সম্পর্কে লেনিনবাদী দৃষ্টিভঙ্গি
- মার্কসবাদী তত্ত্বের বিকাশে লেনিনের সৃজনশীল অবদান
- মার্কসবাদে লেনিনের অবদান সৃজিত হয়েছে ছয়টি প্রধান ক্ষেত্রে
- সাম্যবাদী প্রচারণা হচ্ছে রাজনৈতিক সচেতনতা ও প্রভাব বৃদ্ধির প্রক্রিয়া
- পার্টি শৃঙ্খলা সম্পর্কে লেনিনবাদী কমিউনিস্ট পার্টির নীতি ও সে সম্পর্কিত ধারণা
- গণতান্ত্রিক কেন্দ্রীকতাবাদ কমিউনিস্ট পার্টির সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও নীতিনির্ধারণ প্রণালী
- গণতান্ত্রিক কেন্দ্রিকতাবাদ লেনিনবাদী রাজনৈতিক দলগুলোর কাঠামোগত নীতি
- অর্থনীতিবাদ বিরোধী সংগ্রাম হচ্ছে কমিউনিস্ট পার্টির একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য
- অর্থনীতিবাদ শ্রমিক আন্দোলনে রাজনীতি বাদ দিয়ে আর্থিক দাবি আদায়ের প্রবণতা
- রাষ্ট্র ও বিপ্লব হচ্ছে ১৯১৭ সালে লেনিন লিখিত বই যাতে রাষ্ট্রের ভূমিকা আলোচিত
- রাষ্ট্র সম্পর্কে লেনিনবাদী ধারণা হচ্ছে রাষ্ট্রের উদ্ভব ও বিকাশের দ্বন্দ্ববাদী বিশ্লেষণ
- এপ্রিল থিসিস ছিল বলশেভিক নেতা ভ্লাদিমির লেনিন প্রদত্ত দিকনির্দেশক প্রতিপাদ্য
- বস্তুবাদ ও প্রত্যক্ষ-বিচারবাদ বা বস্তুবাদ ও অভিজ্ঞতাবাদী সমালোচনা বই সম্পর্কে
- নারীমুক্তির প্রশ্নে লেনিনবাদ শোষণ ও অধীনতা থেকে মুক্তির কথা বলে
- লেনিনবাদ হচ্ছে ভ্লাদিমির লেনিন বিকশিত একটি রাজনৈতিক মতাদর্শ
- মার্কসবাদী-লেনিনবাদী দর্শনের বিষয়বস্তু প্রকৃতিবিজ্ঞান ও সমাজবিজ্ঞানের বিষয়
- পুঁজিপতিরা কীভাবে তাদের মুনাফা গোপন করে
- সাম্রাজ্যবাদ, পুঁজিবাদের সর্বোচ্চ পর্যায় লেনিন রচিত পুঁজিবাদের বিশ্লেষণমূলক গ্রন্থ
- কী করতে হবে হচ্ছে ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন রচিত সাম্যবাদী রাজনৈতিক গ্রন্থ
- লেনিনের বই রাশিয়ায় পুঁজিবাদের বিকাশ প্রসঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা
- বলশেভিকবাদ রাষ্ট্রচিন্তা এবং রাষ্ট্রশাসন প্রণালীর বিপ্লবী মার্কসবাদী ধারা
- লেনিন ছিলেন বিশ শতকের ইউরোপের মহত্তম মানব এবং মার্কসবাদের উত্তরসূরি
- শ্রেণিহীন সমাজ হচ্ছে এমন সমাজ যেখানে কেউ সামাজিক শ্রেণিতে থাকে না
- মার্কসবাদ-লেনিনবাদ হচ্ছে সর্বহারা শ্রেণির মুক্তির পদ্ধতি সংক্রান্ত মতবাদ
তথ্যসূত্র ও টিকা:
১. কৃষক প্রতিনিধিদের কংগ্রেস ১৯১৭ সালের ১৩-১৭ এপ্রিল পেত্রগ্রাদে অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলন মূলত মস্কো কো অপারেটিভ কংগ্রেসের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
২. এখানে ১৯১৭ সালের ২৫-২৮ মার্চ মস্কোতে অনুষ্ঠিত সারা রুশ কো অপারেটিভ কংগ্রেসের কথা বলা হচ্ছে।
৩. ভি. আই. লেনিন, কালেক্টেড ওয়ার্কস, খণ্ড ২৪, পৃঃ ১৬৭-১৭০, তৃতীয় মুদ্রণ ১৯৭৭, মস্কো, ১৬ এপ্রিল, ১৯১৭ প্রাভদা ৩৪ নং. সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছিল। এই অনূদিত লেখাটি প্রথমে রোদ্দুরে.কমে ৩ জুলাই ২০১৮ তারিখে প্রকাশিত হয়েছিল। বর্তমানে ফুলকিবাজ.কমে হুবহু প্রকাশ করা হলো। বাংলা অনুবাদটি শেখর রহিম কর্তৃক অনূদিত লেনিনের নির্বাচিত রচনাসংগ্রহ-৪ শ্রাবণ, ঢাকা, সেপ্টেম্বর ২০১৬, পৃষ্ঠা ১২১-১২৪ থেকে নেয়া।

ভ্লাদিমির ইলিচ উলিয়ানভ লেনিন (২২ এপ্রিল, ১৮৭০ – ২১ জানুয়ারি, ১৯২৪) ছিলেন লেনিনবাদের প্রতিষ্ঠাতা, একজন মার্কসবাদী রুশ বিপ্লবী এবং সাম্যবাদী রাজনীতিবিদ। লেনিন ১৯১৭ সালে সংঘটিত মহান অক্টোবর বিপ্লবে বলশেভিকদের প্রধান নেতা ছিলেন। তিনি সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রথম রাষ্ট্রপ্রধান।