বন্ধন-ভয় তুচ্ছ করেছি উচ্চে তুলেছি মাথা

বন্ধন-ভয় তুচ্ছ করেছি উচ্চে তুলেছি মাথা

বন্ধন-ভয় তুচ্ছ করেছি উচ্চে তুলেছি মাথা গানটি বাংলা গণসংগীতের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কালজয়ী সৃষ্টি। গানটির কথা লিখেছেন কবি সজনীকান্ত দাস। তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগের বাংলা সাহিত্য আন্দোলনের একজন প্রথম সারির ব্যক্তিত্ব। তিনি ছিলেন বাঙালি সাহিত্যিক, সম্পাদক, গীতিকার, গবেষক। রচনার প্রেক্ষাপট ও সময়কাল ১৯৪৬ সালে রচিত এই কবিতাটি পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার এবং … Read more

তেলের শিশি ভাঙল বলে, খুকুর পরে রাগ করো

তেলের শিশি ভাঙল বলে

‘তেলের শিশি ভাঙল বলে খুকুর পরে রাগ করো’—অন্নদাশঙ্কর রায়ের লেখা বিখ্যাত ‘খুকু ও খোকা’ বা ‘খুকুর বিদ্রূপ’ বাংলা কবিতার এই পঙক্তিগুলো বাঙালির শৈশব ও সমাজভাবনার এক অনবদ্য অংশ। বিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে রচিত এই ছড়াটি কেবল শিশুদের আনন্দের খোরাক নয়, বরং এর আড়ালে লুকিয়ে আছে এক গভীর সামাজিক ও রাজনৈতিক শ্লেষ। কবি অত্যন্ত সহজ ও … Read more

তোরসা নদীর ধারে ধারে ওই, দিদিগো মানসাই নদীর ধারে

তোরসা নদীর ধারে ধারে

তোরসা নদীর ধারে ধারে গানটি বাংলা লোকসংগীতের অন্যতম জনপ্রিয় একটি ভাওয়াইয়া গান, যা উত্তরবঙ্গ এবং কোচবিহার অঞ্চলের লোকসংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই গানটি মূলত বিরহ এবং প্রেমের আবেগ প্রকাশ করে। তোরসা নদীর ধারে ধারে গানটির মূল শিল্পী ছিলেন লোক সংগীতের কিংবদন্তি শিল্পী আব্বাসউদ্দীন আহমদ। তিনি এই গানটি তার দরদভরা কণ্ঠে গেয়ে গানটিকে ব্যাপক জনপ্রিয় করেন। গানটির … Read more

নয়ন ভরা জল গো তোমার আঁচল ভরা ফুল

নয়ন ভরা জল গো তোমার

নয়ন ভরা জল গো তোমার আঁচল ভরা ফুল কবি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রেম ও বিরহী চেতনার নজরুল গীতি। গানটি মূলত বিচ্ছেদ এবং না-পাওয়ার বেদনার এক অপূর্ব কাব্যিক প্রকাশ। নয়ন ভরা জল গো তোমার গানটি সম্পর্কে অন্যান্য তথ্য নয়ন ভরা জল গো তোমার আঁচল ভরা ফুল গানটি একটি আধুনিক নজরুল গীতি যা … Read more

শুক-শারী সংবাদ হচ্ছে গোবিন্দ অধিকারী রচিত লোকসংগীত ও বৈষ্ণব পদাবলির গান

শুক শারী সংবাদ

শুক-শারী সংবাদ গোবিন্দ অধিকারী রচিত বাংলা লোকসংগীত এবং বৈষ্ণব পদাবলির একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ গান। এই গানটি মূলত শ্রীকৃষ্ণ ও রাধিকার প্রেমলীলার এক চমৎকার রূপক বিতর্ক।[১] গানের মূল বিষয়বস্তু হলো দুই পাখি—শুক (পুরুষ পাখি) এবং শারী (স্ত্রী পাখি)-র মধ্যকার কথোপকথন। শুক পাখি যখন শ্রীকৃষ্ণের মহিমা ও রূপের গুণগান গায়, শারী পাখি তখন রাধিকার শ্রেষ্ঠত্ব … Read more

বাংলাদেশের সংগীত হচ্ছে এই জনপদের হাজার বছরের ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রতিফলন

বাংলাদেশের সংগীত

বাংলাদেশের সংগীত বা বাংলাদেশের গান (ইংরেজি: Music of Bangladesh) অত্যন্ত সমৃদ্ধ এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ, যা এই জনপদের হাজার বছরের সংগীতের ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রতিফলন ঘটায়। বাংলাদেশের সঙ্গীতের মূল ভিত্তি হলো এর লোক সংগীত, যেখানে পল্লীগীতি, লালন গীতি, ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালী এবং মুর্শিদী গানের মতো ধারাগুলো মানুষের জীবনের সুখ-দুঃখ এবং বস্তুবাদী ও ভাববাদী চেতনাকে তুলে ধরে। ধ্রুপদী বা … Read more

বাংলা সংগীত হচ্ছে হাজার বছর ধরে চলমান এক সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় ঐতিহ্যের অধিকারী

বাংলা সংগীত

বাংলা সংগীত (ইংরেজি: Bangla Music) হচ্ছে প্রায় হাজার বছর ধরে ধর্মীয় ও ধর্মনিরপেক্ষ এবং এক সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় ঐতিহ্যের অধিকারী যা যা হাজার বছরের গান রচনা ও গাওয়ার ইতিহাস এবং দীর্ঘ সংস্কৃতি ধারণ করে। বাংলা ভাষায় রচিত সংগীতের এই সুবিশাল ধারাটি তার সুরের বৈচিত্র্য ও শৈলীগত বৈশিষ্ট্যের কারণে পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশ—উভয় অঞ্চলেই সমানভাবে জনপ্রিয়। এই … Read more

ভয় নেই, ভয় নেই, মরণের পাল তুলে জীবন তো আসবেই

ভয় নেই, ভয়

ভয় নেই, ভয় নেই গানটি বাংলা গণসংগীতের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কালজয়ী সৃষ্টি। গানটির কথা ও সুর দুই-ই বিখ্যাত কবি এবং সঙ্গীতজ্ঞ জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্রের। তিনি ভারতীয় গণনাট্য সংঘের (IPTA) একজন অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব ছিলেন। গানটি গেয়েছিলেন শিল্পী দেবাশীষ রায়চৌধুরী, রোহিনী রায়চৌধুরী, শুভজিৎ, সৈকত এবং অন্যান্যরা। রচনার প্রেক্ষাপট ও সময়কাল গানটি ১৯৪০-এর দশকে লেখা হয়। … Read more

মুক্তিরণের সাথী ওরে মুক্তিরণের সাথী

মুক্তিরণের সাথী

মুক্তিরণের সাথী ওরে মুক্তিরণের সাথী গানটি বাংলা গণসংগীতের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কালজয়ী সৃষ্টি। গানটির কথা ও সুর দুই-ই বিখ্যাত কবি এবং সঙ্গীতজ্ঞ জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্রের। তিনি ভারতীয় গণনাট্য সংঘের (IPTA) একজন অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব ছিলেন। রচনার প্রেক্ষাপট ও সময়কাল গানটি ১৯৪০-এর দশকে লেখা হয়। ওই সময়ে ভারতজুড়ে স্বাধীনতা আন্দোলনের তীব্রতার পটভূমিতে সাধারণ মানুষকে জাগিয়ে … Read more

এসো মুক্ত করো, মুক্ত করো অন্ধকারের এই দ্বার

এসো মুক্ত

এসো মুক্ত করো, মুক্ত করো অন্ধকারের এই দ্বার গানটি বাংলা গণসংগীতের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কালজয়ী সৃষ্টি। গানটির কথা ও সুর দুই-ই বিখ্যাত কবি এবং সঙ্গীতজ্ঞ জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্রের। তিনি ভারতীয় গণনাট্য সংঘের (IPTA) একজন অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব ছিলেন। রচনার প্রেক্ষাপট ও সময়কাল গানটি ১৯৪৩ সালে লেখা হয়। ওই সময়ে ভারতজুড়ে স্বাধীনতা আন্দোলনের তীব্রতা এবং … Read more

error: Content is protected !!