পৃথিবীর কামরায়

আমি চারাগাছ; তুমি তোমাতে রোপণ করো
একাগ্র অপ্রতিহত অঝোর ধারায়,
ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ার মতো দুহাত উজাড় করে,
উপচে পড়ো পেশল প্রত্যাশার বুকে, টানটান দড়ি
ছিঁড়ে পড়ার মতো খুব জোরে;
তোমাকে তৃপ্তি দেই আমি সর্বস্ব উজাড় করে
আহা-উহু শব্দবন্ধে কোমল মখমলের মতো।

বাদামি চুলের মধ্যে লুকিয়ে থাকা পিঙ্গল আভায়
ঝলমল করে চারদিক,
তরুণ তরতাজা উল্কাপিণ্ড
জ্বলে জ্বলজ্বলে নিশার বারুদে।

পৃথিবীর কামরায় তুমি শুয়ে দেখো
দেদীপ্যমান পাতাবাহারের সহজাত পর্ণমোচী রূপ,
আর আমি পৈথানে আঁকছি শুয়ে
শিথানের স্বাভাবিক শিহরণ;
কল্পনাশহরে বাজে সুদূর শিল্পজাগরণী।

দেখি অকালজাত পৃথিবীর কচি কিশোর প্রাণেরও রোমাঞ্চ জাগে;
শুনি সারারাত নৃত্যের তালে তালে বাজা অনন্য বাঁশুরিয়ার বাঁশি,
মলিন আকাশে জাগে সিঁদুরে সকাল।

⬅️ আগের কবিতা📜 সূচিপত্রপরের কবিতা ➡️

ফুটনোট: কবিতাটি পূর্বে ৩ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে রোদ্দুরে.কম-এ প্রকাশিত হয়েছিল এবং লেখকের স্বত্বাধিকার অনুযায়ী ফুলকিবাজ.কম সাইটে পুনর্মুদ্রিত হলো।

Leave a Comment