মানবতাবাদ বা মানববাদ (ইংরেজি: Humanism) হচ্ছে একটি দার্শনিক অবস্থান যা মানুষের ব্যক্তি এবং সামাজিক সম্ভাবনা এবং সংস্থার উপর জোর দেয়। এটি মানুষকে গুরুতর নৈতিক এবং দার্শনিক অনুসন্ধানের সূচনা বিন্দু হিসাবে বিবেচনা করে।
মানবতাবাদ বলতে সাধারণভাবে সমগ্র মানব-সমাজকে এককভাবে দেখা, তার শ্রেণি-বিভক্তিকে না দেখা এবং দুঃখী মানুষের দুঃখ-দুর্দশা, অভাব-অনটনে ব্যথিত হওয়া, দুঃখ প্রকাশ করা, সাহায্য-সহযোগিতা করাকে বোঝায়।[১] এটা এমন একটি দার্শনিক অবস্থান যা ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যভাবে এবং সম্মিলিতভাবে মানুষের মূল্য এবং প্রতিনিধিত্বের উপর জোর দেয়। ক্রমবর্ধমান মনীষাগত আন্দোলন যা এর সাথে চিহ্নিত হয়েছে সেই অনুসারে মানবতাবাদ শব্দের অর্থ ওঠানামা করেছে।[২] যা হোক সাধারণভাবে, মানবতাবাদ এমন একটি দৃষ্টিভঙ্গি যা স্বীকার করে মানুষের স্বাধীনতা এবং অগ্রগতির কিছু ধারণাকে। এটি মত দেয়, ব্যক্তির উন্নয়ন ও বিকাশের জন্য মানুষকে একমাত্র দায়বদ্ধ হিসাবে বিবেচিত এবং বিশ্বের সাথে সম্পর্কযুক্ত মানুষের জন্য উদ্বিগ্নতার উপর জোর দেয়।[৩]
নবজাগরণের কালে মানবতাবাদের পুনঃজাগরণ
রেনেসাঁ বা নবজাগরণের সময় মানবতাবাদ বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তাঁরা হিউম্যানিটিজ বিষয়টিকে প্রকৃতপক্ষে মানুষ হবার শিক্ষাক্রমে পাঠ্যধারা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। মানবজাতির সামাজিক কল্যাণ, তার সমষ্টিগত উন্নতিসাধন এবং সমস্যার সমাধানের প্রচেষ্টা এই ধারণার আওতাভুক্ত ছিল।
১৪৫৩ সালে তুরস্কের সৈন্যবাহিনী কর্তৃক রোমান সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলের রাজধানী কন্সট্যান্টিনোপল (বর্তমান ইস্তামবুল) দখল করার পর মানবতাবাদে বিশ্বাসীরা লাভবান হয়। কন্সট্যান্টিনোপলবাসী পণ্ডিতদের মধ্যে অনেকেই বহু গুরুত্বপূর্ণ পুস্তক ও পাণ্ডুলিপি এবং সেই সঙ্গে গ্রীসের পাণ্ডিত্য এবং উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত ঐতিহ্য ও প্রথা নিয়ে রোমে চলে আসেন।
বলা বাহুল্য, গ্রীক সভ্যতা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে রোমান সিনেটার ও বাগ্মী সিসেরোর মূল্যবান বক্তৃতা ও রচনাবলীও মানবতাবাদের আদর্শ প্রতিষ্ঠার সহায়ক হয়। এছাড়াও নবজাগরণ আমলের ফ্রাঞ্চেস্কো পেত্রাকের মতো কবি, অথবা ফ্লোরেন্স শহরে আচার্য কলুচ্চিও সালুতাতির মতো পণ্ডিত এবং অন্যান্য সুলেখকদের প্রভাবে মানবতাবাদ তার ভিত্তি নির্মাণ করেছিল। [৪]
কালক্রমে রেনেসাঁসের ভাবাদর্শ বিভিন্ন ধারায় বিকাশিত হয়। গোড়ার দিকে সংগঠিত বুদ্ধিজীবীদের সর্বপ্রথম ধারা মানবতাবাদ (Humanism) নামে পরিচিত হয়। মধ্যযুগে বুদ্ধিভিত্তিক জীবনের নিয়ন্ত্রক ছিল পণ্ডিত হিসেবে খ্যাত খ্রীস্টান ধর্মযাজকরা। তাঁরা “স্কলাস্টিসিজম” (Scholasticism) নামে পরিচিত মধ্যযুগীয় দার্শনিক মতবাদ প্রচলন করেন। তাঁদের পরিবর্তে ধর্ম-নিরপেক্ষ লেখক ও সাহিত্যিকরা উল্লিখিত নতুন ধারা প্রবর্তন করেন। ইতালীতে সর্বপ্রথম এই ধারা প্রবর্তিত হয় এবং প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এই ধারার পূর্বগামী ব্যক্তিত্বের মধ্যে ছিলেন মহাকবি দান্তে (Dante) এবং পেত্রার্ক।
মানবতাবাদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য ছিল। প্রথমতঃ মানবচরিত্রের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য এবং তার অবদান বিবেচ্য বিষয় হিসেবে মানবতাবাদীরা গ্রহণ করেন। দ্বিতীয়তঃ প্রত্যেকটি দার্শনিক ও ধর্ম বিষয়ক চিন্তাধারার মধ্যে নিহিত সত্য পাশাপাশিভাবে মানিয়ে থাকার যোগ্য বলে তাঁরা মনে করেন। তৃতীয়তঃ মানুষের মর্যাদার প্রতি তাঁরা সবিশেষ গুরুত্বআরোপ করেন। কৃত পাপের জন্য প্রায়শ্চিত্ত মানব জীবনের সর্বোচ্চ ও মহত্ত্বম কর্ম বলে মধ্যযুগের ধারণার পরিবর্তে মানবতাবাদীরা সৃষ্টির বেঁচে থাকার সংগ্রামের কথা মনে রেখে প্রকৃতির উপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার কথা চিন্তা করেন। সর্বশেষে, মানবতাবাদীরা মানুষের অবলুপ্ত মনন ও পাণ্ডিত্যের পুনর্জন্ম কামনা করেন। মানবতাবাদ মানুষকে তার মনের উপর চাপিয়ে দেওয়া ধর্মীয় গোঁড়ামি থেকে মুক্তিলাভের সহায়ক হয়, মুক্তচিন্তায় উৎসাহিত করে এবং মানুষের চিন্তা ও সৃষ্টির ক্ষেত্রে অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে।
ইতালী থেকে আহরিত নতুন মানবতাবাদী উদ্দীপনা এবং নবজন্মের ঢেউ ইউরোপের উত্তরাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। মুদ্রণ-ব্যবস্থা আবিষ্কারের ফলে তা’ সহজতর হয় এবং এর ফলে অক্ষরজ্ঞানসম্পন্নদের সংখ্যা বৃদ্ধিপায়। তা’ ছাড়া প্রাচীন সাহিত্য, শিল্প ও দর্শন সম্পর্কিত গ্রন্থাবলী বিস্ফোরকের মতো ছড়িয়ে পড়ে। মানবতাবাদীদের চিন্তাধারার পরোক্ষ ফল হিসেবে ১৬ শতকের ইউরোপ পোপ-বিরোধী ধর্মবিপ্লবের সমর্থক ও ধর্মবিপ্লব-বিরোধীদের সংগ্রাম শুরু হয়। হল্যান্ডের বিখ্যাত মানবতাবাদী পণ্ডিত ডেসিডেরিয়াস ইরেসমাস (Desiderius Erasmus) এবং মানবতাবাদীদের আরো অনেকেই পোপ-বিরোধী ধর্মবিপ্লব সমর্থন করেননি। উল্লিখিত সংগ্রামের ফলে ১৬ শতকের শেষের দিকে ইউরোপের দৃষ্টিপাতের ক্ষমতা এবং উৎসাহ-উদ্দীপনা বহুলাংশে হ্রাস পায়। অপর পক্ষে, বুদ্ধিদীপ্ত জীবন তখন আলোকিত জীবনের কিনারায় অপেক্ষমাণ।[৫]
মানবমুক্তি কাকে বলে
মানবমুক্তি বলতে বোঝানো হয় সমস্যাসমূহ থেকে পুরুষ ও নারীর মুক্তি। এটি মূলত ভাববাদী ধারণা হিসেবে বিকশিত হয়েছিল যখন মানবের মুক্তি বা মোক্ষ বলতে পারলৌকিক মুক্তি বোঝাত। পুঁজিবাদের বিকাশের সাথে এই মুক্তির অর্থ দাঁড়ায় মানব হিসেবে জন্মের পরে কতিপয় অধিকারের সমষ্টি। বুর্জোয়া ধারার চিন্তায় মানবমুক্তি অর্থ মানবাধিকার রক্ষার পদ্ধতি ও নীতিসমূহ।
মার্কসবাদকে বলা হয়েছে প্রলেতারিয়েতের মুক্তির পদ্ধতি সংক্রান্ত মতবাদ। ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস লিখিত, কমিউনিজমের নীতিমালা পুস্তিকার প্রথম প্রশ্নের উত্তরে এই কথা বলা হয়েছে। মার্কসবাদীদের যুক্তি হচ্ছে প্রলেতারিয়েত শ্রেণিটার মুক্তি হচ্ছে প্রধান, কারণ তারা মুক্ত না হলে মানবের মুক্তি ঘটবে না। ফলে প্রলেতারিয়েত দেখায় যে মানবমুক্তি হবে কমিউনিজম আসবার সাথে সাথে।
কমিউনিজম আসবার আগে মানবমুক্তির কথা যতদিন বলা হবে; সেটির অর্থ দাঁড়াবে বুর্জোয়া গালভরা মানবমুক্তির কথা, যেখানে শ্রেণি বৈষম্য বিরাজমান এবং আইনসিদ্ধ। ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস তার কমিউনিজমের নীতিমালা পুস্তিকার প্রথম প্রশ্নের উত্তরে কিন্তু মানবমুক্তির কথা বলেননি; ফলে যতদিন বুর্জোয়া, পেটি-বুর্জোয়ারাও মানবমুক্তির কথা বলবে ততদিন কমিউনিস্টদের বলতে হবে প্রলেতারিয়েতের মুক্তির কথা।
তবে প্রলেতারিয়েত হচ্ছে সেই মুক্তির লড়াইয়ের অগ্রণী শ্রেণি ও সেই কাজের নেতা। পেটি-বুর্জোয়ারা হচ্ছে প্রলেতারিয়েতের অনুগামী। বুর্জোয়া ও পেটি-বুর্জোয়ারা বলে খণ্ডিত মানবের মুক্তির কথা, মিথ্যেবাদী বুর্জোয়ারা নিজেদের মুক্ত থাকা এবং মুক্তভাবে লুট করার স্বাধীনতাকে লুকিয়ে রাখতে চায় মানবমুক্তির মিথ্যাচার করে।
বুর্জোয়াদের সাথে প্রলেতারিয়েতের মানবমুক্তির ধারনার পার্থক্যরেখা করা জরুরি। অর্থাৎ মার্কসবাদীদের উচিত ‘মানবমুক্তি’ না বলে প্রলেতারিয়েতের মুক্তির কথা বলা শ্রেয়। কারণ মুক্তমনা, নাস্তিক, অজ্ঞেয়বাদী, মানবতাবাদী এবং সুবিধাবাদী, সংস্কারবাদি, সংশোধনবাদীরা এই মানবমুক্তির কথা বলছে।
মানবতাবাদ পুঁজিবাদীদের মতবাদ। তাই “কমিউনিস্ট-বাম”রা যখন “মানব সমাজ সহ প্রকৃতিকে বাঁচানোর লড়াইয়ে স্বার্থহীনভাবে জড়িয়ে” থাকেন তখন সেটি মার্কসবাদবিরোধীই হয় যা নির্জলা মানবতাবাদীরাই বলে থাকে।
মার্কসবাদ প্রথমত শ্রমিকশ্রেণীর মুক্তির মতবাদ, শুরু এইখানে, শেষ হবে মানবজাতির মুক্তিতে গিয়ে। তবে পার্থক্যও থাকে কথা দুটির। কারণ মানবতাবাদীরা বলে, বুর্জোয়ারাও বলেছে তারাও মানবজাতির মুক্তি চায়। মানবতাবাদের সাথে নিজেদের পার্থক্যরেখা তৈরির জন্য এই কথাটি এসেছে। সাম্যবাদকে মানবজাতির মুক্তির মতবাদ বললে মানবতাবাদীদের পাকানো জটে সাম্যবাদীরা পেঁচিয়ে যায় বলে আমার মনে হয়।
শ্রেণি বৈষম্যমূলক পুঁজিবাদী-সাম্রাজ্যবাদী এই শোষণ-নিপীড়নমূলক সমাজ ব্যবস্থাকে পাল্টানোর বিপ্লবী সংগ্রাম না করে শুধুই মানবিক সহযোগিতা ও সাহায্যের মাধ্যমে জনগণের দুঃখ-দুর্দশা সমাধানের চেষ্টা করা মানবতাবাদের কাজ। কিন্তু এ পথে স্থায়ী কোনো সমাধান হয় না। বরং বুর্জোয়া ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা নেয়। এজন্য এ জাতীয় মানবতাবাদকে বুর্জোয়া মানবতাবাদ বলা হয়।[৬]
আরো পড়ুন
- সিসেরোর রাষ্ট্রদর্শন: প্রাকৃতিক আইন, মানবতাবাদ ও মানবিক দাসপ্রথা
- রেনেসাঁ বা নবজাগরণ: ইউরোপীয় আধুনিকতার উদয় ও বৌদ্ধিক রূপান্তর
- শিল্পকলা হচ্ছে সৃজনশীল অভিব্যক্তি, গল্প বলার এবং সাংস্কৃতিক অংশগ্রহণের পরিসর
- মানবতাবাদ মানব সমাজের শ্রেণিবিভক্তিকে দেখে না
- মার্কসের দৃষ্টিতে মানুষ হচ্ছে প্রাকৃতিক ও মানবিক বিষয়ের কেন্দ্র
- মার্কসবাদী দৃষ্টিতে ইতিহাস হচ্ছে সমাজের অবস্থা ও সম্পর্কের বিশ্লেষণী পদ্ধতি
- মানব জাতি এবং তার করণীয় প্রসঙ্গে মাওবাদ
- মানব প্রকৃতি তৈরির চেষ্টা হয়েছে সমাজের অর্থনীতির উপরে ভিত্তি করে
- সমাজতান্ত্রিক মানুষের স্বরূপ হচ্ছে সাম্যবাদ আকাঙ্ক্ষী বিপ্লবী চেতনার লড়াকু মানুষ
- বিশ্বকোষকার বা বিশ্বকোষীয় দার্শনিক জনগণের লড়াকু রাজনৈতিক দার্শনিক
- বিশ্বকোষ বা জ্ঞানকোষ বুর্জোয়া বিপ্লবের উদ্দেশ্যে রচিত মানব জ্ঞানের সারাৎসার
- উপযোগবাদ হচ্ছে আদর্শগত নীতিশাস্ত্রের তত্ত্বের একটি গুচ্ছ
- সুখবাদ মানুষের সর্বোচ্চ মঙ্গলার্থক শব্দ হিসাবে নীতিশাস্ত্রের একটি মতবাদ
- নব মানবতাবাদ হচ্ছে মানবেন্দ্রনাথ রায়ের মানবতাবাদী দর্শনের শাখা বিশেষ
- সাহিত্য হচ্ছে মানুষের চিন্তাভাবনা ও অনুভূতির লিখিত অথবা মুদ্রিত বিষয়
- ইতিহাস বস্তুর বিকাশের চেতনানিরপেক্ষ প্রক্রিয়া যা বাস্তবে সংঘটিত ও লিখিত
- দর্শন কী? দর্শন হচ্ছে মানুষের বিশ্ববীক্ষা ও দৃষ্টিভঙ্গির মৌল বিধানের আলোচনা
- মানব প্রকৃতি সম্পর্কে টমাস হবসের ধারণা হচ্ছে স্বার্থপর, লোভী, আত্মকেন্দ্রিক
তথ্যসূত্র
১. রায়হান আকবর, রাজনীতির ভাষা পরিচয়, আন্দোলন প্রকাশনা, ঢাকা, জুন ২০২০, পৃষ্ঠা ২৫-২৬।
২. Nicolas Walter’s Humanism – What’s in the Word (London: Rationalist Press Association, 1997 ISBN 0-301-97001-7) gives an account of the evolution of the meaning of the word humanism from the point of view of a modern secular humanist. A similar perspective, but somewhat less polemical, appears in Richard Norman’s On Humanism (Thinking in Action) (London: Routledge: 2004). For a historical and philologically oriented view, see Vito Giustiniani’s “Homo, Humanus, and the Meanings of Humanism”, Journal of the History of Ideas 46: 2 (April–June 1985): 167–95.
৩. Domenic Marbaniang, “Developing the Spirit of Patriotism and Humanism in Children for Peace and Harmony”, Children At Risk: Issues and Challenges, Jesudason Jeyaraj (Ed.), Bangalore: CFCD/ISPCK, 2009, p.474
৪. অম্লান দাশগুপ্ত, “হিউম্যানিজম”, সুধীর চক্রবর্তী সম্পাদিত বুদ্ধিজীবীর নোটবই, নবযুগ প্রকাশনী, বাংলাবাজার, ঢাকা, প্রথম সংস্করণ ফেব্রুয়ারি ২০১০, পৃষ্ঠা, ৬৮৮-৬৯০।
৫. আবদুল মতিন, ইউরোপের কথা ও কাহিনী, র্যাডিক্যাল এশিয়া পাবলিকেশান্স, লন্ডন, ঢাকা; প্রথম প্রকাশ, ফেব্রুয়ারি ২০০৫; পৃষ্ঠা ৫২-৫৩।
৬. প্রবন্ধটি রোদ্দুরে.কমে ১৯ আগস্ট ২০২০ তারিখে প্রকাশিত হয়। সেখান থেকে লেখাটি ২৯ জুলাই ২০২২ তারিখে ফুলকিবাজ ডট কমে পুনরায় প্রকাশ করা হলো। প্রবন্ধটির রচনাকাল ১৯ আগস্ট ২০২০, নেত্রকোনা।
অনুপ সাদি বাংলাদেশের একজন লেখক ও গবেষক। তাঁর লেখা ও সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা উনিশটি। ২০০৪ সালে কবিতা গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে তিনি পাঠকের সামনে আবির্ভূত হন। ‘সমাজতন্ত্র’ ও ‘মার্কসবাদ’ তাঁর দুটি পাঠকপ্রিয় প্রবন্ধ গ্রন্থ। সাহিত্য ও রাজনীতি বিষয়ে চিন্তাশীল গবেষণামূলক লেখা তাঁর আগ্রহের বিষয়।