জর্জ উইলহেল্ম ফ্রিডরিখ হেগেলের দর্শনের গুরুত্ব (ইংরেজি: The significance and importance of Hegelian Philosophy) কেবল উনবিংশ শতাব্দীর জার্মানিতে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি আধুনিক রাষ্ট্রদর্শন, ন্যায়বিচার এবং প্রগতির ধারণায় এক বৈপ্লবিক মোড় পরিবর্তনকারী শক্তি। রাষ্ট্রচিন্তাবিদ ভন (Vaughan) এর মতে, হেগেলীয় মতবাদকে বিচার করার আগে তাঁর দর্শনের ‘ফলপ্রসূ উপাদান’ (Fruitful elements) গুলোর দিকে নজর দেওয়া আবশ্যক। হেগেলই প্রথম রাজনীতি এবং নীতিশাস্ত্রকে একটি সুসংগত বিন্দুতে মেলাবার তাত্ত্বিক প্রয়াস চালিয়েছেন, যা সমকালীন রাষ্ট্রচিন্তায় এক অনন্য মাত্রা যোগ করেছে। ব্যক্তি ও রাষ্ট্রের মধ্যকার চিরায়ত দ্বন্দ্বকে তিনি যে দ্বান্দ্বিক রূপ দিয়েছেন, তা আধুনিক সমাজদর্শনের ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।
হেগেলের অন্যতম প্রধান কৃতিত্ব হলো ঐতিহাসিক পদ্ধতির (Historical Method) আলোকে রাজনীতিকে বিশ্লেষণ করার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া। তিনি অত্যন্ত জোরালোভাবে প্রচার করেছেন যে, ব্যক্তির বিবেক কেবল বিচ্ছিন্ন কোনো সত্তা নয়, বরং তা সমষ্টির চেতনার পরিপ্রেক্ষিতেই সার্থকতা লাভ করে। তাঁর রাষ্ট্রচিন্তার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো প্রগতির উৎস হিসেবে ‘যুক্তি’ (Reason) বা পরম বুদ্ধির গুরুত্ব স্বীকার করা। হেগেলের মতে, ইতিহাসের অগ্রযাত্রা কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং এটি যুক্তির অমোঘ নিয়মে বিবর্তিত একটি সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়া। এই ধারণাই পরবর্তীকালে সমাজতাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক বিবর্তনবাদের মূল প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে।
হেগেলবাদী দর্শনের রক্ষণশীল দিকটি তৎকালীন জার্মানীর শাসকবর্গের কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল, কিন্তু শুধু মাত্র তাঁর দর্শনের রক্ষণশীল ভাবটিই হেগেলের দার্শনিক প্রজ্ঞার একমাত্র পরিচয় নয়, তাঁর দর্শনের গতিময় দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ, যে বিষয়টি তৎকালীন জার্মানীর শাসকবর্গের কাছে পরিত্যক্ত ছিল। হেগেলের মতে কোনো সময়ে বাস্তব অবস্থা অবাস্তব হয়ে যেতে পারে এবং তখন এ অবস্থা বিলুপ্ত হতে পারে। কোনো প্রচলিত ব্যবস্থার অস্তিত্ব ততদিনই থাকতে পারে যতদিন তার পেছনে যুক্তি থাকে। ফরাসি রাজতন্ত্রের অস্তিত্ব এবং বিলোপের পিছনে হেগেলের এই যুক্তির কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়। হেগেল বলেন, বাস্তব অবস্থাকে যে কোনো ভাবে বা যে কোনো মূল্যে বাঁচিয়ে রাখা এবং এই অবস্থার পরিবর্তনে বিশ্বের গতিময় দিকটির ব্যাখ্যা স্বীকার করা দর্শনের এই দুটি মূল উদ্দেশ্য। হেগেলের দর্শনের প্রথম ধারণা জার্মানীর রক্ষণশীল শাসক গোষ্ঠীকে প্রভাবিত করে এবং শেষের কথাটি আকর্ষণ করে তৎকালীন বার্লিনের তরুণ ছাত্র তথা র্যাডিক্যাল চিন্তাধারায় বিশ্বাসী বুদ্ধিজীবিদের। জার্মান রক্ষণশীল চিন্তার বিরোধিতা এঁদের মধ্যে স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল। নব্য হেগেলপন্থী এইসব বুদ্ধিজীবিদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন আর্নল্ড রুগে, ব্রুনো বাউয়ের, ফয়েরবাখ, স্ট্রাউস, কার্ল মার্কস প্রমুখ।
মার্কস ও এঙ্গেলস হেগেলীয় মতবাদের প্রগতিশীল ভাবধারাকে তাদের বৈপ্লবিক গণতান্ত্রিক অবস্থান থেকে ব্যাখ্যা করেন। হেগেলীয় দর্শনের গতিময়, দ্বান্দ্বিক পদ্ধতি, তাঁর দর্শনের সমালোচনামুখী বিরোধী দৃষ্টিভঙ্গি মার্কসবাদের অন্যতম প্রধান সূত্র হিসেবে কাজ করেছে। পরবর্তীকালে মার্কস হেগেলের শিক্ষা ও তত্ত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন বটে বা হেগেলের রাজনীতি দর্শন বা তার ইতিহাসবোধের প্রধান প্রতিদ্বন্দী হয়ে দাঁড়ান বটে এবং হেগেলের ভাব বা প্রেরণাকে বাস্তবতা দিয়ে অস্বীকার করার কথা বলেন বটে, কিন্তু এটা সত্য যে হেগেলবাদকে অস্বীকার করলে বা হেগেলবাদ দিয়ে শুরু না করলে মার্কসবাদকেই জানা সম্ভব হবে না।
R. S. Peters যথার্থই বলেছেন, “Marxs may have turned Hegel upside down; but he certainly preserved most of his clothes..” কেউ হয়তো বলবেন মার্কস হেগেলের অপপ্রয়োগ করেছেন, কারো বিবেচনায় মনে হবে মার্কস হেগেলের চেয়ে অনেক পরিণত ব্যাখ্যা দিয়েছেন, কিন্তু এটা স্বীকার করতেই হবে হেগেলের উপকরণ নিয়েই, তাঁর সংগৃহীত সূত্র দিয়েই মার্কস রচনা করেছেন তাঁর বস্তুবাদী দর্শন বা রাজনীতি। হেগেলের ভাব, জাতি, বিশ্বমন, জাতিতে – জাতিতে যুদ্ধ ধারণাগুলিকে মার্কস নিয়েছেন এবং বস্তু, শ্রেণি, শ্রেণির ঐতিহাসিক কর্তব্য, শ্রেণি বিরোধ প্রভৃতি ধারণায় রূপান্তরিত করেছেন। মার্কস যখন বলেন দার্শনিকেরা জগতকে ব্যাখ্যা করতে চেয়েছেন বটে, কিন্তু আসল কথা হলো জগতের পরিবর্তন তখন বলা চলে যখন মার্কস এবং তাঁর তরুণ বয়সের আদর্শ শিক্ষক হেগেল উভয়েই এই পরিবর্তনের দর্শনকে প্রচার করেছেন।
হেগেলবাদের সবচেয়ে বড় গুরুত্ব ও তাৎপর্য এই মতবাদ নিয়ে সমর্থক ও বিরোধী উভয়েরই অসীম আগ্রহ। জার্মানী, রাশিয়া, ফ্রান্স, ইতালি, পোল্যান্ড, ইংল্যান্ড সর্বত্রই হেগেলবাদ আলোচনা ও গবেষণার এক বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্ভবত পৃথিবীর এমন কোনো দেশ পাওয়া যাবে না যেখানে একজন হেগেলপন্থীকে খুঁজে পাওয়া যাবে না। জার্মানীতে লাসন, পিউটার, ওপেনহাইম; রাশিয়ার বাকুনিন, গের্তসেন, ইতালিতে সাঙ্কতিশ, ইংলেন্ডে গ্রীন, ব্র্যাডলে, বোসানকোয়েত, আমেরিকায় কাউফম্যান; ডেনমার্কের কিয়েরকেগর, হল্যান্ডের বলান্দ ঊনবিংশ শতাব্দীর হেগেলপন্থীদের মধ্যে অন্যতম।
হেগেলের উত্তরাধিকার শুধু কয়েকজন ব্যক্তি মানুষের মধ্যেই স্থান পেয়েছে তা নয়, বর্তমান শতাব্দীতে হেগেলের উপর বহু রচনা প্রকাশিত হয়েছে। হেগেল চর্চার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে এবং আন্তর্জাতিক স্তরে ‘হেগেলীয় সংঘ’ গঠনের মাধ্যমে হেগেলের দর্শনকে প্রচারের ঘনিষ্ঠ প্রয়াস লক্ষ্য করা গেছে। হেগেলের অক্ষয় কীর্তি ও বহুমুখী প্রতিভাকে নিয়ে সাহিত্যিক মূল্যায়নও কম হয়নি। সর্বগ্রাসী দর্শনের প্রবক্তা হেগেল সর্বাত্মকবাদকে আধুনিক সামাজিক রাজনৈতিক তত্ত্বের কাছাকাছি আনার চেষ্টা চলছে। মার্কুজে, রিদেল, মাইহোকার, আদর্নো, পেলচিনস্কি, মুলার প্রমুখ হেগেলের মতবাদের পুনমূর্ল্যায়ন ও পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য যে উদ্যোগ নিয়েছেন, নতুন সমাজের উপযোগী নতুন হেগেলীয় ব্যাখ্যা ও দৃষ্টি ভঙ্গির যে সূচনা করেছেন তা প্রমাণ করে হেগেলবাদ রাষ্ট্রদর্শন শাস্ত্রে এক অক্ষয় কীর্তি এবং এই কীর্তিকে রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন আছে।
আধুনিক রাষ্ট্রদর্শনের ইতিহাসে জার্মান দার্শনিক হেগেলের অবদান অনস্বীকার্য। শুধু জার্মানদের কাছে নয়, সমগ্র ইউরোপেই তাঁকে শ্রেষ্ঠ দার্শনিক বলে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। বস্তুত কান্টের পর ভাববাদী দর্শনের জগতে হেগেলই একমাত্র দার্শনিক যিনি তাঁর লেখনীর মাধ্যমে সকল ইউরোপবাসীর মনে ঠাঁই করে নিতে সক্ষম হয়েছেন। নিচে হেগেলের রাষ্ট্রদর্শনের যে সকল তত্ত্ব যুগোর্ত্তীণ গুরুত্বের দাবিদার সেগুলো সম্পর্কে আলোচনা করা হলো:
১. দ্বান্দ্বিক পদ্ধতি:
হেগেল তাঁর দ্বন্দ্ববাদী পদ্ধতির মাধ্যমে জগৎ সংসারের সাধারণ সত্যসমূহ উদঘাটন করার যে তত্ত্ব প্রচার করেছেন তা পরবর্তীকালে বিভিন্ন দার্শনিক সাদরে গ্রহণ করেছেন। শুধু যে ভাববাদী দার্শনিকগণই হেগেলের এই তত্ত্ব গ্রহণ করেছেন তা নয়। বরং মার্কসবাদী ও বস্তুবাদী চিন্তানায়কগণও তাঁর এই তত্ত্ব যুক্তিসঙ্গত কারণেই গ্রহণ করেন।
২. রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের প্রাধান্য:
রাষ্ট্র ও ব্যক্তির সম্পর্ক নির্ধারণ করতে গিয়ে হেগেল বলেন যে, রাষ্ট্রের মধ্যেই ব্যক্তির অস্তিত্ব বিদ্যমান। রাষ্ট্র ব্যতীত ব্যক্তির কোনো অস্তিত্ব থাকতে পারে না এবং রাষ্ট্রের সভ্য হিসাবেই ব্যক্তির প্রকৃত সত্তা উপলব্ধি করা সম্ভব। হেগেলের এই বক্তব্যের মাধ্যমে আমরা পরিষ্কার বুঝতে পারি যে, তাঁর এই মতামতের উপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে রাষ্ট্রের ফ্যাসিবাদী মতবাদ গড়ে উঠেছে।
৩. রাষ্ট্রের লক্ষ্য:
রাষ্ট্রের লক্ষ্য সম্পর্কে বলতে গিয়ে হেগেল অনেকাংশেই গ্রিক দার্শনিকদের অনুসরণ করেন এবং বলেন যে, ব্যক্তি স্বাধীনতা প্রদান ও মানুষের নৈতিকতা সম্পন্ন জীবন যাপনের পরিবেশ সৃষ্টি করাই রাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য। তাঁর এই বক্তব্য খুব সাধারণ মনে হলেও আধুনিক বিশ্বের দেশসমূহও যে ব্যক্তি স্বাধীনতা নিশ্চিত করার কথা বলে সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তবে একথাও সত্য যে, হেগেল যেভাবে রাষ্ট্র কর্তৃক ব্যক্তি স্বাধীনতা নিশ্চিত করার কথা বলেছেন তা হয়ত আধুনিক বিশ্বের অধিকাংশ সচেতন মানুষই মেনে নিতে চাইবে না।
৪. সরকার প্রধানের নির্বাচন প্রক্রিয়া:
সরকার প্রধানের নির্বাচন সম্পর্কে বলতে গিয়ে হেগেল বলেন যে, সমাজের অধিকাংশ মানুষই যোগ্য লোক বাছাই করার মত যথাযথ জ্ঞান কিংবা বুদ্ধিসম্পন্ন নয়। তাঁর এই বক্তব্য অনেকটা স্বেচ্ছাচারী প্রকৃতির মত মনে হতে পারে। কিন্তু বাস্তবে এখনও অনেক রাষ্ট্রেই বসবাসকারী জনগণ ততটা শিক্ষিত ও সচেতন না হওয়ায় তারা যে যোগ্য লোক নির্বাচন করতে গিয়ে ভুল করে তা ঠিক।
৫. শান্তি সম্পর্কে হেগেলের মতামত:
শান্তি সর্ম্পকে স্বীয় মতামত প্রদান করতে গিয়ে হেগেল বলেছেন, কোনো দেশে বেশি দিন শান্তি ও স্বাভাবিক অবস্থা বিরাজ করলে সেখানে দুর্নীতি ও অনাচার বাসা বাঁধে। শান্তি সম্পর্কে হেগেলের এই মতামত আপাতঃদৃষ্টিতে রূঢ় ও অবাস্তব মনে হতে পারে। কিন্তু বাস্তবে আধুনিক বিশ্বে ও স্থিতিশীল রাষ্ট্রসমূহে নীরবে যে দুর্নীতির প্রসার লাভ ঘটেছে বা এখনও ঘটছে সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
পরিশেষে বলা যেতে পারে, যে হেগেলই প্রথম ইউরোপীয় দার্শনিক যিনি নৈতিকতা ও রাজনীতির সম্পর্ক সম্বন্ধে যথার্থ ধারণার আভাস দিতে সক্ষম হয়েছিলেন। তাই হেগেলের রাষ্ট্রদর্শন সম্পর্কে প্রফেসর সেবাইন বলেন, “The philosophy of Hegel aimed at nothing less than a complete and systematic reconstruction of modern thought.”
আরো পড়ুন
- প্রোটেস্ট্যান্ট সংস্কার আন্দোলন: আধুনিক ইউরোপীয় জাতিরাষ্ট্র ও ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদের তাত্ত্বিক ভিত্তি
- হেগেলীয় দর্শনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য: রাষ্ট্রদর্শন, প্রগতি এবং নৈতিক সংহতির নবদিগন্ত
- হেগেলীয় রাজনৈতিক চিন্তা: জার্মান ভাববাদের বিস্তার এবং ফরাসি বিপ্লবোত্তর দোদুল্যমানতা
- হেগেলীয় সুশীল সমাজ ও এর বৌদ্ধিক উত্তরধিকার: মার্কস থেকে গ্রামসি পর্যন্ত বিবর্তন
- হেগেলীয় সুশীল সমাজ (Civil Society): চাহিদার ব্যবস্থা ও রাষ্ট্রীয় সংহতির মধ্যবর্তী স্তর
- হেগেলীয় রাষ্ট্রদর্শনে ব্যক্তির অবস্থান: পরম সত্তার বিবর্তনে ব্যষ্টি ও সমষ্টির দ্বান্দ্বিক সম্পর্ক
- হেগেলীয় রাজনৈতিক কাঠামো: সংবিধান, সার্বভৌমত্ব এবং রাষ্ট্রের জৈব ঐক্য
- হেগেলীয় স্বাধীনতা তত্ত্ব: ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদের সীমাবদ্ধতা এবং সামাজিক সংহতির নৈতিক রূপায়ণ
- হেগেলীয় রাষ্ট্রচিন্তার মূল্যায়ন: জীবনতত্ত্বের আঙ্গিক একত্ব ও উচ্চতর সত্তার সংশ্লেষণ
- হেগেলের আইনতত্ত্ব: পরম সত্তার বস্তুনিষ্ঠ প্রকাশ এবং সমাজ-রাষ্ট্রীয় কাঠামোর তাত্ত্বিক ভিত্তি
- হেগেলীয় রাষ্ট্রতত্ত্বের স্বরূপ: সার্বভৌম নৈতিক সত্তা, বিশ্ব-আত্মার মূর্তায়ন ও পরম লক্ষ্য
- হেগেলীয় রাষ্ট্রদর্শন: পরম ইচ্ছার বস্তুনিষ্ঠ প্রকাশ এবং আইন ও নৈতিকতার সংশ্লেষণ
- হেগেলীয় রাষ্ট্রচিন্তা: জাতীয় রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব, ঐতিহাসিক নিয়তি এবং বিশ্ব-আত্মার মূর্ত প্রকাশ
- হেগেলীয় দ্বান্দ্বিকতা বা দ্বন্দ্ববাদ: পরম ভাববাদ ও জগতের প্রপঞ্চ অনুধাবনের দার্শনিক পদ্ধতি
- দ্বান্দ্বিক পদ্ধতির বিবর্তন: সক্রেটিস, হেগেল এবং মার্কসীয় বস্তুবাদী রূপান্তরের একটি তুলনামূলক বিশ্লেষণ
- জর্জ উইলহেল্ম ফ্রিডরিখ হেগেল: জার্মান ভাববাদী দর্শনের চরম উৎকর্ষ ও পরম ভাববাদ
তথ্যসূত্র
১. মো. আবদুল ওদুদ (১৪ এপ্রিল ২০১৪)। “জর্জ উইলহেলম ফ্রেডরিক হেগেল”। রাষ্ট্রদর্শন (২ সংস্করণ)। ঢাকা: মনন পাবলিকেশন। পৃষ্ঠা ৪০৬-৪০৭।
অনুপ সাদি বাংলাদেশের একজন লেখক ও গবেষক। তাঁর লেখা ও সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা উনিশটি। ২০০৪ সালে কবিতা গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে তিনি পাঠকের সামনে আবির্ভূত হন। ‘সমাজতন্ত্র’ ও ‘মার্কসবাদ’ তাঁর দুটি পাঠকপ্রিয় প্রবন্ধ গ্রন্থ। সাহিত্য ও রাজনীতি বিষয়ে চিন্তাশীল গবেষণামূলক লেখা তাঁর আগ্রহের বিষয়।