উইকিমিডিয়া আন্দোলনে আমার এক যুগ: অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক কার্যক্রমের খতিয়ান

‘উইকিপিডিয়া কী?’—এই প্রশ্নের এককথায় উত্তর হলো, এটি একটি অনলাইন বিশ্বকোষ। এর সাথে ‘উইকিমিডিয়া’ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এই অনলাইন বিশ্বকোষটি মূলত বিশ্বজুড়ে জ্ঞানভিত্তিক একটি সহযোগিতামূলক যৌথ প্রয়াস। এর মূল লক্ষ্য হলো পৃথিবীর সমস্ত মানুষের কাছে বিনামূল্যে তথ্যসমৃদ্ধ কনটেন্ট বা বিষয়বস্তু পৌঁছে দেওয়া। ‘উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশন’ নামক অলাভজনক সংস্থার বিভিন্ন প্রকল্প, আঞ্চলিক চ্যাপ্টার এবং সার্বিক সহায়তামূলক কাঠামোর মাধ্যমে উইকিপিডিয়া এমন একটি পৃথিবী গড়ে তোলার চেষ্টা করছে, যেখানে প্রতিটি মানুষ অত্যন্ত উদারভাবে যেকোনো ধরনের জ্ঞান একে অপরের সাথে ভাগ করে নিতে পারে।

উইকিমিডিয়া প্রকল্পসমূহ ও অবদান রাখার পদ্ধতি

উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশন ইন্টারনেট-ভিত্তিক বেশ কিছু সমন্বিত উইকি-প্রকল্প পরিচালনা করে। এর মধ্যে রয়েছে উইকিপিডিয়া, উইকিঅভিধান (Wiktionary), উইকিউক্তি (Wikiquote), উইকিবই (Wikibooks), উইকিসংকলন (Wikisource), উইকিভ্রমণ (Wikivoyage), উইকিউপাত্ত (Wikidata), উইকিমিডিয়া কমন্স (Wikimedia Commons), মেটা-উইকি (Meta-Wiki) সহ আরও অনেক প্রকল্প। উপর্যুক্ত প্রকল্পগুলোতে আপনার মতো যেকোনো সাধারণ মানুষ অবদান রাখতে পারেন। যেকোনো প্রকল্পে অবদান রাখার অর্থই হলো সকলের জন্য জ্ঞানকে উন্মুক্ত করা। আপনি যদি এই উইকিমিডিয়া প্রকল্পগুলোতে যুক্ত হতে চান, তবে প্রথমে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করে নিতে হবে। অ্যাকাউন্ট খোলার প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ; যেকোনো প্রকল্পের যেকোনো পাতায় গিয়ে ‘নতুন অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন’ অপশনটি খুঁজে বের করতে হবে এবং সেখানে নিজের ইমেল ও পাসওয়ার্ড প্রদান করতে হবে। ব্যস, এতটুকুই! এবার অবদান রাখা শুরু করুন এবং সবার মাঝে জ্ঞান ছড়িয়ে দিন।

বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর সাথে কাজ ও মিটআপের সমন্বয়

গত ১০ বছরে আমি বিভিন্ন জাতি ও জনগোষ্ঠীর স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে কাজ করেছি। আমার নিজের দেশে আমি বাংলা উইকিপিডিয়ানদের পাশাপাশি সাঁওতালি উইকিপিডিয়ানদের সাথেও কাজ করেছি। মাঠপর্যায়ে সাক্ষাতপর্ব বা মিটআপের জন্য যখনই আমি পর্যাপ্ত সময় পাই, তখনই আমি সেসব মিটআপের আয়োজন করি এবং সেখানে অংশগ্রহণ করি। মিটআপের সময় ও তারিখ নির্ধারণের জন্য আমি উইকিপিডিয়ার বিভিন্ন সম্প্রদায়ের আলোচনা পাতায় অনুরোধ জানাই। এছাড়া যেসব ছোটখাটো সমস্যা বা অভিজ্ঞতা খুব দ্রুত সমাধান ও শেয়ার করা সম্ভব, সেগুলোর জন্য আমি আমার ব্যক্তিগত ফেসবুক পোস্ট এবং বাংলা উইকিপিডিয়া ফেসবুক ইউজার গ্রুপ ব্যবহার করে থাকি।

আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ

২০১৬ সালের ‘উইকি কনফারেন্স ইন্ডিয়া’র একজন অংশগ্রহণকারী হিসেবে, ২০১৬ সালের ৫ আগস্ট চণ্ডীগড়ের মোহালিতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে আমি অংশ নিই এবং সেখানে উপস্থিত বাংলা উইকিমিডিয়া সম্প্রদায়ের মিটআপে আমার অভিজ্ঞতা বিনিময় করি। পরবর্তীতে নেপালে অনুষ্ঠিত ‘উইকিক্যাম্প নেপাল ২০১৮’-তে আমি নিবন্ধের গভীরতা বা ‘আর্টিকেল ডেপথ’ (Article Depth) বিষয়ে বক্তব্য রাখি। সে সময় আমি উইকিপিডিয়ার সহায়তামূলক পাতা বা নিবন্ধ-বহির্ভূত পাতাগুলোর (NonArticles pages) গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করি। এছাড়াও ২০১৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর নেপালের কাঠমান্ডুতে আয়োজিত ‘উইকি ইভেন্টস ফেলিসিটেশন প্রোগ্রাম’-এ আমি আমার অভিজ্ঞতাগুলো সবার সামনে তুলে ধরি।

উইকিমিডিয়া শিক্ষা কার্যক্রম ও মাঠপর্যায়ের কাজ

আমি ২০১৯ সালের ২০-২২ জুনে ভারতের ব্যাঙ্গালোরে অনুষ্ঠিত ‘উইকিমিডিয়া শিক্ষা সার্ক (SAARC) কনফারেন্সে’ যোগ দিয়েছিলাম। সেই সম্মেলনে আমি গ্ল্যাম (GLAM – Galleries, Libraries, Archives, and Museums) এবং শিক্ষা বিষয়ক কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করি ও নতুন অনেক কিছু জানতে পারি। ওই সম্মেলন থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই আমি বাংলাদেশে উইকিপিডিয়া শিক্ষা প্রোগ্রাম (Education Program) শুরু করার উদ্যোগ নিই। এর পাশাপাশি আমি উইকিমিডিয়া কমন্সে ২,৭০০-এর বেশি ছবি আপলোড করেছি। কমন্স ও উইকিপিডিয়ার পাতায় ছবি যুক্ত করার তাগিদে আমি বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের বহু অঞ্চল ভ্রমণ করেছি। আমার কাছে সহযোগিতামূলক কাজ মানেই হলো বহুমাত্রিক উপায়ে অসংখ্য কাজের এক চমৎকার সমন্বয়।

সাংস্কৃতিক বিনিময়, নেতৃত্ব ও পরিবেশগত সচেতনতা

আমি মনে করি, যেকোনো সম্মেলনে অংশগ্রহণ আমার জন্য একটি স্মরণীয় ইতিবাচক প্রভাব এবং কাজের দারুণ অভিজ্ঞতা তৈরি করে। এর ফলে হওয়া সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং সম্প্রদায়ের নেতৃত্ব প্রদানের সক্ষমতা বৃদ্ধি আমাকে ব্যক্তিগতভাবে অনেক সাহায্য করেছে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমার এই উপস্থিতি আমার নিজস্ব উইকিপিডিয়া সম্প্রদায়ের ওপরও একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। আমি উইকিউপাত্তে (Wikidata) বিভিন্ন উদ্ভিদ, প্রাণী এবং নদীর তথ্য যুক্ত করার সুনির্দিষ্ট নিয়মাবলি জানি এবং অন্যদের সাথেও এই প্রক্রিয়াটি ভাগ করে নিতে পারি। উন্মুক্ত জ্ঞানচর্চা ও পরিবেশগত টেকসই উন্নয়নের মধ্যে যে নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে, তা আমি গভীরভাবে উপলব্ধি করি। পরিবেশ সচেতনতার একজন একনিষ্ঠ পাঠক ও কর্মী হিসেবে, আমি প্রকৃতি সংরক্ষণের বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে পারি। প্রকৃতির কোনো ক্ষতি না করেই উইকিমিডিয়া আন্দোলনের অংশ হিসেবে কীভাবে আলোকচিত্র ধারণ করা যায়, সেই কৌশলও আমি সবার সাথে শেয়ার করতে সক্ষম।

অভিজ্ঞতা বিনিময় ও অন্যের ওপর ইতিবাচক প্রভাব

আমি যখন অন্যান্য মানুষের সাথে আমার কাজের অভিজ্ঞতাগুলো শেয়ার করার সুযোগ পাই, তখন তা অন্যদের কাজের প্রক্রিয়াকেও গতিশীল করতে সাহায্য করে। বাংলা উইকিপিডিয়ায় একটি ইতিবাচক ফলাফল তৈরি করতে আমি আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। আমি বিশ্বাস করি, আমার এই কাজ অন্যদের ওপরও একটি ভালো প্রভাব ফেলে; আর এই ধরনের অভিজ্ঞতার কথাই আমার সহকর্মী ও অন্যান্যরা বিভিন্ন সময় আমার উইকিপিডিয়া অবদানের ওপর লিখতে গিয়ে প্রকাশ করেছেন।

হোম উইকি এবং প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব

আমার হোম উইকি (মূল কার্যক্ষেত্র) হলো বাংলা উইকিপিডিয়া। দীর্ঘ ১১ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমি উইকিপিডিয়ায় নিবন্ধ সম্পাদনা, ছবি যুক্ত করা, বিষয়শ্রেণী বা ক্যাটাগরি তৈরি এবং বিভিন্ন এসইও ও কারিগরি টুলস ব্যবহারের কাজ করে আসছি। আমি অনলাইন এবং অফলাইন উভয় মাধ্যমেই উইকিমিডিয়ার অন্যান্য প্রকল্পের সাথে যুক্ত রয়েছি। এই দীর্ঘ সময়ে আমি বিভিন্ন উইকি-প্রতিযোগিতা, এডিটাথন এবং ডাটাথনে অংশ নিয়েছি ও সেগুলোর আয়োজন করেছি। বাংলা উইকিপিডিয়ায় আমি এ পর্যন্ত ১,৬০০-এর বেশি নতুন নিবন্ধ তৈরি করেছি; যার মধ্যে বিভিন্ন বিখ্যাত ব্যক্তির জীবনী, পরিবেশগত সমস্যা, উদ্ভিদ ও প্রাণীজগৎ এবং নদীসহ বিবিধ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়াও আমি কমন্সে ৫,৪০০-এর বেশি ছবি আপলোড করেছি। আমি উইকিমিডিয়া বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের একজন নিয়মিত সদস্য। একই সাথে আমি উইকিমিডিয়া বাংলাদেশের স্থানীয় আঞ্চলিক শাখা “ময়মনসিংহ উইকিপিডিয়া সম্প্রদায়”-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সহ-সমন্বয়ক (Deputy-coordinator) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি।

মিউজিয়ামস অব সাউথ এশিয়া প্রজেক্ট

আমি ‘মিউজিয়ামস অব সাউথ এশিয়া প্রজেক্ট’ (Museums of South Asia Project)-এর মূল উদ্যোক্তা ও সংগঠক। এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন জাদুঘরের ছবি উইকিমিডিয়া কমন্সে আপলোড করা এবং একই সাথে ২০০-এর বেশি জাদুঘরের নতুন নিবন্ধ তৈরি ও বিদ্যমান নিবন্ধগুলো সম্পাদনা করা। আমরা আমাদের এই প্রকল্পে নতুন কন্ট্রিবিউটর বা অবদানকারীদের যুক্ত হতে উৎসাহিত করছি। এই প্রকল্পের অধীনে আমি ইতিমধ্যে একটি প্রাতিষ্ঠানিক ফটোওয়াকের আয়োজন করেছি এবং আগামী বছরগুলোতে আরও ১০টির বেশি ফটোওয়াক আয়োজনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি। বর্তমানে আমি বাংলাদেশের ৩টি জাদুঘর নিয়ে কাজ করব, যার অংশ হিসেবে ইতিমধ্যেই ব্যবহারকারী ‘ডোলন প্রভা’ (Dolon Prova) এবং আমি যৌথভাবে বাংলাদেশের ‘দিনাজপুর মিউজিয়াম’ নিয়ে কাজ শুরু করেছি।

দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিজম

বর্তমানে বাংলাদেশ, ভারত ও নেপাল থেকে অসংখ্য অবদানকারী আমাদের সাথে যুক্ত হচ্ছেন। আমি নিজে বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের বহু জাদুঘর পরিদর্শন করেছি। সেখান থেকে আমি বিভিন্ন ঐতিহাসিক ছবি ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহ করেছি এবং সেগুলো উইকিমিডিয়া কমন্সে যুক্ত করার কাজ শুরু করেছি। গত ২৫ জুন আমরা দিনাজপুর মিউজিয়ামে এই প্রকল্পের একটি সফল ফটোওয়াক সম্পন্ন করেছি এবং সেখান থেকে সংগৃহীত দিনাজপুর জাদুঘরের মোট ১২০টি ছবি কমন্সে আপলোড করা হয়েছে। আমরা এই জাদুঘরের পরিচালকের সাথে একটি ফলপ্রসূ বৈঠকও করেছি। এই প্রকল্পটি নিয়ে আমরা অত্যন্ত আশাবাদী, কারণ ইতিমধ্যেই আমাদের হাত ধরে ১,৫০০-এরও বেশি ছবি কমন্সে আপলোড করা হয়েছে। একজন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট হিসেবে, উইকিপিডিয়া সম্পাদনা ও এর সঠিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সহায়ক হয় এমন নিজস্ব মতামত ও পরামর্শ প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এর ফলে অনলাইন পাঠকেরা উইকিপিডিয়া সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পাবেন, যা আমার হোম উইকিতে পাঠক এবং ব্যবহারকারীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করবে।

ডকুমেন্টেশন ও অফলাইন সমন্বয়

আমি আমার উইকিপিডিয়া সম্প্রদায়ের বিভিন্ন অনলাইন ও অফলাইন কার্যক্রমের বিবরণী রাখার জন্য bd.wikimedia.org ওয়েবসাইটে বিভিন্ন পাতা তৈরি করেছি। সম্প্রদায়ের মূল পাতায় আমি আমার কাজের সমস্ত নথিপত্র, যেমন: ছবি, নতুন পাতা এবং কাজের প্রতিবেদন বা রিপোর্ট নিয়মিত যুক্ত করি। তদুপরি, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সভা কিংবা উইকিমিডিয়া বাংলাদেশের চ্যাপ্টার মিটিংগুলোতে অংশগ্রহণের সময় আমি মৌখিকভাবে আমার অভিজ্ঞতাগুলো সবার সাথে শেয়ার করি। অফলাইন মিটআপ বা বিভিন্ন ঘরোয়া আড্ডার (Table talks) সময়ও আমি সম্প্রদায়ের সবার সাথে আমার নতুন আইডিয়া ও চিন্তাভাবনাগুলো নিয়ে আলোচনা করি।

গণমাধ্যম সংযোগ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উইকি আন্দোলন

উইকিপিডিয়া সম্প্রদায়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের খবর যখন বাংলাদেশের জাতীয় সংবাদপত্র এবং শীর্ষস্থানীয় ওয়েবসাইটগুলোতে প্রকাশিত হয়, তখন আমি সাধারণত সেই নিউজের লিংকগুলো আমার ব্যক্তিগত সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে শেয়ার করি। প্রাথমিক যোগাযোগ এবং নতুন আইডিয়া শেয়ার করার জন্য আমি মূলত ফেসবুক, মেসেঞ্জার, টেলিগ্রাম এবং হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে থাকি। আমি আমার মেটা টাইমলাইনে (Meta timeline) এই সমস্ত যোগাযোগের লিংক যুক্ত করেছি। সাধারণত প্রতিটি প্রোগ্রাম বা সম্মেলন শেষ করে আসার পর আমি আমার ব্লগে অভিজ্ঞতা নিয়ে বিস্তারিত পোস্ট করি। এছাড়া বিভিন্ন অনলাইন কল এবং সম্প্রদায়ের নিয়মিত মিটআপের সময়ও আমি আমার অভিজ্ঞতাগুলো সবার সামনে তুলে ধরি। এর পাশাপাশি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে উইকিমিডিয়া আন্দোলনকে ছড়িয়ে দিতে এবং শিক্ষার্থীদের এই মহৎ কাজে উৎসাহিত করতে আমি বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত সচেতনতামূলক প্রোগ্রামের আয়োজন করে থাকি।

আরো পড়ুন

তথ্যসূত্র ও টিকা (References & Notes)

  • উৎস ও প্রকাশের ইতিহাস:
    • এই নিবন্ধটি মূলত লেখকের ব্যক্তিগত দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময়ের (২০১২–২০২৬) উইকিমিডিয়া আন্দোলনের মাঠপর্যায়ের বাস্তব অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক কাজ ও পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে রচিত হয়েছে।
    • এটি সর্বপ্রথম ১৮ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে জ্ঞানভিত্তিক ওয়েবসাইট রোদ্দুরে.কমে (roddure.com) মূল নিবন্ধ হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল।
  • বর্তমান সংস্করণ ও হালনাগাদ: লেখকের মূল স্বর, সুনির্দিষ্ট উপাত্ত, প্রাতিষ্ঠানিক পরিভাষা ও ভাষার গভীরতা সম্পূর্ণ অক্ষুণ্ণ রেখে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রাতিষ্ঠানিক প্রবন্ধের রূপ দিয়ে আজ ২২ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ফুলকিবাজ.কমে (fulkibaz.com) এটি পুনরায় পরিমার্জিত ও হালনাগাদ (Updated) করা হলো।
  • রচনাকাল ও স্থান: প্রবন্ধটি মূল লেখক কর্তৃক ১৮ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে নেত্রকোণার কুরপাড়ে অবস্থানকালীন সময়ে রচিত হয়েছিল।

Leave a Comment