নকশাল সাহিত্য বা নকশাল আন্দোলনের সাহিত্য (ইংরেজি: Naxal Literature) হচ্ছে নকশালবাদী বা নকশাল আন্দোলনের বহুমুখী বিষয়কে কেন্দ্র করে লেখা প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রন্থের সমাহার। বিশ শতকের সত্তরের দশককে মুক্তির দশক ঘোষণা করা হলে দক্ষিণ এশিয়ায় সাম্যবাদী বিপ্লবী যেসব আন্দোলনের সূত্রপাত হয় তার ভেতরে নকশাল আন্দোলন প্রধান। এই আন্দোলনের অনুপ্রেরণায় সাম্যবাদী সাহিত্য ও সাম্যবাদী প্রচারণা এক নতুন মোড় নেয়।
পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার নকশালবাড়ি এলাকা থেকে ভারতীয় সন্ত্রাসবাদী যুদ্ধাপরাধী আধুনিক-বর্বর গণহত্যাকারী খুনী কংগ্রেস দলের সরকারের বিরুদ্ধে মহান কৃষকগণ এই অভ্যুত্থান আরম্ভ করেন। ১৯৬৭-র মার্চ মাসে তরাই-এর নকশালবাড়ী এলাকায় এই কৃষক আন্দোলনের সূত্রপাত, তা নানা কারণে ভারতবর্ষের রাজনীতিক ও সামাজিক ইতিহাসে সবিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। এই আন্দোলন যেমন এক দিকে এদেশের কমিউনিস্ট পার্টিগুলির রাজনীতিক কর্মকাণ্ড এবং সংসদীয় রাজনীতির বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করেছিল, তেমনি শহরের ছাত্র যুবক বুদ্ধিজীবীদের এক বিশাল অংশকে যুক্ত করতে পেরেছিল কৃষক আন্দোলনের অংশভাগ হিসাবে। ফলে মধ্য শ্রেণির উপরোক্ত অংশ এযাবতকালের দোলায়মান শ্রেণী অবস্থান থেকে, সাময়িককালের জন্যে হলেও চেষ্টত হয়েছিলেন আপন শ্রেণিচ্যুতি ঘটাতে। কার্যক্ষেত্রে তা কতটা সার্থক বা ব্যর্থ হয়েছিল, সে বিচারের দায় ইতিহাসের। অবশ্য এ-তথ্য অনস্বীকার্য যে, তেভাগা আন্দোলন, কাকদ্বীপের লড়াই ইত্যাদি কৃষক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ইতিপূর্বেও কবিতা-গান-গল্প লেখা হয়েছে, কিন্তু সেগুলি শেষ পর্যন্ত ছিল মধ্যবিত্তে। রচিত মধ্যবিত্ত চেতনার সাহিত্য। তা কোনদিন যথার্থ অর্থে কাক-চেতনার সাহিত্য হয়ে উঠতে পারেনি। অথবা বলা চলে, সে চেষ্টাও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর সাহিত্যিকেরা করেননি।
নকশালবাদী আন্দোলনে যে মধ্যবিত্ত ছাত্র যুবকেরা অংশ গ্রহণ করেছিলেন, তাঁদের সকলেই আকাঙ্ক্ষিত ছিলেন কৃষকের সঙ্গে একাত্ম হতে এবং তাদের কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে। যারা এই আন্দোলনের সঙ্গে সংযুক্ত ছিলেন বা যারা সংযুক্ত না থেকেও এই আন্দোলনকে রাজনীতিকভাবে সমর্থন করেছিলেন, তাদের সকলের কাছেই উক্ত প্রাথমিক চেতনাই ছিল এক মূল্যবান শর্ত। স্বাভাবিকভাবেই এই চেতনা থেকেই তাঁরা গণমুখী সাহিত্যের বিষয়ে ভাবিত হলেন; চেষ্টা করলেন সাহিত্যে কৃষক-শ্রমিক জনগণের চিন্তা এবং সংগ্রামকে সাহিত্যে নিয়ে আসতে। এর ফলে সমাজ বিষয়ক চিন্তায় যেমন একটা নতুন বৈজ্ঞানিক চিন্তার প্রকাশ ঘটলো, তেমন সাহিত্যের ক্ষেত্রেও এল পরিবর্তিত চেতনার নতুন প্রকাশ বাসনা। সার্থকতা বা ব্যর্থতা বিষয়ে এখানেও অবশ্য বিতর্কের অবকাশ থেকেই যাচ্ছে।
স্বাভাবিকভাবেই, নকশালবাড়ির এই স্ফুলিঙ্গ তৎকালীন বাংলা সাহিত্যেও গভীর প্রভাব ফেলেছিল। এই উত্তাল সময়কে কেন্দ্র করে রচিত হতে শুরু করে বিচিত্র স্বাদের উপন্যাস ও ছোটগল্প। সমরেশ বসু, মহাশ্বেতা দেবী, নবারুণ ভট্টাচার্য, তপোবিজয় ঘোষ, ব্রজেন মজুমদার ও সুধীর করণের মতো সাহিত্যিকদের লেখনীতে উঠে আসে সেই সংগ্রামের আখ্যান। পরবর্তীকালে শতাধিক কবি ও লেখকের কলমে এই আন্দোলন এক অবিনশ্বর সাহিত্যিক দলিলে পরিণত হয়েছে।
নকশাল আন্দোলন নিয়ে রচিত প্রায় ৬০টি গ্রন্থের নাম নিয়ে নিচের এই তালিকাটি সাজানো হয়েছে।
নকশাল সাহিত্য আন্দোলনে গল্প ও উপন্যাস
- নকশাল আন্দোলনের গল্প – বিজিত ঘোষ সম্পাদিত (পুনশ্চ)
- দ্রোহজ – সুপ্রিয় চৌধুরী (আনন্দ)
- আটটা নটার সূর্য – অশোককুমার মুখোপাধ্যায় (দেজ)
- হাজার চুরাশির মা, অগ্নিগর্ভ – মহাশ্বেতা দেবী (করুণা)
- অপারেশন? বসাই টুডু – মহাশ্বেতা দেবী (১৯৭৮),
- কালবেলা – সমরেশ মজুমদার (আনন্দ)
- সামনে লড়াই – তপোবিজয় ঘোষ (নবজাতক)
- অগ্রবাহিনী, অজ্ঞাতবাস – শৈবাল মিত্র (দেজ)
- ৫টি বজ্রনির্ঘোষের উপন্যাস – শৈবাল মিত্র (দেজ)
- নকশালবাড়ি – সুধাংশুরঞ্জন ঘোষ (তুলি-কলম)
- গৃহযুদ্ধ (রক্তকরবী), অসংলগ্ন কাব্য ( উরবি) – অসীম রায়
- আমি ও বনবিহারী – সন্দীপন চট্টোপাধ্যায় (আজকাল)
- শেকল ছেঁড়া হাতের খোঁজে, মহাকালের রথের ঘোড়া – সমরেশ বসু (আনন্দ)
- মৃত্যুকুসুম – কিন্নর রায় (দেজ)
- অকালবোধন – অনিতা অগ্নিহোত্রী (করুণা)
- প্রতিদ্বন্দ্বী – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (দেজ)
- স্বপ্নযুগ – রবিশঙ্কর বল (উরবি)
- অন্তর্ঘাত – বানি বসু (আনন্দ)
- হন্যমান – জয়া মিত্র (দেজ)
- পূব আকাশ লাল – অসীম চট্টোপাধ্যায় (মডার্ন কলাম)
- সময় অসময় – সুভাষ মজুমদার (এবং মুশায়েরা)
- এভাবেই এগোয় – জয়ন্ত জোয়ারদার (pbs)
- নয়া দুঃখ কথা – প্রদীপ দাশশর্মা (দিবারাত্রির কাব্য)
- ১৯৭০ – রাঘব বন্দ্যোপাধ্যায় (চর্চাপদ) [কমিউনিস ও জার্নাল সত্তর]
- হাওয়া গাড়ি – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় (মিত্র ও ঘোষ)
- শ্যাওলা – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় (১৯৭৭)
- গন্তব্য – সমরেশ বসু
- মানুষ শক্তির উৎস – সমরেশ বসু
- একদা ঘাতক – শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায় (দেজ)
- স্বামী স্ত্রী – দেবেশ রায় (প্রতিভাস)
- স্রোতের সঙ্গে – নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় (মিত্র ও ঘোষ)
- ফিরে দেখার সংলাপ – সমীরণ মজুমদার (নান্দীমুখ সংসদ)
- সেই ঝড়ের কাল – শুকদেব চট্টোপাধ্যায়
- সংশপ্তক – নিমাই ঘোষ
- সিঁদুরে মেঘ – শৈবাল মিত্র
- অজ্ঞাতবাস – শৈবাল মিত্র (১৯৮০)
- চোরাবালি – কৃষ্ণ চক্রবর্তী (চিরায়ত প্রকাশন)
- শালবনি – গুণময় মান্না
- গ্রামে চল – স্বর্ণ মিত্র (১৯৭২) (চলন্তিকা বইঘর)
- গ্রামে চল – উৎপলেন্দু চক্রবর্তী
নকশাল সাহিত্য আন্দোলনে প্রবন্ধ
- নকশালবাড়ি: একটি মূল্যায়ন – সুনীতি কুমার ঘোষ (পিপলস বুক সোসাইটি)
- জেলের ভেতর জেল – মীনাক্ষী সেন (কারিগর)
- সেই দশক – সম্পাদনাঃ পুলকেশ মণ্ডল ও জয়া মিত্র (প্যাপিরাস)
- অন্তরঙ্গ চারু মজুমদার – সম্পাদনাঃ অমিত রায় (র্যাডিকাল)
- কারাগারে ১৮ বছর – আজিজুল হক (দেজ)
- লালবাজারে ৬৪ দিন – মলয়া ঘোষ (সেতু)
- নকশাল আন্দোলন ও বাংলা সাহিত্য – নির্মল ঘোষ (করুণা)
- নকশাল আন্দোলন ও বাংলা কথাসাহিত্য – ফটিকচাঁদ ঘোষ (বঙ্গীয় সাহিত্য সংসদ)
- মানুষ মেরেছি আমি – আজিজুল হক (আজকাল)
- চারু মজুমদারের কথা – সৌরেন বসু (পিপলস বুক সোসাইটি)
- আমার বাড়ি তোমার বাড়ি – চিত্ত মুখোপাধ্যায় (পরম্পরা)
নকশাল সাহিত্য আন্দোলনে কবিতা
নকশাল আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত বাংলা কবিতার বইগুলো প্রধানত শোষণমুক্ত সমাজ গঠনের স্বপ্ন এবং রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের দলিল। নিচে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কবিতার বই এবং সংকলনের নাম দেওয়া হলো:
১. থিম বুক অফ নকশাল পয়েট্রি (Thema Book of Naxalite Poetry) হচ্ছে সুমন্ত বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংকলন, যেখানে আন্দোলনের সময়ের বিভিন্ন কবির প্রতিবাদী কবিতা সংগৃহীত হয়েছে।
২. জেলখানার কবিতা হচ্ছে অর্জুন গোস্বামী সম্পাদিত একটি বই। এই সংকলনে কারান্তরালে বন্দি নকশালপন্থী কবিদের লেখা কবিতাগুলো স্থান পেয়েছে।
৩. নকশাল আন্দোলন ও বাংলা কবিতা হচ্ছে ড. ফটিক চাঁদ ঘোষের একটি বই। এই গ্রন্থটি মূলত একটি বিশ্লেষণাত্মক কাজ হলেও এখানে আন্দোলনের সময়কার প্রচুর কবিতার উল্লেখ ও সংকলন রয়েছে।
৪. বিমূর্ত বিসংবাদ হচ্ছে নকশালপন্থী কবি মনিভূষণ ভট্টাচার্যের একটি কাব্যগ্রন্থ। এটি নকশালবাদী ধারার সাহিত্যে বিশেষ পরিচিত।
৫. অস্ত্রের বিরুদ্ধে অস্ত্র হচ্ছে কবি সরোজলাল বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বই, এই বইয়ের কবিতাসমূহ এই আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে।
৬. গ্রন্থিত ও অগ্রন্থিত কবিতা ও দিনলিপি হচ্ছে দ্রোণাচার্য ঘোষ রচিত একটি বই যা উবুদশ থেকে প্রকাশিত হয়। এই বইটি নকশালবাদী আন্দোলনের প্রভাবকে তুলে ধরে।
৭. জেল থেকে মাকে নামের বইটি সম্পাদনা করেন অজয় বসুরায় ও সত্যেন বন্দ্যোপাধ্যায়, যেটি বের হবার প্রকাশনীর নাম জানা যায় না এবং এটিও নকশাল আন্দোলনের উপর রচিত।
নকশাল আন্দোলনের নাটক
- নকশাল আন্দোলনের নাটক সংগ্রহ – সম্পাদনাঃ মিলন গোপাল গোস্বামী (করুণা)
- বজ্রনির্ঘোষের নাটক (উবুদশ)
নকশাল আন্দোলনের সংকলন
- সহযোদ্ধা – দিব্যেন্দু পালিত (১০টি উপন্যাস – আনন্দ)
- কমলা কেমন আছে – গৌরকিশোর ঘোষ (উপন্যাস সংগ্রহ – আনন্দ)
- শোকমিছিল – দীপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় (গল্পসমগ্র – একুশশতক)
- লাল তমসুক- অমর ভট্টাচার্য (প্রকাশনা- গাঙচিল)
- নকশাল দ্রোহে নারী – নেসার আহমেদ (ঐতিহ্য ঢাকা)।
🔗 নকশালবাড়ি সংগ্রহশালা:
- 📖 আরও পড়ুন: সাহিত্যের পাশাপাশি গণসংগীত ছিল শোষিতের প্রতিবাদের ভাষা: আর কতকাল, বলো সইব কতকাল গানের বিশ্লেষণ 🎤
- 📖 আরও পড়ুন: যাঁদের বিপ্লবী জীবন এই কালজয়ী সাহিত্যের প্রেক্ষাপট তৈরি করেছে: কমরেড মুজিবর রহমান 📖
- 🚩 আরও পড়ুন: নকশালবাড়ি আন্দোলনের সাহিত্য ও বিপ্লবীদের জীবন নিয়ে আরও কিছু: নকশালবাড়ি অভ্যুত্থান।
আরো পড়ুন
- মার্টিন লুথার ও প্রোটেস্ট্যান্ট সংস্কার: সামন্তবাদী ইউরোপ থেকে আধুনিকতার উত্তরণ
- নব্য ধ্রুপদী বা নিওক্লাসিকাল সাহিত্য ইউরোপীয় সাহিত্যে উদ্ভূত বিশেষ ধারার সাহিত্য
- নব্য ধ্রুপদীবাদ শিল্প ও সাহিত্য আন্দোলন যা প্রাচীন গ্রিক ও রোমান শিল্পের অনুসরণ করে
- ধ্রুপদীবাদ বা ক্লাসিসিজম হচ্ছে পশ্চিমা ঐতিহ্যের উচ্চ শ্রদ্ধাপূর্ণ প্রাচীন কাল
- উত্তর আধুনিকতাবাদ বিভিন্ন শৈল্পিক, সাংস্কৃতিক ও দার্শনিক আন্দোলনকে অন্তর্ভুক্ত করে
- আধুনিকতাবাদী সাহিত্য হচ্ছে নিরীক্ষাধর্মী সাহিত্যিক আন্দোলন
- ভবিষ্যবাদ বা ফিউচারিজম ছিল একটি শৈল্পিক ও সামাজিক আন্দোলন
- দাদাবাদ বা খেয়ালবাদ ছিল একটি আন্তর্জাতিক নৈরাজ্যবাদী শিল্প আন্দোলন
- সাহিত্য প্রসঙ্গে গ্রন্থ সম্পর্কে একটি আলোচনা
- নকশালবাড়ি আন্দোলনের সাহিত্য: অর্ধশতাধিক কালজয়ী গ্রন্থের এক অনন্য সংকলন
- হৃতসর্বস্ব প্রজন্ম ছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়কালের সামাজিক প্রজন্মের সমাহার
- জাদু বাস্তববাদ হচ্ছে আধুনিক বিশ্বের কথাসাহিত্যের একটি শৈলী ও সাহিত্য ধারা
- সমাজতান্ত্রিক বাস্তববাদ তুলে ধরে সাম্যবাদ অভিমুখী পার্টির প্রতি শিল্পীর কর্তব্য
- সাহিত্যিক বাস্তববাদ সত্যদৃষ্টি দিয়ে বিষয়বস্তুকে উপস্থাপন করার চেষ্টা করে
- চেতনা প্রবাহ হচ্ছে সাহিত্য সমালোচনায় একটি বর্ণনামূলক উপায় বা পদ্ধতি
- রোমান্টিক কবিতা হচ্ছে রোমান্টিকতাবাদী সাহিত্য আন্দোলন থেকে উদ্ভূত কবিতা
- রোমান্টিকতাবাদ শৈল্পিক, সাহিত্যিক, সাংগীতিক এবং মনীষাগত আন্দোলন
তথ্যসূত্র
১. নির্মল ঘোষ, নকশালবাদী আন্দোলন ও বাংলা সাহিত্য, ভূমিকা, আষাঢ় ১৩৩৮, করুণা প্রকাশনী কলকাতা, পৃষ্ঠা – ভূমিকাংশ।
অনুপ সাদি একজন বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক ও সম্পাদক। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি রাজনীতি, সমাজ এবং শ্রমিক-কৃষকের মুক্তিকামী চেতনা নিয়ে নিরবচ্ছিন্নভাবে লিখে চলেছেন। বর্তমানে তাঁর প্রকাশিত ও সম্পাদিত গ্রন্থের সংখ্যা ১৯টি। ২০১২ সাল থেকে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালে তাঁর সরব উপস্থিতি রয়েছে। সমাজতন্ত্র ও মার্কসবাদ নামে তাঁর দুটি পাঠকপ্রিয় বই রয়েছে। বর্তমানে তিনি ‘রোদ্দুরে‘ ও ‘ফুলকিবাজ‘ পোর্টালে নিয়মিত কলাম লিখছেন। 📚 আরও পড়ুন: অনুপ সাদির বইসমূহ: কবিতা, প্রবন্ধ ও সম্পাদিত গ্রন্থের পূর্ণাঙ্গ তালিকা। 📚