সাঁওতাল বিদ্রোহ ব্রিটিশ উপনিবেশবাদী এবং স্থানীয় জমিদারদের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান

সাঁওতাল বিদ্রোহ

সাঁওতাল বিদ্রোহ বা সাঁওতাল অভ্যুত্থান (ইংরেজি: Santhal rebellion) হচ্ছে আধুনিক বর্বর ব্রিটিশ উপনিবেশবাদী ও স্থানীয় অসভ্য জমিদারদের বিরুদ্ধে মহান সাঁওতাল জনজাতির অভ্যুত্থান। সে সময় ভারতের ভাগলপুর, মুর্শিদাবাদ ও বীরভূম জেলার প্রায় দেড় হাজার বর্গমাইল এলাকা দামিন-ই-কোহ্ বা ‘পাহাড়ের ওড়না’ এলাকা হিসেবে পরিচিত ছিল। এই দামিন-ই-কোহ্ অঞ্চল ছিল বিদ্রোহের কেন্দ্রভূমি। সমাজের প্রভাবশালী সংখ্যাগরিষ্ঠের নিকট আদিবাসী ও … Read more

চাকমা বিদ্রোহ হচ্ছে ব্রিটিশ উপনিবেশবাদিদের বিরুদ্ধে চাকমা জাতির অভ্যুত্থান

চাকমা বিদ্রোহ

চাকমা বিদ্রোহ বা চাকমা অভ্যুত্থান (ইংরেজি: Chakma rebellion) হচ্ছে ব্রিটিশ উপনিবেশবাদিদের বিরুদ্ধে চাকমা জনজাতির অভ্যুত্থান। সমাজের প্রভাবশালী সংখ্যাগরিষ্ঠের নিকট আদিবাসী ও উপজাতি হিসেবে পরিচিত বাংলার সংখ্যালঘু জনগণ প্রধানত পশ্চিম, উত্তর এবং দক্ষিণের সীমান্তে উপ-পার্বত্য (sub-montane) অঞ্চলে বাস করতো। সীমান্তের প্রান্তিক সমাজ হিসেবে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলো বাঙালিদের থেকে অপেক্ষাকৃত বিচ্ছিন্নভাবে বসবাস করতো। এমনকি তারা নিজেরাই একে অপর … Read more

খাসি বিদ্রোহ হচ্ছে বর্বর ব্রিটিশ উপনিবেশবাদিদের বিরুদ্ধে খাসিয়া অভ্যুত্থান

খাসি বিদ্রোহ

খাসি বিদ্রোহ বা খাসিয়া বিদ্রোহ (ইংরেজি: Khasi rebellion) হচ্ছে ব্রিটিশ উপনিবেশবাদিদের বিরুদ্ধে খাসি জনজাতির অভ্যুত্থান। সমাজের প্রভাবশালী সংখ্যাগরিষ্ঠের নিকট আদিবাসী ও উপজাতি হিসেবে পরিচিত বাংলার সংখ্যালঘু জনগণ প্রধানত পশ্চিম, উত্তর এবং দক্ষিণের সীমান্তে উপ-পার্বত্য (sub-montane) অঞ্চলে বাস করতো। সীমান্তের প্রান্তিক সমাজ হিসেবে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলো বাঙালিদের থেকে অপেক্ষাকৃত বিচ্ছিন্নভাবে বসবাস করতো। এমনকি তারা নিজেরাই একে অপর … Read more

বাংলায় ধর্মীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীর ব্রিটিশবিরোধী প্রতিরোধ আন্দোলন ও বিদ্রোহ

ফকির মজনু শাহের আন্দোলন

ব্রিটিশ উপনিবেশিকদের বিরুদ্ধে বাংলা অঞ্চলের বিভিন্ন ধর্মীয় ও সম্প্রদায়ের সশস্ত্র স্বাধীনতা আকাঙ্ক্ষী মানুষজন বিভিন্ন প্রতিরোধ আন্দোলন ও বিদ্রোহ করেন। এসব আন্দোলনের যেমন সাফল্য ও কৃষিকে রক্ষা ও স্বাধীনতা উদ্ধারের চেষ্টা আছে তেমনি আছে রাজনৈতিক চিন্তা ও যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণগত পশ্চাৎপদতা। আমরা নিচে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছি।   প্রাক-বৃটিশ বাংলার রাষ্ট্র শাসনকার্যে ধর্ম এক গুরুত্বপূর্ণ … Read more

জর্জ বার্নাড শ ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যকার

শ

শ বা জর্জ বার্নাড শ (George Bernard Shaw; ২৬ জুলাই ১৮৫৬ – ২ নভেম্বর ১৯৫০) হচ্ছেন উইলিয়াম শেক্সপীয়রের পরেই ইংরেজি সাহিত্যের শ্রেষ্ঠতম নাট্যকারের নাম। তিনি আয়ারল্যান্ডের ডাবলিন শহরে ১৮৫৬ খ্রিস্টাব্দের ২৩শে জুলাই জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম জর্জ কার শ এবং মায়ের নাম এলিজাবেথ। তাদের পরিবারের প্রায় সকলেই ছিলেন গানবাজনার ভক্ত। শ-এর মা এলিজাবেথও ছিলেন … Read more

হেগেলীয় রাজনৈতিক চিন্তা: জার্মান ভাববাদের বিস্তার এবং ফরাসি বিপ্লবোত্তর দোদুল্যমানতা

হেগেলের অবদান

জর্জ উইলহেল্ম ফ্রিডরিখ হেগেলের রাষ্ট্রচিন্তা মূলত ইমানুয়েল কান্টের প্রবর্তিত জার্মান ভাববাদী দর্শনের এক বৈপ্লবিক ও চূড়ান্ত সম্প্রসারণ। ঊনিশ শতকের প্রথমার্ধে তিনি ভাববাদের রাজ্যে এমন এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করেন, যা প্লেটোনীয় ধ্রুপদী দর্শন এবং আধুনিক যুক্তিবাদকে একীভূত করে। হাইডেলবার্গ ও বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপনা জীবনে হেগেল তাঁর এই তাত্ত্বিক কাঠামোকে পূর্ণতা দান করেন, যেখানে রাষ্ট্র কেবল … Read more

হবসের সার্বভৌম তত্ত্ব হচ্ছে শাসক চরম, অবিভাজ্য ও নিরঙ্কুশ ক্ষমতার অধিকারী

সার্বভৌম তত্ত্ব

ব্রিটিশ পুঁজিবাদী দার্শনিক টমাস হবসের সার্বভৌম তত্ত্ব (ইংরেজি: Sovereignty Theory of Thomas Hobbes) মোতাবেক শাসক চরম, অবিভাজ্য ও নিরঙ্কুশ ক্ষমতার অধিকারী। তাঁর মতে, সার্বভৌম শাসক হচ্ছে সেই ব্যক্তি বা ব্যক্তিসমষ্টি যার যাদের নিকট জনগণ তাদের যাবতীয় অধিকার ও ক্ষমতা বিনা শর্তে সমর্পণ করে। জনগণ সার্বভৌম শাসকের নিকট তাদের সকল ক্ষমতা অর্পণ করে শান্তিপূর্ণ জীবনযাপনের উদ্দেশ্যে। … Read more

প্রকৃতির রাজ্য সম্পর্কে হবসের ধারণা হচ্ছে সমাজবিহীন অসভ্য নোংরা

প্রকৃতির রাজ্য

মানব প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে টমাস হবস তাঁর প্রকৃতির রাজ্যের (ইংরেজি: Thomas Hobbes‘ state of nature) যে চিত্র অঙ্কন করেছেন, তাতে প্রকৃতির রাজ্য হচ্ছে বিশৃঙ্খল, সমাজবিহীন, অসভ্য, নোংরা, কদর্য ও নিষ্ঠুর। তাঁর প্রকৃতির রাজ্যের ধারণা নিম্নরূপ: ১. ন্যায় অন্যায়ের স্থান ছিল না: প্রকৃতির রাজ্যে প্রত্যেকেরই শত্রু ছিল। তারা সর্বক্ষণ দ্বন্দ্বকলহ, খুন খারাবি ইত্যাদিতে লিপ্ত ছিল। … Read more

মানব প্রকৃতি সম্পর্কে টমাস হবসের ধারণা হচ্ছে স্বার্থপর, লোভী, আত্মকেন্দ্রিক

মানব প্রকৃতি

টমাস হবস মানব প্রকৃতি সম্পর্কে (ইংরেজি: Thomas Hobbes on Human Nature) অত্যন্ত হতাশাব্যঞ্জক ধারণা পোষণ করতেন যে,মানুষ হচ্ছে স্বার্থপর, লোভী, আত্মকেন্দ্রিক, ক্ষমতালিপ্সু। নিম্নে মানবপ্রকৃতি সম্পর্কে তাঁর ধারণা আলোচনা করা হলো: ১. মানুষ মূলত জড় পদার্থ: টমাস হবস মানবপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করতে গিয়ে বলেছেন, মানুষ অন্যান্য জড়বস্তুর ন্যায় একটি পদার্থ। মানবদেহকে তিনি বস্তু এবং মানব মনকে ক্ষয়িষ্ণু … Read more

টমাস হবস আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তার বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দার্শনিক

হবস

হবস বা টমাস হবস (ইংরেজি: Thomas Hobbes, ৫ এপ্রিল, ১৫৮৮- ৪ ডিসেম্বর, ১৬৭৯) আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তা ও রাষ্ট্রদর্শনের বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিশ্ববিখ্যাত দার্শনিকের ভূমিকা গ্রহণ করেন। Professor Dunning বলেছেন, “ইংল্যান্ডবাসীদের মধ্যে হবসই সর্বপ্রথম এমন রাজনৈতিক দর্শন ব্যবস্থা উপস্থাপন করেন, যা ইতিহাসে অন্যতম মহান ব্যবস্থা বলে গণ্য হতে পারে”। তার বিভিন্ন রচনা এটাই প্রমাণ করে যে, তিনি … Read more