রাত্রি — ওলে সোয়েঙ্কা

আমার কপালে, রাত্রি, তোমার ভারী হাত।
আমি মেঘের মতো পারদ হৃদয় সহ্য করি না,
তোমার সূক্ষ্ম কর্ষণকে অধিক জটিল করবার সাহসও করি না।

নারী যেন এক ঝিনুক, সমুদ্রের ধারে আধেক চাঁদ।
আমি দেখলাম তোমার ঈর্ষান্বিত চোখ সমুদ্রের আলোক বিচ্ছুরণ
নিভিয়ে ফেলছে, অবিরাম নাচছে

তরঙ্গের নাড়ি। এবং আমি দাঁড়ালাম,
শিকড়ে ফিরে যাওয়া সমর্পিত নিষ্কাশিত
বালি, রক্ত ও নুনের মতো। রাত্রি, তুমি বৃষ্টির মতো ঝরাও

খাঁজকাটা ছায়াগুলোকে স্যাঁতস্যাঁতে পাতার মধ্য দিয়ে
যতক্ষণ পর্যন্ত না, তোমার চিত্রিত কুঠুরির উষ্ণ ধারায় সিক্ত
মুখহীন, রাতের চোরদের মতো নীরব সংবেদনগুলি
আমাকে বেদনা দেয়।
আমাকে লুকাও এখন, যখন রাতের শিশুরা পৃথিবীতে তাড়া করে
আমাকে কিছু শুনতে হবে না! এই কুয়াশাজড়ানো কুঠুরি
আমাকে ফিরিয়ে নেবে; নগ্ন, স্বতঃস্ফূর্তভাবে, রাতের নিঃশব্দ জন্মে।

অনুবাদ: অনুপ সাদি

আরো পড়ুন:  পাবলো নেরুদার কবিতা প্রেম, প্রকৃতি, রাজনীতি এবং শ্রমিক ও কৃষককে তুলে ধরে

Leave a Comment

error: Content is protected !!