ইউরোসাম্যবাদ বা Eurocommunism ছিল বিংশ শতাব্দীর ৭০ ও ৮০-এর দশকে পশ্চিম ইউরোপীয় সাম্যবাদী দলগুলোর মধ্যে বিকশিত একটি বিশেষ রাজনৈতিক প্রবণতা। মূলত ১৯৬৮ সালের প্রাগ বসন্ত এবং চেকোস্লোভাকিয়ায় সোভিয়েত সামরিক হস্তক্ষেপের প্রতিক্রিয়ায় এই ধারার চূড়ান্ত প্রকাশ ঘটে। তবে এর বীজ রোপিত হয়েছিল আরও আগে—১৯৫৬ সালের হাঙ্গেরি অভ্যুত্থান, চীন-সোভিয়েত মহাবিতর্ক এবং রুশ অর্থনীতির আমূল পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে। তৎকালীন পশ্চিম ইউরোপের কমিউনিস্ট পার্টিগুলো অনুধাবন করে যে, মস্কোর চাপিয়ে দেওয়া মডেল তাদের উন্নত গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য কার্যকর নয়।[১]
তাত্ত্বিক ভিত্তি ও নামাকরণ
১৯৭০ সালের দিকেই এই ভাবনা স্পষ্টভাবে বিকশিত হতে শুরু করে। যুগোস্লাভ সাংবাদিক ফ্রেন বারবিয়েরি ১৯৭৫ সালের গ্রীষ্মে প্রথম এই ভাবনাকে ‘ইউরোকমিউনিজম’ নামে অভিহিত করেন। এই মতানুসারে, রাশিয়ার বলশেভিক আদর্শকে সেই দেশের একটি বিশেষ অভিজ্ঞতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ইউরোকমিউনিস্টরা ঘোষণা করে যে, বলশেভিকবাদ সমগ্র বিশ্বের জন্য বিশেষ করে ইউরোপের জন্য মার্কসবাদী আদর্শ হতে পারে না। তারা প্রথাগত ‘প্রলেতারিয়েতের একনায়কত্ব’ বর্জন করে গণতান্ত্রিক উদারতা ও সংসদীয় পথে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ডাক দেয়। এক্ষেত্রে ইতালীয় চিন্তাবিদ আন্তোনিও গ্রামসির ‘হেজেমনি’ বা সাংস্কৃতিক আধিপত্যের তত্ত্ব ইউরোসাম্যবাদের প্রধান ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
আঞ্চলিক বিস্তার ও প্রধান নেতৃবৃন্দ
এই আন্দোলনটি ইতালি, স্পেন এবং ফ্রান্সে ব্যাপক প্রাধান্য বিস্তার করেছিল:
- ইতালি: ইতালীয় কমিউনিস্ট পার্টির নেতা জওর্জো নেপোলিটানো ইউরোকমিউনিজমের ধ্বজাধারী হিসেবে আবির্ভূত হন এবং তাঁর ভুয়া কমিউনিজমে’র সারকথা তুলে ধরেন।
- স্পেন: স্পেনের কমিউনিস্ট পার্টির নেতা সান্তিয়াগো কারিলো ১৯৭৭ সালে তার বিখ্যাত বই ‘ইউরোকমিউনিজম ও রাষ্ট্র’-এ এই ভাবনার সংজ্ঞা প্রদান করেন।
- ফ্রান্স: ফরাসি কমিউনিস্ট পার্টি সমাজতন্ত্রীদের সাথে জোটবদ্ধ হয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার কৌশল গ্রহণ করে।
১৯৭৫ সালের ১৫ নভেম্বর ফরাসি ও ইতালীয় কমিউনিস্ট পার্টির এক যৌথ ঘোষণার মাধ্যমে এই আন্দোলন প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি পায়।
ইউরোকমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো ও মার্কসবাদের বিচ্যুতি
‘ইউরোকমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো’-তে বহুদলীয় গণতন্ত্র, ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং বিরোধিতার অধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। সমালোচকদের মতে, এর মাধ্যমেই ইউরোপে মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদের কবর রচিত হয়। প্রলেতারিয়েতের আন্তর্জাতিকতাবাদের নীতির বিরোধিতা করে তারা প্রতিটি দেশের কমিউনিস্ট পার্টির স্বাতন্ত্র্যের কথা বলতে থাকে। সমালোচকদের একটি বিশাল অংশ মনে করেন, ইউরোপের শ্রমিক শ্রেণির একাংশ এই ভাবনার মাধ্যমে মার্কসবাদবিরোধী অবস্থান নেয় এবং প্রকারান্তরে সাম্রাজ্যবাদের সেবায় লিপ্ত হয়।
বর্তমান মূল্যায়নে একথা সুস্পষ্টভাবে বলা যায় যে, তৎকালীন পশ্চিম ইউরোপের কমিউনিস্ট পার্টিগুলো ইউরোপের জন্য ভিন্ন ধরনের মার্কসবাদী প্রয়োগকে সামনে আনার চেষ্টা করেছিল। মূলত ১৯৫৬ সনের পরে চিন-সোভিয়েত মহাবিতর্ক, হাঙ্গেরির অভ্যুত্থান এবং রুশ অর্থনীতির ব্যাপক পরিবর্তনকে ঘিরে ইউরোপে নানা রকমের ভাবনার সূত্রপাত হয়। আর এক্ষেত্রে ইতালিই এই ভাবনার পথিকৃৎরূপে আবির্ভূত হয়।[২]
যুগোস্লাভ এক সাংবাদিক ফ্রেন বারবিয়েরি প্রথম ১৯৭৫ সালের গ্রীষ্মে এই ভাবনাকে ইউরোকমিউনিজম নাম দেন। মূলত ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দের ১৫ নভেম্বর তারিখে ফরাসি ও ইতালীয় কমিউনিস্ট পার্টির নীতিগত এক যৌথ ঘোষণার পর থেকে পশ্চিম ইউরোপের কমিউনিস্ট পার্টিগুলি উদারনীতি ও সাম্যবাদের (কমিউনিজম) সমন্বয় বিধানে সচেষ্ট হয়।[৩]
১৯৭০ সালেই এই ভাবনা স্পষ্টভাবে বিকশিত হয়। এই মতানুসারে রাশিয়ার বলশেভিক আদর্শকে সেই দেশের বিশেষ অভিজ্ঞতা বলে চিহ্নিত করা হয়। ইউরোকমিউনিস্টরা ঘোষণা করে বলশেভিকবাদ সমগ্র বিশ্বের মার্কসবাদী আদর্শ হতে পারে না, ইউরোপে তো নয়ই। তারা বলে প্রলেতারিয়েতের একনায়কত্ব অপ্রয়োজনীয়। প্রলেতারিয়েতের একদলীয় শাসনের পরিবর্তে গণতান্ত্রিক উদারতাই বেশি কাম্য। গণতান্ত্রিক পথে, সংসদীয় উপায়েই সমাজতন্ত্র আসবে।
ইতালির কমিউনিস্ট পার্টি গণতান্ত্রিক সংস্কারের আওয়াজ তোলে। অন্যান্য দলের সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়। মূলত ইতালির নেতা জওর্জো নেপোলিটানো ইউরোকমিউনিজমের ধ্বজাকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরেন এবং ভুয়া কমিউনিজমের ধারনাকে সামনে আনেন। অন্যদিকে স্পেনের কমিউনিস্ট পার্টি ফ্রান্সিসকো ফ্রাঙ্কোর হাত থেকে মুক্তি পেয়ে সমাজ-গণতন্ত্রী সরকারের দেশ গঠনের উন্নয়ন কর্মযজ্ঞে নেমে পড়ে। ফ্রান্সের কমিউনিস্ট পার্টি সমাজতন্ত্রীদের সাথে এক মঞ্চে দাঁড়িয়ে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করে। লেনিনবাদকে ইউরোকমিউনিজমের দৃষ্টিভঙ্গিতে মার্কসবাদের আবশ্যকীয় উন্নত ধারা বলে গ্রহণ করা হয় না। তাকে রুশ অভিজ্ঞতার চরিত্রে দেখা হয়। আন্তোনিও গ্রামসির চিন্তাধারা ইউরোকমিউনিজমের তত্ত্বের ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয় এবং এই তত্ত্বকে প্রভাবিত করে। গ্রামসির পর থেকেই সমাজে মধ্যস্তরের ভূমিকা ইউরোপে গুরুত্বপূর্ণ বলে অনুভূত হয়।
স্পেনের কমিউনিস্ট পার্টির সংশোধনবাদী নেতা সান্তিয়াগো কেরিল্লো (১৯১৫ – ২০১২) ১৯৭৭ সালে ইউরোকমিউনিজম ও রাষ্ট্র নামে এই ভাবনার সংজ্ঞা প্রদানকারী একটি বই লেখেন। বিশ শতকের সাত ও আটের দশকজুড়ে ইউরোকমিউনিজমের বাড়বাড়ন্ত রূপ দেখা যায় যখন পশ্চিম ইউরোপের পার্টিগুলোতে সোভিয়েতের লেনিনবাদী নীতি ও তত্ত্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে তাদের নিজেদের সমাজপরিবর্তনের নীতি বেছে নেয়। তারা প্রলেতারিয়েতের আন্তর্জাতিকতাবাদের নীতির বিরোধিতা করে ইউরোপের কমিউনিস্ট পার্টিগুলোর স্বাতন্ত্র্যের কথা বলতে থাকে।
‘ইউরোকমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো’-তে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের কাজকর্মের অধিকার, সর্বহারার একনায়কত্বের আদর্শ প্রত্যাহার, গণতান্ত্রিক নির্বাচনের সুপারিশ, সংসদীয় পথে সমাজতন্ত্র ও সাম্যবাদের প্রতিষ্ঠা, ব্যক্তিস্বাধীনতার স্বীকৃতি এবং বিরোধিতার স্বাধীনতা মেনে নেওয়া হয়।[৩] এভাবেই ইউরোপে ইউরোকমিউনিজমের নামে মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদের কবর রচিত হয়। ইউরোপের শ্রমিক শ্রেণির একটি বিশাল অংশ এসব কথা বলে মার্কসবাদবিরোধী অবস্থান নেয় এবং সাম্রাজ্যবাদের পদলেহনকারী অপদার্থ হিসেবে নিজেদের প্রতিপন্ন করে।
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন এবং স্নায়ু যুদ্ধের অবসান ইউরোপের সব বামপন্থী দলগুলোকে নব্য উদারবাদী ধারা গ্রহণ করতে অনুপ্রাণিত করে। মূলত ইউরোপের বামপন্থীরা পুঁজিবাদ-সাম্রাজ্যবাদের সেবা করছিলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকেই। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন হওয়া মাত্রই তারা মুখোশটাকে ছুঁড়ে ফেলে নিজেদের প্রতিক্রিয়াশীল কদর্য রূপকে প্রকাশ্যে আনে।
পরিণতি: নব্য উদারবাদ ও ডানপন্থী রূপান্তর
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন এবং স্নায়ুযুদ্ধের অবসান ইউরোপের এই বামপন্থী দলগুলোকে নব্য উদারবাদী (Neoliberalism) ধারা গ্রহণে অনুপ্রাণিত করে। সোভিয়েত পতনের পর অনেক দলই তাদের সমাজতান্ত্রিক মুখোশ ত্যাগ করে সরাসরি প্রতিক্রিয়াশীল ও পুঁজিবাদী অবস্থানে চলে যায়। ইউরোকমিউনিজমের ধ্বজাধারীরা দলে দলে ডানপন্থী পার্টিতে যোগ দিতে শুরু করে। এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ হলো:
- ইতালির ‘ডেমোক্রাটস অফ দ্য লেফট’।
- স্পেনের ‘ইনিশিয়েটিভ ফর কাতালোনিয়া গ্রিনস’।
এছাড়া কিছু পার্টি নিজেদের নামের সাথে ‘কমিউনিস্ট’ শব্দটি রাখলেও তারা মার্কসবাদ-লেনিনবাদের মূল আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে। ইতালির ‘কমিউনিস্ট রিফাউন্ডেশন পার্টি’ এবং স্পেনের ‘লিভিং ইউনিফাইড সোশ্যালিস্ট পার্টি অফ কাতালোনিয়া’ এর অন্যতম উদাহরণ। এভাবে ইউরোসাম্যবাদ শেষ পর্যন্ত একটি আধুনিক সংশোধনবাদী ধারা হিসেবে বামপন্থী রাজনীতি থেকে ডানপন্থায় রূপান্তরের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেছে। এসব দলের একটি বিশাল অংশ এখন নিজেদেরকে সমাজগণতন্ত্রী হিসেবে পরিচয় দেয়।[৪]
আরো পড়ুন
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ইতিহাস: কারণ, ঘটনা এবং ভয়াবহ পরিণতির সম্পূর্ণ চিত্র
- দ্য গ্রেট ডিপ্রেশন বা ১৯২৯-এর মহামন্দা: পুঁজিবাদের সংকট ও বিশ্ব অর্থনীতির এক অন্ধকার অধ্যায়
- কাতালান বিচ্ছিন্নতাবাদ: মার্কসবাদী দৃষ্টিভঙ্গিতে সাম্রাজ্যবাদী শোষণের নতুন রূপ
- প্রাচীন এথেন্সের বিচারব্যবস্থা: ডাইকাস্ট ও জনতার আদালতের আদ্যোপান্ত
- স্নায়ুযুদ্ধের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ: বিশ্ব রাজনীতির এক জটিল ইতিহাস
- ইউরোপের স্নায়ুযুদ্ধকালীন রাজনৈতিক ইতিহাস: সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠন
- ইউরোপের অর্থনৈতিক শক্তি: দেশগুলোর বিশাল শিল্প সাফল্য ও বৈশ্বিক প্রভাব
- মার্কাস টুলিয়াস সিসেরো: প্রাচীন রোমের সর্বশ্রেষ্ঠ বাগ্মী ও প্রজাতন্ত্রের শেষ বীর
- জুলিয়াস সিজার হত্যাকাণ্ড: রোমান প্রজাতন্ত্রের পতন ও এক ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র
- রেনেসাঁ বা নবজাগরণ: ইউরোপীয় আধুনিকতার উদয় ও বৌদ্ধিক রূপান্তর
- মার্টিন লুথার ও প্রোটেস্ট্যান্ট সংস্কার: সামন্তবাদী ইউরোপ থেকে আধুনিকতার উত্তরণ
- সাইপ্রাসে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী আন্দোলন: ব্রিটিশ ও মার্কিন ঘাঁটি এবং ভূ-রাজনীতি
- ইউরোপের ইতিহাস: গ্রিক ও রোমান ঐতিহ্য, সামন্তযুগের ধর্মবাদ ও শিল্প বিপ্লবের আখ্যান
- আধুনিকতা হচ্ছে একটি ঐতিহাসিক সময়কাল ও নবজাগরণের পরে উদ্ভূত সংস্কৃতি
- বেনিতো মুসোলিনি: ফ্যাসিবাদের উত্থান এবং ইতালির একনায়কতন্ত্রের ইতিহাস
- সোভিয়েত ইউনিয়নের ইতিহাসে লেনিনবাদী বলশেভিক পার্টির ভূমিকা
- সোভিয়েত ইউনিয়ন আমার নিজের ঘর — পল রবসন
- সোভিয়েত ইউনিয়ন নামে পরিচিত ছিল সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক লোকতন্ত্রের ইউনিয়ন
- আলোকায়ন যুগ: যুক্তিনির্ভর আধুনিক সভ্যতার বিবর্তন, বৈজ্ঞানিক বিপ্লব ও এর বৈশ্বিক প্রভাব
- ফেবিয়ানবাদ বা ফেবিয়ান সমিতি হচ্ছে গণতান্ত্রিক সমাজতন্ত্রী সমিতি
- চীনের সঙ্গে ইউরোপের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ
- ইউরোসাম্যবাদ বা ইউরোকমিউনিজম: পশ্চিম ইউরোপে মার্কসবাদের বিবর্তন ও আদর্শিক বিচ্যুতি
- প্রোটেস্ট্যান্ট সংস্কার আন্দোলন: আধুনিক ইউরোপীয় জাতিরাষ্ট্র ও ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদের তাত্ত্বিক ভিত্তি
- ইউরোপীয় রাষ্ট্রচিন্তায় রেনেসাঁ বা নবজাগরণ বা পুনর্জাগরণ আন্দোলনের প্রভাব
তথ্যসূত্র:
১. . অনুপ সাদি, ২ আগস্ট ২০১৭; রোদ্দুরে.কম, “ইউরোকমিউনিজম কাকে বলে”; ইউআরএল: https://www.roddure.com/encyclopedia/marxist-glossary/eurocommunism/
২. সমীরণ মজুমদার, মার্ক্সবাদ বাস্তবে ও মননে; স্বপ্রকাশ, কলকাতা; ১ বৈশাখ, ১৪০২; পৃষ্ঠা-১৬০।
৪. সৌরেন্দ্রমোহন গঙ্গোপাধ্যায়, রাজনীতির অভিধান, আনন্দ পাবলিশার্স প্রা. লি. কলকাতা, তৃতীয় মুদ্রণ, জুলাই ২০১৩, পৃষ্ঠা ৪২।
৪. লেখাটি রচনার দিন প্রাণকাকলি ব্লগে প্রকাশ করা হয়। পরবর্তীতে রোদ্দুরে সাইটে প্রকাশের সময় ২ আগস্ট ২০১৭ তারিখে কিছুটা পরিবর্ধিত রূপে প্রকাশ করা হয়। সেখান থেকে বর্তমানে ফুলকিবাজে প্রকাশ করা হলো।
রচনাকালঃ ১৬ অক্টোবর, ২০১৩, ময়মনসিংহ।
অনুপ সাদি বাংলাদেশের একজন লেখক ও গবেষক। তাঁর লেখা ও সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা উনিশটি। ২০০৪ সালে কবিতা গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে তিনি পাঠকের সামনে আবির্ভূত হন। ‘সমাজতন্ত্র’ ও ‘মার্কসবাদ’ তাঁর দুটি পাঠকপ্রিয় প্রবন্ধ গ্রন্থ। সাহিত্য ও রাজনীতি বিষয়ে চিন্তাশীল গবেষণামূলক লেখা তাঁর আগ্রহের বিষয়।