চা, ইলেকশন এবং ইতিহাস

তোমরা জানো কী ইতিহাস কই থামবো?

কড়া আগুনে পোড়ালে ইতিহাস হয় খাঁটি
অপদার্থ শুধু দুই বাঙলার উচ্চবিত্তের মাটি
ছাগলেরা সব চোরা চোখে চৌদ্দ পায়ে হাঁটি
বুঝলেন কাকা কী দেখলেন, বাঙলাদেশ বাঙলা বাঙালি
বংগভবনে দেখেন কাঁকড়ার সংগে কাস্তের মিতালি
সময়টা কাকা একাত্তরের আগে বা পরে
চলেন আর একটু জোরে
ঠেলা দেন কমরেড, আর একটু জোরে ঠেলা দেন
এইতো আসিল কচুখেতে বিপ্লব!
এটাইতো আসলি বিপ্লব!!

ইতিহাস চলছে, শ্রমিক চলছে, শ্রমিক লিখছে ইতিহাস

আর রুগ্ন বই লিখছে কতিপয় আধুনিক লেখক নাকি খেলক
কাটো গাছ লেখ বই,
অষ্টাদশ আঙুলে অষ্টাদশির আঙুল চেটে লেখ,
হি হি হি, নায়ক সাহেবকে খেলক সাহেব মেরে ফেললেন
এতে আমাদের ছিঁচকে পাঠিকাকুল কষ্টে কেঁদে জল ফেললেন নরোম কোলে,
সেই জল হতে জন্মালো দুধে ভাতে ডুবে থাকা পুঁজিপতি

ছাগল মার্কায় ভোট দিন
কাপে কাপে দুধ নিন
ঠোঁটে ঠোঁটে চা নিন
চা বেচার শুভদিন

এই চা একদিন মঙ্গলগ্রহের ইলেকশনে কাজে লাগবে
এ-আমার বাস্তবতা নয় দৃঢ় স্বপ্ন
এই চা খুঁজে পাবে এর্ন্টাকটিকার গুহার মাঝে
ফলন্ত ধানের গন্ধে জীবনানন্দীয় মিনি কাপ চা
পানে ব্যস্ত থাকবে কর্মর্কতা কর্মচারি ঝি চাকর আমলা চাখোর।

⬅️ আগের কবিতা📜 সূচিপত্রপরের কবিতা ➡️

ফুটনোট: কবিতাটি পূর্বে ২২ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে লেখকের স্বত্বাধিকার অনুযায়ী অনলাইনে ফুলকিবাজ.কম সাইটে কাব্যগ্রন্থ আকারে একটি পোস্টে প্রকাশ করা হয়। আজ ১১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে একক কবিতা আকারে আপডেট করে প্রকাশ হলো।

Leave a Comment