ধনঞ্জয় রায় একজন বিশিষ্ট লেখক, কবি এবং উত্তরবঙ্গ বিষয়ক প্রখ্যাত গবেষক। ১৯৫৩ সালের ১ জানুয়ারি বর্তমান বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার বড়বন্দরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বর্ণাঢ্য শিক্ষাজীবনে তিনি দিনাজপুরের গিরিজানাথ হাইস্কুল, সুন্দরী হাইস্কুল এবং নৈহাটীর ঋষি বঙ্কিম কলেজে কৃতিত্বের সাথে পড়াশোনা সম্পন্ন করেন। পেশাগত জীবনে তিনি একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক ছিলেন। এই গুণী মানুষটি ২০১০ সালের ১৩ অক্টোবর মৃত্যুবরণ করেন।
লেখক হিসেবে ধনঞ্জয় রায় ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলের কৃষক আন্দোলনের আদি ইতিহাস অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। উনিশ শতকের শেষার্ধ থেকে জমিদার ও জোতদারদের শোষণ-নিপীড়নের বিরুদ্ধে কৃষকদের যে পুঞ্জীভূত ক্ষোভ তৈরি হয়েছিল, তাঁর লেখনীতে তার সুগভীর বিশ্লেষণ পাওয়া যায়। বিশেষ করে বিশ শতকের তৃতীয় দশক থেকে শুরু হওয়া কৃষক বিক্ষোভগুলো কীভাবে বৃহত্তর গণআন্দোলনে রূপ নিল এবং রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা সেখানে কেমন ছিল, তা তিনি অত্যন্ত স্পষ্টভাবে উপস্থাপন করেছেন।[১]
গবেষক ধনঞ্জয় রায় বর্তমানে পৌন্ড্রবর্ধন ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সভাপতির দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পাক্ষিক ‘কালিয়াগঞ্জ বার্তা’ পত্রিকার সম্পাদনার কাজেও যুক্ত রয়েছেন। তার গবেষণার প্রতি গভীর অনুরাগের একটি চমৎকার দৃষ্টান্ত হলো তার লেখা ‘দিনাজপুর মালদহের মিশনারি যুগ’ বইটি, যা এই লেখক ২০১২ সালের ৩ অক্টোবর ঢাকার নীলখেতের ফুটপাত থেকে মাত্র ১০ টাকায় সংগ্রহ করেছিলেন। মূলত এই বইটি পড়ার মাধ্যমেই তার ইতিহাস সন্ধানী সত্তা সম্পর্কে জানার কৌতূহল তৈরি হয়। দিনাজপুর অঞ্চলের ইতিহাস চর্চায় তার রচিত ‘দিনাজপুর জেলার ইতিহাস’ গ্রন্থটি একটি আকর গ্রন্থ হিসেবে সুপরিচিত এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে গণ্য করা হয়।
ইতিহাস ও সমাজ গবেষণায় তাঁর অবদানের এক বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে তাঁর রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থসমূহ। তাঁর প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য বইগুলোর মধ্যে রয়েছে— ১. দিনাজপুর মালদহের মিশনারি যুগ, ২. উত্তরবঙ্গের লোকজীবন চর্চা, ৩. উত্তরবঙ্গের ধর্ম ও সমাজ সংস্কার আন্দোলন, ৪. দেবদারু বনে আগুন, ৫. প্রান্তরে নৈশ বৈরাগ্য, এবং ৬. বঙ্গদেশের উত্তরপ্রান্তীয় সাংস্কৃতিক ইতিহাসের ধারা। এছাড়া তাঁর নিপুণ সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছে— ৭. উত্তরবঙ্গের আধিয়ার বিদ্রোহ ও তেভাগা আন্দোলন, ৮. তরাই-ডুয়ার্সের শ্রমিক-কৃষক বিদ্রোহ ও তেভাগা আন্দোলন, এবং ৯. রংপুরের আধিয়ার বিদ্রোহ ও তেভাগা আন্দোলন। তাঁর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ গবেষণামূলক কাজের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— ১০. তেভাগা আন্দোলন, ১১. উত্তরবঙ্গ (উনিশ ও বিশ শতক), ১২. বিশ শতকের দিনাজপুরঃ মন্বন্তর ও কৃষক আন্দোলন এবং ১৩. দিনাজপুর জেলার ইতিহাস। এই গ্রন্থগুলো উত্তরবঙ্গের ইতিহাস ও কৃষক সংগ্রামের এক প্রামাণ্য দলিল হিসেবে স্বীকৃত।
উল্লেখ করা খুবই প্রাসঙ্গিক যে, ধনঞ্জয় রায় দুটি কবিতার বইও লিখেছিলেন। তাঁর প্রথম কবিতার বই দেবদারু বনে আগুন (১৯৭৪)। এই বইটি সম্পর্কে ব্রততী ঘোষরায় লিখেছেন, বইটি
‘এখনও আমাদের কাছে রঙমশালের মতো মনে হয়। রঙমশাল নানা রঙ বিচ্ছুরিত করে নিভে গেলেও ধনঞ্জয়ের কবিতা রঙ-রূপ নিয়ে এখনও জীবন্ত। এখনও প্রাসঙ্গিক। … তার আরও একটি কবিতার বই হচ্ছে প্রান্তরে নৈশ বৈরাগ্য। তবুও তার প্রথম কবিতা সংকলন দেবদারু বনে আগুন তাকে যেমন প্রবলভাবে পরিচিত করেছিল কবি হিসেবে, আর কোনোটি তত নয়’।[২]
তেভাগা আন্দোলন প্রসঙ্গে
ধনঞ্জয় রায়ের গবেষণার একটি বিশাল অংশ জুড়ে রয়েছে তেভাগা আন্দোলনের নির্মোহ বিশ্লেষণ। তিনি তাঁর লেখনীর মাধ্যমে মূলত উত্তরবঙ্গের অবহেলিত কৃষক ও শ্রমিক শ্রেণির আপসহীন সংগ্রামকে ইতিহাসের পাতায় জীবন্ত করে তুলেছেন। সামাজিক ও রাজনৈতিক বিবর্তনের এক সন্ধিক্ষণে উত্তরবঙ্গের দিনাজপুর, রংপুর, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও মালদহ—এই পাঁচটি জেলায় শোষিত কৃষকদের পুঞ্জীভূত আক্রোশ শেষ পর্যন্ত এক বিশাল বিদ্রোহে রূপ নেয়। তৎকালীন সময়ে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি ‘জনযুদ্ধে’র আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবেই এই আন্দোলনের সম্মুখভাগে থেকে নেতৃত্ব প্রদান করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায় এবং ভারতের রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতার ঠিক প্রাক্কালে সংঘটিত এই ঐতিহাসিক বিরোধের প্রথম পর্বটি ‘আধিয়ার বিদ্রোহ’ এবং পরবর্তী অধ্যায়টি ইতিহাসে ‘তেভাগা আন্দোলন’ নামে সুপরিচিত। যেমন তিনি ‘তেভাগা আন্দোলন’ সংকলনটি ভূমিকায় লিখেছেন:
“‘তেভাগা আন্দোলন’ সংকলনটি প্রস্তুত করার বেশ কয়েক বছর আগে ‘উত্তর বঙ্গের আধিয়ার বিদ্রোহ ও তেভাগা আন্দোলন’, ‘রংপুরের আধিয়ার বিদ্রোহ ও তেভাগা আন্দোলন’ এবং ‘তরাই ডুয়ার্সের শ্রমিক কৃষক বিদ্রোহ ও তেভাগা আন্দোলন’ নামে তিনখানি বই আমার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছিল। ওই বই তিনটি একত্রিত করে তেভাগা আন্দোলন’ নামে প্রকাশিত হল। অসুবিধার জন্য আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ননীগোপাল দাস মহন্ত-এর ‘তেভাগা আন্দোলনের ইতিকথা’, দীনেশ লাহিড়ীর ‘রংপুরের তেভাগা আন্দোলনের স্মৃতি’ ও বীরেন্দ্রকুমার নিয়োগীর আরও একটি লেখা ‘মাধব দত্ত স্মরণে এবং তেভাগার গানগুলি সে সময় প্রকাশ করতে পারিনি, ওইগুলি এ সংকলনের বাড়তি সংযােজন। ১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দে আচার্য নীহাররঞ্জন রায় ‘উত্তরবঙ্গের আধিয়ার বিদ্রোহ ও তেভাগা আন্দোলন এবং ১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দে অধ্যাপক অমলেন্দু দে ‘রংপুরের আধিয়ার বিদ্রোহ ও তেভাগা আন্দোলন’ বইয়ের জন্য ভূমিকা লিখেছিলেন। তাঁদের উভয়ের কাছে আমি ঋণী। সেই দুটি ভূমিকা বর্তমান সংকলনের প্রারম্ভে যুক্ত করা হয়েছে।”[৩]
ধনঞ্জয় রায় মূলত উত্তরবঙ্গের এক নিভৃতচারী ভূমিপুত্র, স্থানীয় ইতিহাসের একনিষ্ঠ অনুরাগী এবং জনমানুষের জীবনসংগ্রামে নিবদ্ধপ্রাণ একজন সাধারণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। উত্তরবঙ্গের কৃষক বিদ্রোহ ও গণআন্দোলনের প্রতি তাঁর গভীর আগ্রহ থেকেই তিনি এই ইতিহাসের অন্তরালে থাকা সত্যগুলো উন্মোচনে ব্রতী হন। তিনি সেই ঐতিহাসিক আন্দোলনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত থাকা ব্যক্তিবর্গের কাছে বিনীত অনুরোধ জানান—যাতে তাঁরা নিজ নিজ প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা ও দুর্লভ তথ্যগুলো লিপিবদ্ধ করে তাঁকে দেন।
তাঁর এই বিনম্র আহ্বানে সাড়া দিয়ে অনেকেই এগিয়ে আসেন এবং অমূল্য সব তথ্য প্রদান করেন। ধনঞ্জয় রায় পরম উৎসাহে ও গভীর কৃতজ্ঞতায়, নিজের কষ্টার্জিত সীমিত অর্থ ব্যয় করে এবং ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে এই ঐতিহাসিক বিবরণগুলো সংকলন ও সম্পাদনার গুরুদায়িত্ব পালন করেন। তাঁর এই নিঃস্বার্থ উদ্যোগের ফলেই আমরা আজ কৃষক আন্দোলনের এক প্রামাণ্য দলিল খুঁজে পাই।
দেশভাগের ভয়াবহ বিপর্যয়ের ফলে সে সময়কার কৃষক আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত অকুতোভয় নেতা ও কর্মীরা এমনভাবে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে পড়েছেন যে, তাঁদের অমূল্য স্মৃতিকথাগুলো সংগ্রহ করা বর্তমানে অত্যন্ত দুরূহ কাজ। অথচ তাঁদের সেই লড়াইয়ের গল্পগুলো জানতে না পারলে ‘এলিট’ বা ‘উচ্চবর্গের’ ত্যাগী মানুষের সঙ্গে ‘সাবঅলটার্ন’ বা ‘নিম্নবর্গের’ অগণিত সাধারণ মানুষের যে অভূতপূর্ব একাত্মতাবোধ ছিল, তার স্বচ্ছ প্রতিচ্ছবি পাওয়া অসম্ভব। এই গভীর সংহতি ও বিশাল ব্যাপকতা ঠিক কতটা শক্তি নিয়ে সমাজ পরিবর্তনের পথকে প্রশস্ত করেছিল, তার পূর্ণাঙ্গ ও সঠিক বিশ্লেষণের জন্য ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতানির্ভর এই স্মৃতিকথাগুলো অপরিহার্য দলিল। সংকলক শ্রীধনঞ্জয় রায় তেমনি একটি অমূল্য ও ঐতিহাসিক গ্রন্থ আমাদের উপহার দিয়ে গবেষণার এক নতুন দ্বার উন্মোচন করেছেন।
গবেষক ধনঞ্জয় রায় দীর্ঘকাল ধরে নিষ্ঠার সাথে ইতিহাস ও সমাজ সংস্কারের গবেষণায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। উত্তরবঙ্গের মাটি ও মানুষের সঙ্গে তাঁর আত্মার বন্ধন অত্যন্ত নিবিড় এবং সুগভীর। এই অঞ্চলের অবহেলিত শ্রমজীবী মানুষের গৌরবময় সংগ্রামের কাহিনীগুলো যাতে মহাকালের বিস্মৃতির গর্ভে হারিয়ে না যায়, সেজন্য তিনি নিরন্তর ও অনলস পরিশ্রম করে চলেছেন। সম্পূর্ণ নিজস্ব ও একক প্রচেষ্টায় তিনি বিভিন্ন দুর্গম অঞ্চল ঘুরে কৃষক সংগ্রামের দুষ্প্রাপ্য সব তথ্য সংগ্রহ করেছেন, যা তাঁর প্রতিটি প্রবন্ধ ও গ্রন্থে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। তাঁর এই মহৎ উদ্যোগ উত্তরবঙ্গের ইতিহাসের এক অনন্য দলিল হয়ে থাকবে।
পরিশেষে বলা যায়, ধনঞ্জয় রায় কেবল একজন লেখক বা শিক্ষক নন, বরং তিনি উত্তরবঙ্গের অবহেলিত ইতিহাসের একনিষ্ঠ পাহারাদার। তাঁর নিরলস প্রচেষ্টায় তেভাগা ও আধিয়ার বিদ্রোহের মতো গুরুত্বপূর্ণ কৃষক আন্দোলনের ইতিহাস আজ আমাদের সামনে জীবন্ত হয়ে উঠেছে। নিজের সীমিত সামর্থ্যের মধ্যে থেকেও তিনি যেভাবে শ্রমজীবী মানুষের সংগ্রামের কাহিনীগুলোকে বিস্মৃতির হাত থেকে রক্ষা করেছেন, তা ইতিহাসচর্চার ক্ষেত্রে এক অনন্য দৃষ্টান্ত। গবেষক ধনঞ্জয় রায়ের এই মহৎ সৃষ্টিগুলো আগামী প্রজন্মের কাছে উত্তরবঙ্গের সামাজিক ও রাজনৈতিক বিবর্তনের এক অমূল্য ও প্রামাণ্য দলিল হিসেবে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
আরো পড়ুন
- ইতিহাসের অদম্য গবেষক ধনঞ্জয় রায়: উত্তরবঙ্গের কৃষক ও তেভাগা আন্দোলনের একনিষ্ঠ কারিগর
- উপমহাদেশে নকশাল আন্দোলনের বিবর্তন: তাত্ত্বিক ভিত্তি ও রাজনৈতিক উত্তরাধিকার
- নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চা: বাংলাদেশের প্রগতিশীল ও সাম্যবাদী রাজনীতির ধারা
- বাংলাদেশে সাম্যবাদ হচ্ছে বিভিন্ন সংগঠনে কার্যকর বিভিন্ন পন্থার রাজনীতি
- বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো বনেদী বামপন্থী দল
- নয়াগণতান্ত্রিক গণমোর্চার ২০২৬ সালের নির্বাচনের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ
- বাংলাদেশের সংগীত হচ্ছে এই জনপদের হাজার বছরের ইতিহাস ও সংস্কৃতির প্রতিফলন
- বাংলাদেশের ইতিহাস হচ্ছে পূর্ববঙ্গের জনগণের লড়াই ও মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাস
- সমাজতন্ত্র ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অবস্থা
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস ২০২০ প্রশ্নপত্র
তথ্যসূত্র
১. অনুপ সাদি, ৯ জানুয়ারি ২০১৯, “ধনঞ্জয় রায় উত্তরবঙ্গ বিশ্লেষক একজন জনপ্রিয় লেখক”, রোদ্দুরে.কম, ঢাকা, ইউআরএল: https://www.roddure.com/biography/dhononjoi-roy/
২. ব্রততী ঘোষরায়, ‘পুড়ে যাওয়া দেবদারু বনে’, মানবেশ চৌধুরী ও মাসুদুল হক সম্পাদিত, ধনঞ্জয় রায় পাঠ ও মূল্যায়ন, দেশ পাবলিকেশন’স, ঢাকা, পৃষ্ঠা ২৭।
৩. ধনঞ্জয় রায় সম্পাদিত, তেভাগা আন্দোলন, আনন্দ পাবলিশার্স প্রা. লি. কলকাতা, পৃষ্ঠা ৮-১৩।
অনুপ সাদি বাংলাদেশের একজন লেখক ও গবেষক। তাঁর লেখা ও সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা উনিশটি। ২০০৪ সালে কবিতা গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে তিনি পাঠকের সামনে আবির্ভূত হন। ‘সমাজতন্ত্র’ ও ‘মার্কসবাদ’ তাঁর দুটি পাঠকপ্রিয় প্রবন্ধ গ্রন্থ। সাহিত্য ও রাজনীতি বিষয়ে চিন্তাশীল গবেষণামূলক লেখা তাঁর আগ্রহের বিষয়।