ঐতিহাসিক বস্তুবাদ হচ্ছে সমাজ জীবনে দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের মূলনীতিগুলোর প্রয়োগ

ঐতিহাসিক বস্তুবাদ (ইংরেজি: Historical materialism) বা ইতিহাসের বস্তুবাদী ধারনা (ইংরেজি: Materialist conception of history) হচ্ছে সমাজ বিকাশের সর্বাধিক সাধারণ নিয়মাবলী ও চালিকাশক্তি সম্পর্কিত তত্ত্ব এবং মার্কসবাদী-লেনিনবাদী দর্শনের অঙ্গীভূত অংশ। এক কথায় সমাজজীবনের অনুশীলনে দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের মূলনীতিগুলোর প্রয়োগকে বলা হয় ঐতিহাসিক বস্তুবাদ। সামাজিক জীবনধারা এবং সমাজ ও সমাজের ইতিবৃত্তের বিচারে দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের মূলনীতিগুলোর প্রয়োগ ও ব্যবহারকে বলে ঐতিহাসিক বস্তুবাদ।[১] কার্ল মার্কসফ্রিডরিখ এঙ্গেলস দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের প্রধান ধারাসমূহ সামাজিক জীবনের ঘটনাসমূহের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করে ঐতিহাসিক বস্তুবাদ বা ইতিহাসের বস্তুবাদী ধারনা উদঘাটন করেছেন।[২]

মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্কের ক্ষেত্রে দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদের প্রয়োগকে ঐতিহাসিক বস্তুবাদ বলা যায়। সমাজবিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখার অনুশীলন নয়, সমাজবিজ্ঞানের সাধারণ নিয়মগুলোর অনুশীলনই ঐতিহাসিক বস্তুবাদের কাজ। ঐতিহাসিক বস্তুবাদ সমাজের অতীত ও বর্তমান ঘটনাবলীকে সঠিকভাবে বুঝতে সাহায্য করবার সঙ্গে সঙ্গে শ্রমজীবী জনগণের স্বার্থে সমাজজীবনের রূপান্তর ঘটাতেও সাহায্য করে। এক কথায় সমাজকে সম্যক উপলব্ধিতে সাহায্য করে ঐতিহাসিক বস্তুবাদ। এঙ্গেলস ঐতিহাসিক বস্তুবাদের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে লিখেছেন,

“ঐতিহাসিক বস্তুবাদ কথাটি আমি ব্যবহার করি ইতিহাস ধারার এমন একটা ধারনা বোঝাবার জন্য, যাতে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনার মূল কারণ ও মহতী চালিকা-শক্তির সন্ধান করা হয় সমাজের অর্থনৈতিক বিকাশের মধ্যে, উৎপাদন ও বিনিময় পদ্ধতির পরিবর্তনের মধ্যে, বিভিন্ন শ্রেণিতে সমাজের তজ্জনিত বিভাগের মধ্যে এবং সব শ্রেণির পারস্পরিক সংগ্রামের মধ্যে।”[৩]

দর্শনের অবস্থান থেকে সমাজজীবনের বিচার করা ঐতিহাসিক বস্তুবাদের একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য। এর আলোচ্য সাধারণ দার্শনিক দিকগুলো হচ্ছে সমাজকাঠামো ও সমাজজীবনের বিভিন্ন দিকের মিথস্ক্রিয়া আলোচনা করা; সমাজজীবনের বৈষয়িক ও মতাদর্শগত দিকগুলোর ধারাবাহিকতা আলোচনা করা; ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ার অন্তর্গত স্বতঃস্ফূর্ত ও সজ্ঞান, আত্মগত ও নৈর্বক্তিক তথ্যের ধারাবাহিকতা আলোচনা করা; সমাজবিকাশের সাধারণ নিয়মাবলী ও চালিকাশক্তিগুলো, মানুষের মূলসত্তা ও বিশ্বে তার অবস্থান আলোচনা করা। তাই ঐতিহাসিক বস্তুবাদ হচ্ছে সমাজ সম্পর্কিত তাত্ত্বিক বিজ্ঞান, মার্কসবাদী-লেনিনবাদী দর্শনের একাংশ।[৪]

মার্কস ও এঙ্গেলসই সর্বপ্রথম সমাজ বিশ্লেষণে বস্তুবাদ সম্প্রসারিত করেন এবং ইতিহাসের বস্তুবাদী ব্যাখ্যার প্রথম প্রবক্তা হন। সমাজের দার্শনিক ব্যাখ্যায় মার্কসবাদ যে মৌলিক বিপ্লব ঘটিয়েছিলো সর্বোপরি এটাই ছিলো তার ভিত্তি। মানবজাতির জন্য এই পরম কল্যাণময় অবদানের উপর গুরুত্ব দিয়ে লেনিন লিখেছিলেন,

“দার্শনিক বস্তুবাদকে গভীরতর ও পরিবিকশিত করে মার্কস তাকে সম্পূর্ণতা দান করেন, তার প্রকৃতি বিষয়ক জ্ঞানকে প্রসারিত করেন মানবসমাজের জ্ঞানে। বৈজ্ঞানিক চিন্তার সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো মার্কসের ঐতিহাসিক বস্তুবাদ। ইতিহাস ও রাজনীতি বিষয়ক মতামতে যে বিশৃঙ্খলা ও খামখেয়াল এযাবত চলে আসছিলো তার সমাপ্তি ঘটিয়ে এগিয়ে এলো এক আশ্চর্য রকমের সর্বাঙ্গীণ ও সুসমঞ্জস বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব, যা দেখাল কী করে উৎপাদন শক্তিগুলোর বিকাশের ফলে সমাজজীবনে একটি ব্যবস্থা থেকে উদ্ভব হয় উচ্চতর ব্যবস্থার—দৃষ্টান্তস্বরূপ, কী করে সামন্তবাদ থেকে বিকশিত হয় পুঁজিবাদ।”[৫]

ঐতিহাসিক বস্তুবাদ থেকে দেখা যায় যে মানবসমাজের প্রকৃত ভিত্তি হলো বৈষয়িক সামগ্রী উৎপাদন প্রণালী। একটি উৎপাদন প্রণালী আরেকটি উৎপাদন প্রণালীর স্থান দখলের ফলে একটি সামাজিক অর্থনৈতিক গঠনরূপ থেকে আরেকটি উন্নততর সামাজিক অর্থনৈতিক গঠনরূপে উত্তরণ ঘটে। মানবসমাজের ইতিহাস হলো আদিম গোষ্ঠীবদ্ধ, দাসপ্রথামূলক, সামন্তবাদী, পুঁজিবাদী ও সাম্যবাদী গঠনরূপগুলোর একটি কর্তৃক আরেকটির ধারাবাহিক অপসারণের ইতিহাস। ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণকারী নিয়ম হচ্ছে উৎপাদন সম্পর্কের সঙ্গে উৎপাদিকা শক্তির সামঞ্জস্য রক্ষার নিয়ম। এক ধরনের উৎপাদন সম্পর্কের আওতায় বিকাশমান উৎপাদিকা শক্তি এক পর্যায়ে তার সঙ্গে বিরোধে লিপ্ত হয়। তখন সামাজিক বিপ্লব ঘটে। এটি হচ্ছে একটি সামাজিক-অর্থনৈতিক গঠনরূপ থেকে আরেকটিতে উত্তরণের নিয়মানুবর্তিতার রূপ।[৬]

আরো পড়ুন:  হেগেলের রাষ্ট্রচিন্তার মূল্যায়ন হয়েছে দর্শন, জার্মান ভাববাদসহ বেশ কিছু বিষয়ে

বৈষয়িক উৎপাদনকে জাতীয় পরিসরে কেন্দ্রীকরণে সক্ষম পুঁজিবাদের উদ্ভবের পরেই কেবল সমাজ সম্পর্কিত বস্তুবাদী দৃষ্টিভঙ্গির উদ্ভব সম্ভবপর হয়েছিলো। বৈষয়িক উৎপাদনের বিকাশের উপর সমাজজীবনের বিবিধ ধরনের নির্ভরতা তখন প্রত্যক্ষ হয়ে উঠেছিল। পুঁজিবাদী উৎপাদন পদ্ধতিতে বিদ্যমান অসঙ্গতিগুলি যথা অতি-উৎপাদন, বেকারী ইত্যাদি সংকটের মধ্যে প্রকটভাবে আত্মপ্রকাশ করেছিলো। এই পুঁজিবাদের মধ্যেই শ্রেণিসমূহ ও শ্রেণিসংগ্রামের বৈষয়িক ও অর্থনৈতিক ভিত্তিগুলো প্রকাশ্য হয়ে পড়েছিলো। এঙ্গেলসের ভাসায়,

“… আমাদের বর্তমানকাল এই পরস্পরাবদ্ধ সংযোগগুলো এতটা সরল করে তুলেছে যে রহস্যটির সমাধান সম্ভবপর হতে পারে।”[৭]

ইতিহাসের বস্তুবাদী ধারনা সম্পর্কে মার্কস ও এঙ্গেলস তাঁদের অনেকগুলো রচনায়, বিশেষ করে তাঁদের যৌথ রচনাবলী, পবিত্র পরিবার, জার্মান ভাবাদর্শ ও কমিউনিস্ট পার্টির ইস্তেহার গ্রন্থসমূহে ব্যাখ্যা করেছিলেন। মার্কস পুঁজি গ্রন্থে, আর এঙ্গেলস এ্যান্টি ডুরিং, পরিবার, ব্যক্তিগত মালিকানা ও রাষ্ট্রের উৎপত্তি এবং অন্যান্য গ্রন্থেও সমাজ সম্পর্কিত ঐতিহাসিক বস্তুবাদী দৃষ্টিভঙ্গি ব্যাখ্যা করেন।[৮]

ইতিহাসের বস্তুবাদী ধারনা বা ঐতিহাসিক বস্তুবাদের মূল কথা হলো সমাজে কোনো ঘটনাই বিচ্ছিন্নভাবে ঘটে না, প্রত্যেকটি ঘটনা পরস্পর সম্পর্কিত। তাই কোনো ঘটনা ঘটে যখন সেই ঘটনা ঘটাবার উপযোগী পূর্বশর্ত সমাজে দেখা যায়। সুতরাং সমাজের ঘটনাবলী বিচ্ছিন্নভাবে বিচার না করে তার স্থান, কাল ও অবস্থার পটভূমিকায় দেখতে হবে। ঘটনাগুলো আমাদের চেতনা ও ইচ্ছার উপরে নির্ভরশীল নয়। দ্বিতীয়ত, সমাজে কোনো একটি ঘটনা ঘটবার সঙ্গে সঙ্গেই তা জনগণের ইচ্ছা নিরপেক্ষভাবেই পরবর্তী ঘটনার পূর্বশর্ত হিসেবে কাজ করতে থাকে এবং পরবর্তী ঘটনাকে ঘটায়। তৃতীয়ত, যদিও ঘটনাসমূহের ক্রমাগত পরিবর্তন ঘটতে থাকে, একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি কখনোই ঘটে না। আদিম গোষ্ঠীবদ্ধ সমাজ এবং আধুনিক সমাজ উভয়েরই ভিত্তি উৎপাদনের উপকরণের উপর সামাজিক মালিকানা। কিন্তু দ্বিতীয়টি প্রথমটির পুনরাবৃত্তি নয়।[৯]

মরিস কনফোর্থ ঐতিহাসিক বস্তুবাদের মার্কসীয় বিশ্লেষণ প্রসঙ্গে তিনটি সূত্রের উল্লেখ করেন, যথা ক. প্রকৃতির মতোই সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক নিয়মে সমাজের বিকাশ ও পরিবর্তন ঘটে। খ. বৈষয়িক জীবনযাত্রার উপরে ভিত্তি করে রাজনৈতিক মতবাদ, মতাদর্শ, সংস্কৃতি ইত্যাদি গড়ে ওঠে। গ. বৈষয়িক জীবনযাত্রা দ্বারা সৃষ্ট মতাদর্শ ও প্রতিষ্ঠান আবার বাস্তব জীবনে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করে থাকে।[৯]

আরো পড়ুন:  বস্তুবাদ ও ভাববাদ হচ্ছে দুটি পরস্পরবিরোধী বিশ্ব দৃষ্টিভঙ্গি

সুতরাং মার্কসীয় ঐতিহাসিক বস্তুবাদের অর্থ হলো ইতিহাসের অর্থনৈতিক ব্যাখ্যা। কারণ মার্কসের মতে অর্থনৈতিক অবস্থার দ্বারাই ইতিহাস স্থিরীকৃত হয়। তিনি বলেন উৎপাদনের উপকরণসমূহ তথা কাঁচামাল, জমিজমা, মূলধন প্রভৃতি উৎপাদন সম্পর্ক স্থির করে দেয়। উৎপাদন সম্পর্কের অর্থ হলো উৎপাদন প্রণালীতে কে কি অংশ নেয় তার উপর গড়ে উঠা সম্পর্ক। উৎপাদন সম্পর্ক অর্থনৈতিক উপরিকাঠামো রচনা করে যা সামাজিক উপ-কাঠামো সৃষ্টি করে। অর্থাৎ উৎপাদন পদ্ধতির পরিবর্তন ঘটলে উৎপাদন সম্পর্ক, অর্থনৈতিক কাঠামো ও সামাজিক কাঠামো তথা ইতিহাসের পরিবর্তন সূচিত হবে। যেমন ইতিহাসে আদিম গোষ্ঠীবদ্ধ সমাজ, দাস সমাজ, সামন্ত সমাজ, পুঁজিবাদী সমাজ ও সমাজতান্ত্রিক সমাজে উৎপাদন পদ্ধতির পরিবর্তন দেখতে পাওয়া যায়। মার্কসবাদী একেই ভিত্তি ও উপরিকাঠামোর তত্ত্ব বলে চিহ্নিত করেন।[৯]

ঐতিহাসিক বস্তুবাদ শ্রমিক শ্রেণি ও তার বিপ্লবী পার্টিকে সামাজিক বিকাশের চেতনানিরপেক্ষ নিয়মাবলীর জ্ঞানের ভিত্তিতে নিজেদের স্বাধীনতার জন্য লড়াইয়ের কর্মসূচি দিয়ে সজ্জিত করেছে, এতে দেখানো হয়েছে যে ইতিহাসের সত্যিকারের স্রষ্টা শ্রমজীবী ব্যাপক জনসাধারণ। দ্বিতীয়ত, ইতিহাসের পরিবর্তন বৈষয়িক অর্থনৈতিক অবস্থা হতে গড়ে উঠে। নির্দিষ্ট সামাজিক বিজ্ঞানগুলির তুলনায় ঐতিহাসিক বস্তুবাদের বিষয়বস্তু হচ্ছে সমগ্র সমাজ, তার বিকাশের সর্বাপেক্ষা সাধারণ নিয়মাবলী। সবশেষে, মার্কসবাদীরা বলেন, সমাজে পরিবর্তন কখনো স্বতঃস্ফূর্তভাবে হাজির হয় না, তাকে হাত ধরে টেনে আনতে হয়।[১০]

তথ্যসূত্র

১. জে ভি স্তালিন, দ্বন্দ্বমূলক ও ঐতিহাসিক বস্তুবাদ, সেপ্টেম্বর, ১৯৩৮, ন্যাশনাল বুক এজেন্সি প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, ৩২ তম মুদ্রণ, সেপ্টেম্বর ২০০৬, পৃষ্ঠা ৫
২. সোফিয়া খোলদ, সমাজবিদ্যার সংক্ষিপ্ত শব্দকোষ, প্রগতি প্রকাশন, মস্কো, ১৯৯০, পৃষ্ঠা ৩২-৩৩
৩. ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস, কল্পলৌকিক ও বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র, ২০ এপ্রিল, ১৮৯২, ইংরেজি সংস্করণের জন্য বিশেষ ভূমিকা, মার্কস এঙ্গেলস রচনা সংকলন, দুই খণ্ডে সম্পূর্ণ, দ্বিতীয় খণ্ড প্রথম অংশ, প্রগতি প্রকাশন মস্কো, পৃষ্ঠা ৯৮
৪. জ. বেরবেশকিনা ও অন্যান্য, ঐতিহাসিক বস্তুবাদ কী, প্রগতি প্রকাশন মস্কো, ১৯৮৮, পৃষ্ঠা ১১
৫. লেনিন, মার্কসবাদের তিনটি উৎস ও তিনটি উপাদান, মার্চ ১৯১৩, মার্কস-এঙ্গেলস-মার্কসবাদ, প্রগতি প্রকাশন, মস্কো, ১৯৭৫, পৃষ্ঠা ৫৩
৬. সোফিয়া খোলদ, সমাজবিদ্যার সংক্ষিপ্ত শব্দকোষ, প্রগতি প্রকাশন, মস্কো, ১৯৯০, পৃষ্ঠা ৩২-৩৩
৭. Frederick Engels, Ludwig Feuerbach and the End of Classical German Philosophy, in Karl Marx and Frederick Engels, Selected Works, in three volumes, Vol. 3, Progress Publishers, Moscow, 1976, page 368.
৮. জ. বেরবেশকিনা ও অন্যান্য, ঐতিহাসিক বস্তুবাদ কী, প্রগতি প্রকাশন মস্কো, ১৯৮৮, পৃষ্ঠা ১৯
৯. টম বটোমোর, মার্কসীয় সমাজতত্ত্ব, হিমাংশু ঘোষ অনূদিত, কে পি বাগচী অ্যান্ড কোম্পানি, কলকাতা, ১৯৯৩, পৃষ্ঠা xxviii-xxix
১০. বি দ্র: প্রবন্ধটি আমার [অনুপ সাদি] রচিত ভাষাপ্রকাশ থেকে ২০১৬ সালে প্রকাশিত মার্কসবাদ গ্রন্থের ৪৫-৫০ পৃষ্ঠা থেকে নেয়া হয়েছে। প্রবন্ধটি ৯ আগস্ট ২০১৭তে রোদ্দুরে ডট কমে প্রকাশিত হয়, এবং ২২ এপ্রিল ২০২২ তারিখে ফুলকিবাজে প্রকাশিত হলো। প্রবন্ধটির রচনাকাল ১৫ আগস্ট ২০১৫।

Leave a Comment

error: Content is protected !!