চীনের সঙ্গে ইউরোপের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ

চীনের সঙ্গে ইউরোপের বাণিজ্যিক সম্পর্ক

চীনের সঙ্গে ইউরোপের বাণিজ্যিক সম্পর্ক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ (ইংরেজি: China-Europe trade relations and cultural contacts) শুরু হয় ষোলো শতকের প্রথমার্ধে। ঐ শতকের প্রথমার্ধে পর্তুগিজ বণিকরা মেলাকা বা মালাক্কা অধিকার করে চীনের উত্তরপূর্বে চলে আসে এবং তারপর ষোলো শতকের মধ্যভাগে চীনা সম্রাট তাদের ম্যাকাও দ্বীপে বাণিজ্যের অনুমতি দেন। তখন থেকেই পুরোদমে চীন-ইউরোপ বাণিজ্য চলতে থাকে। তবে … Read more

ইউরোসাম্যবাদ বা ইউরোকমিউনিজম: পশ্চিম ইউরোপে মার্কসবাদের বিবর্তন ও আদর্শিক বিচ্যুতি

ইউরোকমিউনিজম

ইউরোসাম্যবাদ বা Eurocommunism ছিল বিংশ শতাব্দীর ৭০ ও ৮০-এর দশকে পশ্চিম ইউরোপীয় সাম্যবাদী দলগুলোর মধ্যে বিকশিত একটি বিশেষ রাজনৈতিক প্রবণতা। মূলত ১৯৬৮ সালের প্রাগ বসন্ত এবং চেকোস্লোভাকিয়ায় সোভিয়েত সামরিক হস্তক্ষেপের প্রতিক্রিয়ায় এই ধারার চূড়ান্ত প্রকাশ ঘটে। তবে এর বীজ রোপিত হয়েছিল আরও আগে—১৯৫৬ সালের হাঙ্গেরি অভ্যুত্থান, চীন-সোভিয়েত মহাবিতর্ক এবং রুশ অর্থনীতির আমূল পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে। তৎকালীন পশ্চিম ইউরোপের কমিউনিস্ট পার্টিগুলো … Read more

প্রোটেস্ট্যান্ট সংস্কার আন্দোলন: আধুনিক ইউরোপীয় জাতিরাষ্ট্র ও ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদের তাত্ত্বিক ভিত্তি

মার্টিন লুথার ১৫২১ সালে 'ওয়ার্মসের ডায়েটে' (Diet of Worms) পবিত্র রোমান সম্রাট পঞ্চম চার্লস এবং ক্যাথলিক চার্চের প্রতিনিধিদের সামনে নিজের অবস্থানে অটল দাঁড়িয়ে আছেন; যা ইউরোপে ধর্মীয় সংস্কার ও আধুনিক রাজনৈতিক সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার এক যুগান্তকারী মুহূর্ত।

পঞ্চদশ ও ষোড়শ শতাব্দীর ইউরোপীয় সমাজ-কাঠামো এবং ধর্মতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের আমূল পরিবর্তনের প্রধান কারিগর ছিলেন জার্মানির উইটেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্মতত্ত্বের প্রখ্যাত অধ্যাপক মার্টিন লুথার। তিনি ছিলেন একাধারে প্রোটেস্ট্যান্ট সংস্কার আন্দোলনের (Reformation) অগ্রপথিক এবং নতুন এক ধর্মতাত্ত্বিক সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতা। লুথারের ব্যক্তিত্ব কেবল একজন পুরোহিতের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং তিনি ছিলেন এক দূরদর্শী চিন্তক এবং তৎকালীন প্রচলিত যাজকতন্ত্রবিরোধী … Read more

ইউরোপীয় রাষ্ট্রচিন্তায় রেনেসাঁ বা নবজাগরণ বা পুনর্জাগরণ আন্দোলনের প্রভাব

নবজাগরণ বা রেনেসাঁ

ইউরোপীয় রাষ্ট্রচিন্তায় রেনেসাঁ বা নবজাগরণ বা পুনর্জাগরণ আন্দোলনের প্রভাব (ইংরেজি: The influence of the Renaissance on European political thought) ছিল অপরিসীম। মধ্যযুগীয় অবস্থা থেকে আধুনিক ইউরোপের অভ্যুদয়ের পেছনে রেনেসাঁর প্রভাব সবচেয়ে বেশি। রেনেসাঁর কালপর্বকে চিহ্নিত করা হয় পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষ কয়েক দশক থেকে ষোড়শ শতাব্দীর প্রথম তিন দশক পর্যন্ত বিস্তৃত সময়কে। ১৪৫৩ সালে তুর্কীদের হাতে … Read more