মার্কাস টুলিয়াস সিসেরো: প্রাচীন রোমের সর্বশ্রেষ্ঠ বাগ্মী ও প্রজাতন্ত্রের শেষ বীর

রোমের ক্যাপিটোলাইন মিউজিয়ামে সংরক্ষিত প্রথম শতাব্দীর মার্বেল পাথরে খোদাই করা রোমান বাগ্মী মার্কাস টুলিয়াস সিসেরোর আবক্ষমূর্তি

প্রাচীন রোমের ইতিহাসে সিসেরো নামে খ্যাত মার্কাস টুলিয়াস সিসেরো (Marcus Tullius Cicero) ইতালির আরপিনামে (Arpinum) খ্রিস্টপূর্ব ১০৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন। রোমের প্রজাতান্ত্রিক আমলের ক্রান্তিলগ্নে সিসেরো প্রজাতন্ত্রের আদর্শ অক্ষুণ্ণ রাখার এক নিরলস অথচ ব্যর্থ সংগ্রাম করেন। খ্রিস্টপূর্ব ৪৪ সালে প্রজাতন্ত্রের পতনের ফলে গৃহযুদ্ধের অবসান হয়। আধুনিককালে সিসেরো সর্বশ্রেষ্ঠ রোমান বাগ্মী এবং ধ্রুপদী অলঙ্কারপূর্ণ বক্তৃতার (Rhetoric) তত্ত্ব ও প্রয়োগের অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে স্বীকৃত। … Read more

নাইবা ঘুমালে প্রিয় রজনী এখনো বাকি: কালজয়ী এই গানের পেছনের গল্প ও লিরিক্স

নাইবা ঘুমালে প্রিয় গানের কথা অনুযায়ী এক জ্যোৎস্নাস্নাত রাতে জানালা দিয়ে আকাশের চাঁদের দিকে তাকিয়ে থাকা এক বিষণ্ণ নারীর প্রতিচ্ছবি।

নাইবা ঘুমালে প্রিয়, রজনী এখনো বাকি, প্রদীপ নিভিয়া যায়, শুধু জেগে থাক্ তব আঁখি—এটি প্রখ্যাত গীতিকার প্রণব রায়ের লেখা একটি কালজয়ী আধুনিক বাংলা গান। প্রায় ১০ লাইনের এই নাতিদীর্ঘ প্রেমের গানটিতে সুরারোপ করেছিলেন প্রথিতযশা সুরকার সুবল দাশগুপ্ত। গানটি প্রথম রেকর্ডিংয়ে কণ্ঠ দিয়েছিলেন কিংবদন্তি শিল্পী কে এল সায়গল। পরবর্তীতে শিল্পী অনুপ ঘোষাল, কুমার শানু, অমিত পাল, … Read more

তব মুখখানি খুঁজিয়া ফিরি গো সকল ফুলের মুখে: গানটির ইতিহাস ও অজানা তথ্য

তব মুখখানি খুঁজিয়া ফিরি' গানের প্রেক্ষাপটে একটি জলরঙের চিত্র, যেখানে জ্যোৎস্না রাতে বাগানে বসে সাদা শাড়ি পরা এক নারী চিঠি লিখছেন এবং চারপাশে সাদা ফুল ও বিরহের আবহ ফুটে উঠেছে।

‘তব মুখখানি খুঁজিয়া ফিরি গো সকল ফুলের মুখে, ফুল ঝরে যায় তব স্মৃতি জাগে’—এটি বাংলা আধুনিক গানের স্বর্ণযুগের এক অমর সৃষ্টি। ১৯৪১ সালে প্রথম রেকর্ড হওয়া এই কালজয়ী গানটিতে সুরারোপ করেন এবং কণ্ঠ দেন কিংবদন্তি শিল্পী কমল দাশগুপ্ত। ১৪ লাইনের এই বিরহী প্রেমের গানটি দাদরা তালে নিবদ্ধ, যা আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে এক বিশেষ স্থান দখল … Read more

জীবনে যারে তুমি দাওনি মালা: বিরহ ও না পাওয়ার এক কালজয়ী গান

জীবনে যারে তুমি দাওনি মালা গানের প্রতীকী চিত্র—ব্যর্থ প্রেম ও বিরহী স্মৃতির এক বিষাদময় দৃশ্য।

জীবনে যারে তুমি দাওনি মালা, মরণে কেন তারে দিতে এলে ফুল হচ্ছে প্রণব রায়ের লেখা একটি আধুনিক বাংলা গান। গানটির প্রথম রেকর্ডিং-এ সুরকার ছিলেন শৈলেশ দাশগুপ্ত এবং শিল্পী ছিলেন সন্তোষ সেনগুপ্ত। প্রণব রায়ের কালজয়ী এই গানটি কেবল প্রেমের ব্যর্থতার গান নয়, এটি সময়ের চাকা ঘুরে যাওয়া এক চরম সত্যের বহিঃপ্রকাশ। গানটির প্রতিটি ছত্রে লুকিয়ে আছে … Read more

রাজনৈতিক সমাজসংস্কারক হিসেবে বেগম রোকেয়া: একটি বিশ্লেষণ

বেগম রোকেয়ার অর্ধাঙ্গী প্রবন্ধের প্রতীকী চিত্র

একজন রাজনৈতিক নেতার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে সমাজের বিভিন্ন অসঙ্গতি সম্পর্কে বুঝতে পারা, উপলব্ধি করা এবং সমাজের অসঙ্গতিগুলো দূর করার জন্যে চিন্তা ও কাজ করা। বেগম রোকেয়া শুধু একজন লেখক? একজন সমাজ সংস্কারক? একজন আলোকবর্তিকা? বেগম রোকেয়া পাঠ এবং তাঁর কৃতি ও কীর্তি পর্যালোচনা করলে বোঝা যায় তিনি একজন অঘোষিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। কারণ, রাজনৈতিক নেতার কাজই হচ্ছে … Read more

জুলিয়াস সিজার হত্যাকাণ্ড: রোমান প্রজাতন্ত্রের পতন ও এক ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র

ভিনসেঞ্জো কামুচ্চিনি (Vincenzo Camuccini)-র আঁকা "দ্য ডেথ অফ জুলিয়াস সিজার" (১৮০৬)

প্রাচীন রোমের রাজনৈতিক বিবর্তন ও ক্ষমতার পালাবদলের ইতিহাসে খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতক এক অত্যন্ত সংকটময় ও কৌতূহলোদ্দীপক অধ্যায়। রোমান প্রজাতন্ত্রের চিরায়ত গণতান্ত্রিক কাঠামো যখন অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও সামরিক উচ্চাভিলাষের চাপে ভেঙে পড়ছিল, ঠিক তখনই ইতিহাসের মঞ্চে আবির্ভাব ঘটে গেইয়াস জুলিয়াস সিজারের। সামরিক সাফল্য, প্রথম ত্রয়ীশাসন এবং পম্পের সাথে রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধের পথ ধরে সিজার রোমের একচ্ছত্র অধিপতি … Read more

ইতিহাসের অদম্য গবেষক ধনঞ্জয় রায়: উত্তরবঙ্গের কৃষক ও তেভাগা আন্দোলনের একনিষ্ঠ কারিগর

গবেষক ধনঞ্জয় রায়ের বই উত্তরবঙ্গের লোকজীবন চর্চা, দিনাজপুর জেলার ইতিহাস।

ধনঞ্জয় রায় একজন বিশিষ্ট লেখক, কবি এবং উত্তরবঙ্গ বিষয়ক প্রখ্যাত গবেষক। ১৯৫৩ সালের ১ জানুয়ারি বর্তমান বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার বড়বন্দরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বর্ণাঢ্য শিক্ষাজীবনে তিনি দিনাজপুরের গিরিজানাথ হাইস্কুল, সুন্দরী হাইস্কুল এবং নৈহাটীর ঋষি বঙ্কিম কলেজে কৃতিত্বের সাথে পড়াশোনা সম্পন্ন করেন। পেশাগত জীবনে তিনি একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক ছিলেন। এই গুণী মানুষটি ২০১০ সালের ১৩ … Read more

বলেছিলে তুমি তীর্থে আসিবে আমার তনুর তীরে: গানটির সঠিক গীতিকার ও ভাবার্থ

গোধূলি বেলায় নদীর ঘাটে সাদা-লাল শাড়িতে বিষণ্ণ এক নারী প্রতীক্ষারত, "বলেছিলে তুমি তীর্থে আসিবে" গানের বিরহী আবহ প্রকাশ করছে।

“বলেছিলে তুমি তীর্থে আসিবে আমার তনুর তীরে”—প্রণব রায়ের লেখা এই আধুনিক বাংলা গানটি বিরহ আর আকুলতার এক অনন্য দলিল। ১০ লাইনের এই মাঝারি দৈর্ঘ্যের গানটি মূলত প্রেমের এক গভীর প্রশস্তি। নিজের অস্তিত্বকে ভালোবাসার মানুষের কাছে সম্পূর্ণ সমর্পণ করার যে আর্তি এখানে ফুটে উঠেছে, তা সত্যিই হৃদয়স্পর্শী। গানটির আদি সুরকার ছিলেন কমল দাশগুপ্ত। কণ্ঠশিল্পী ছিলেন জগন্ময় … Read more

বঙ্গবাণী ও কবি আবদুল হাকিম: মাতৃভাষা প্রেমের এক অনন্য ইতিহাস

সপ্তদশ শতাব্দীর মধ্যযুগীয় বাঙালি কবি আবদুল হাকিমের একটি কাল্পনিক প্রতিকৃতি, যেখানে তাঁকে বই ও পালকের কলম হাতে কাব্যচর্চায় মগ্ন অবস্থায় দেখা যাচ্ছে এবং জানালার বাইরে সন্দ্বীপের মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য দৃশ্যমান।

সামন্ত যুগের বিশিষ্ট কবি আবদুল হাকিম (আনু. ১৬২০-১৬৯০ খ্রি.) চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের সুধারাম গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। সপ্তদশ শতাব্দীর শেষভাগে তিনি একজন জনপ্রিয় কবি হিসেবে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন। সমকালে ধর্ম-নির্ভর কাব্যচর্চার ব্যাপক প্রচলন থাকলেও, তাঁর রচনায় গভীর দেশপ্রেম ও মাতৃভাষার প্রতি অকৃত্রিম মমত্ববোধ ফুটে উঠেছে। এ পর্যন্ত তাঁর আটটি কাব্যগ্রন্থের সন্ধান পাওয়া গেছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য … Read more

রাষ্ট্র ও বিপ্লব: অধ্যায় ১ (১) — রাষ্ট্র হলো শ্রেণি-বিরোধের অমীমাংসেয়তার ফল

ভি. আই. লেনিনের একটি মডার্ন ইলাস্ট্রেশন যেখানে পেছনে একদল শ্রমজীবী মানুষ ও কলকারখানা দেখা যাচ্ছে এবং নিচে একটি বক্সে ‘রাষ্ট্র ও বিপ্লব’ বই থেকে নেওয়া তার একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক উদ্ধৃতি বাংলায় লেখা রয়েছে।

নিপীড়িত শ্রেণিগুলির মুক্তির সংগ্রামে তাদের চিন্তাগুরু ও নায়কদের মতবাদের ক্ষেত্রে ইতিহাসে একাধিকবার যা ঘটেছে, বর্তমানে তাই ঘটছে মার্কসের মতবাদ নিয়েও। মহাবিপ্লবীদের জীবদ্দশায় উৎপীড়কেরা তাঁদের ওপর অবিরাম নিগ্রহ চালিয়েছে, তাঁদের মতবাদকে আক্রমণ করেছে অতি হিংস্র বিদ্বেষে, অতি ক্ষিপ্ত ঘৃণায় এবং মিথ্যা ও কুৎসার অতি বেপরোয়া অভিযানে। মৃত্যুর পর চেষ্টা হয়েছে তাঁদের পরিণত করতে নিরীহ দেবপটে, স্থান … Read more

ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য ও সাংস্কৃতিক বিউপনিবেশায়ন: হেনরিক ইবসেন, চিনুয়া আচেবে ও নগুগি ওয়া থিয়ঙ্গোর সাহিত্যিক দর্শন

ব্যক্তিগত এবং সাংস্কৃতিক বি-উপনিবেশীকরণের একটি ইলাস্ট্রেশন, যেখানে হেনরিক ইবসেনের 'এ ডলস হাউস' থেকে নোরার মুক্তি এবং আফ্রো-এশীয় আদিবাসী জ্ঞান ও মৌখিক ইতিহাসের মাধ্যমে জাতীয় মানস জাগরণ চিত্রিত হয়েছে।

বিশ্বসাহিত্যের বিবর্তনের ইতিহাসে শৃঙ্খল মুক্তির আখ্যানগুলো সবসময়ই মানবচেতনার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। এই শৃঙ্খল কখনো ব্যক্তিগত ও সামাজিক, আবার কখনো তা জাতীয় ও রাজনৈতিক। হেনরিক ইবসেনের ‘এ ডলস হাউস’-এর মধ্য দিয়ে যে ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদী লড়াইয়ের শুরু, তার পূর্ণতা আমরা দেখতে পাই চিনুয়া আচেবে বা নগুগি ওয়া থিয়ঙ্গোর উত্তর-ঔপনিবেশিক ও বিউপনিবেশায়ন (Decolonization) তত্ত্বের মাঝে। এই … Read more

উত্তর-ঔপনিবেশিক সাহিত্য ও রাজনৈতিক প্রতিরোধ: আচেবে থেকে অরুন্ধতী রায়

সাংস্কৃতিক প্রতিরোধ ও উত্তর-ঔপনিবেশিক সাহিত্যের একটি ইলাস্ট্রেশন, যেখানে অরুন্ধতী রায় এবং চিনুয়া আচেবেকে তাঁদের বই হাতে প্রতিবাদী ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে দেখানো হয়েছে।

বর্তমান বিশ্বসাহিত্যের আঙিনায় ইংরেজি সাহিত্যের অবস্থান কেবল ভাষা বা ছন্দের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সাম্রাজ্যবাদী ইংল্যান্ডের পতনের পর অনেকেই মনে করেছিলেন এই সাহিত্যের রাজনৈতিক গুরুত্ব হয়তো ফুরিয়ে যাবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। বিশেষ করে আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন মুক্তিকামী ও প্রতিবাদী জনপদ থেকে উঠে আসা সাহিত্যের মধ্য দিয়ে উত্তর-ঔপনিবেশিক (Post-colonial) সময়ে এটি এক নতুন … Read more

রাষ্ট্র ও বিপ্লব: অধ্যায় ৩ (৫) — পরগাছা রাষ্ট্রের উচ্ছেদ

লেনিন এবং প্যারিস কমিউন গড়ারত শ্রমিকদের একটি লাল ও কালো রঙের বিপ্লবী পোস্টার ইলাস্ট্রেশন, যেখানে শ্রমের অর্থনৈতিক মুক্তির বাংলা উদ্ধৃতি রয়েছে।

আমরা আগেই মার্কসের সংশ্লিষ্ট কথাগুলি তুলে দিয়েছি, তার সম্পূরণ করা উচিত। মার্কস লেখেন, ‘….নতুন ঐতিহাসিক সৃষ্টির একটা সাধারণ ভাগ্য এই হয় যে, সমাজজীবনের সাবেকী এমনকি অপ্রচলিত যে রূপগুলোর সঙ্গে নতুন প্রতিষ্ঠানগুলির কিছুটা সাদৃশ্য থাকে, তাদেরই সমগোত্রীয় বলে তাদের ধরা হয়। এইভাবে সাম্প্রতিক রাষ্ট্রযন্ত্রকে যা ভাঙছে (bricht — ভেঙে ফেলছে) সেই কমিউনকেও ধরা হলো মধ্যযুগীয় কমিউনের … Read more

রাষ্ট্র ও বিপ্লব: অধ্যায় ৩ (৪) — জাতীয় ঐক্যের সংগঠন

ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিনের আধুনিক ইলাস্ট্রেশন যেখানে 'রাষ্ট্র ও বিপ্লব' বইয়ের উদ্ধৃতিসহ প্রলেতারীয় কমিউন গঠন এবং বুর্জোয়া রাষ্ট্রযন্ত্র ধ্বংসের রূপক দৃশ্য ফুটে উঠেছে।

‘…জাতীয় সংগঠনের যে সংক্ষিপ্ত রূপরেখাটাকে আরো বিকশিত করে তোলার সময় কমিউনের ছিল না, তার মধ্যেই সুস্পষ্ট করে বলা আছে যে কমিউনকেই হতে হবে… সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম গ্রামটিরও রাজনৈতিক রূপ…’ কমিউন থেকেই  নির্বাচিত হওয়ার কথা ছিল প্যারিসে ‘জাতীয় প্রতিনিধিমন্ডলীর’। ‘…কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে অল্পসংখ্যক কিন্তু অতি গুরুত্বপূর্ণ কাজ তখনো রয়ে গেল, সেগুলো খারিজ করার কথা ছিল না—ইচ্ছাকৃত জালিয়াতিতে … Read more

রাষ্ট্র ও বিপ্লব: অধ্যায় ৩ (৩) — পার্লামেন্ট প্রথার বিলোপ

পার্লামেন্ট প্রথার বিলোপ সম্পর্কে ভ্লাদিমির ইলিচের বিশ্লেষণ

মার্কস লেখেন: ‘কমিউনকে হতে হতো পার্লামেন্টি নয়, কাজের সমিতি, একই সঙ্গে আইনদাতা ও কার্যনির্বাহক… ‘…প্রভু শ্রেণির কোন্ লোকটি পার্লামেন্টে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করবে ও তাদের দমন করবে (ver-und zertreten), তিন বা ছয় বছরে একবার করে তা স্থির করার বদলে সর্বজনীন নির্বাচনাধিকার কমিউনে সংগঠিত জনগণের সেবায় লাগত নিজেদের প্রতিষ্ঠানটির জন্য শ্রমিক, সর্দার, হিসেবনবিশ খুঁজে নেবার জন্য, যেভাবে … Read more