বাংলার সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলন: ইতিহাস, আদর্শ ও গুপ্ত সমিতির কার্যকলাপ

বাংলার সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলন বা বাঙালির সশস্ত্র মুক্তি আন্দোলন ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গৌরবোজ্জ্বল ও রক্তঝরা অধ্যায়। বিশ শতকের গোড়ার দিকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন ছিল ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালি বিপ্লবীদের এক আপসহীন ও বৈপ্লবিক জাতীয়তাবাদী প্রচেষ্টা। ভারতের স্বাধীনতার শত্রু মুৎসুদ্দি প্রতিনিধি সাম্প্রদায়িক সামন্তবাদী মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর নেতৃত্বে পরিচালিত সাধারণভাবে আইন অমান্য আন্দোলনের বিরোধী পক্ষ হিসাবে সেসময়ের ক্ষমতাসীন আধুনিক বর্বরতাবাদী ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিপ্লবে বিশ্বাসী বাংলার বিভিন্ন গোষ্ঠী এই সশস্ত্র আন্দোলন পরিচালনা করে।

দেশের পূর্ণ স্বাধীনতার লক্ষ্যে গঠিত বিভিন্ন গোপন ও প্রকাশ্য বিপ্লবী দলগুলোর ক্রিয়াকলাপের মধ্য দিয়ে এই আন্দোলন পরিচালিত হয়েছিল। মূলত কলকাতা, মেদিনীপুর, বরিশাল, চট্টগ্রাম এবং ময়মনসিংহ জেলাকে কেন্দ্র করে এই সশস্ত্র আন্দোলন বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগ পর্যন্ত সক্রিয় ছিল।

সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনের পটভূমি ও চরমপন্থার উত্থান

উনিশ শতকের শেষভাগ এবং বিশ শতকের শুরুতে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের তৎকালীন প্রবীণ নেতাদের অনুসৃত আবেদন-নিবেদন ও আপোশকামী নীতি তরুণ ও প্রগতিশীল যুবসমাজের আকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হয়। ফলে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে একটি আপসহীন ও চূড়ান্ত সংগ্রাম গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। এই প্রেক্ষাপটেই কংগ্রেসের অভ্যন্তরে এবং বাইরে এক নতুন চরমপন্থী দলের জন্ম হয়।

এই নতুন বা চরমপন্থী দল প্রবীণ নেতাদের সাম্রাজ্যবাদী শক্তির সাথে মৈত্রীভাব ও সহযোগিতার নীতির তীব্র সমালোচনা করে। তবে তৎকালীন সময়ে একটি সুসংগঠিত গণ-আন্দোলনের ভিত্তি পুরোপুরি তৈরি না হওয়ায়, এই নতুন দলের মূল ভিত্তি হয়ে দাঁড়ায় সমাজ থেকে অবহেলিত মধ্যবিত্ত শ্রেণী, দরিদ্র ছাত্র এবং শিক্ষিত বেকার যুবসমাজ। অর্থনৈতিক মন্দা ও কর্মসংস্থানের অভাবে জর্জরিত এই যুব সমাজ প্রবীণ নেতাদের ধীরগতির রাজনীতির প্রতি ধৈর্য হারিয়ে দ্রুত এবং কার্যকর পরিবর্তনের পথ খুঁজছিল।

আদর্শিক দ্বন্দ্ব ও সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদ

তৎকালীন চরমপন্থী ও সশস্ত্র আন্দোলনের নেতারা পাশ্চাত্য সভ্যতার তুলনায় হিন্দু বা আর্য সভ্যতার আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক শ্রেষ্ঠত্বের ধারণার ওপর ভিত্তি করে জাতীয়তাবোধকে তীব্র করার চেষ্টা করেন। মহারাষ্ট্রে বালগঙ্গাধর তিলকের নেতৃত্বে কংগ্রেসের এই নতুন ধারাটি ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ দশকে শক্তিশালী হয়ে ওঠে। তিলক ছাড়াও বাংলার বিপিন চন্দ্র পাল ও অরবিন্দ ঘোষ এবং পাঞ্জাবের লালা লাজপৎ রায় (লাল-বাল-পাল) ছিলেন এই চরমপন্থী ভাবধারার প্রধান নেতা।

তৎকালীন সামাজিক রক্ষণশীলতা ও জাতীয় ঐতিহ্যকে হাতিয়ার করে তাঁরা সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলন গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। তবে সমাজনীতি ও রাজনীতির আধুনিক বিজ্ঞানসম্মত মতবাদের অভাব এবং তাত্ত্বিক সীমাবদ্ধতার কারণে তৎকালীন অনেক সামাজিক গলদ ও অন্ধত্বকেও এই আন্দোলনের অংশ হিসেবে শ্রদ্ধার চোখে দেখা হতো। ফলস্বরূপ, প্রগতিশীল চিন্তা থাকা সত্ত্বেও এক বিশাল অংশ শেষ পর্যন্ত সশস্ত্র গোপন বিপ্লবী কার্যকলাপের দিকে ঝুঁকে পড়ে।[১]

বাংলায় প্রধান বিপ্লবী সমিতি ও তাদের লক্ষ্য

বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের (১৯০৫) পরবর্তী সময়ে গণ-আন্দোলনে সাময়িক মন্দাভাব দেখা দিলে বাংলার বিপ্লবী সংগঠনগুলো রাজনৈতিক গোপন কৌশল ও সশস্ত্র প্রতিরোধের পথ বেছে নেয়। এ সময় সমগ্র বাংলা জুড়ে বেশ কিছু শক্তিশালী গোপন সমিতি গড়ে ওঠে, যার মধ্যে অন্যতম প্রধান ছিল:

  • কলকাতার অনুশীলন সমিতি: ১৯০২ সালের ২৪ মার্চ ব্যারিস্টার প্রমথনাথ মিত্রকে (পি. মিত্র) সভাপতি এবং সতীশচন্দ্র বসুকে অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা করে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে এর মূল কার্যালয় কলকাতার ৪৯ কর্নওয়ালিস স্ট্রিটে (বর্তমান বিধান সরণি) স্থানান্তরিত হয়।
  • ঢাকার অনুশীলন সমিতি: ১৯০৬ সালে পুলিন বিহারী দাসের নেতৃত্বে পূর্ববঙ্গে এই শক্তিশালী শাখাটি গঠিত হয়।
  • যুগান্তর দল: ব্রিটিশবিরোধী সশস্ত্র সংগ্রাম পরিচালনার উদ্দেশ্যে ১৯০৬ সালে ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত, বারীন ঘোষসহ অন্যান্য বিপ্লবীদের উদ্যোগে কলকাতায় ‘যুগান্তর সমিতি’ বা যুগান্তর দল প্রতিষ্ঠিত হয়।[২]

বিপ্লবী সমিতিগুলির আরব্ধ উদ্দেশ্য:

এই গুপ্ত সমিতিগুলো কেবল শহরেই নয়, বাংলার প্রত্যন্ত গ্রামেও তাদের শাখা বিস্তার করেছিল। কলকাতার ‘যুগান্তর’ পত্রিকা এবং বিভিন্ন বিপ্লবী পুস্তিকার বিবরণ অনুযায়ী তাদের মূল লক্ষ্য ছিল:
১. ভারতীয় যুবকদের মধ্যে তীব্র জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা।
২. যেকোনো উপায়ে ভারতের পূর্ণ স্বাধীনতা অর্জনের জন্য যুবসমাজকে প্রস্তুত করা।
৩. সশস্ত্র আক্রমণ, রাজনৈতিক হত্যা এবং ব্রিটিশ প্রশাসনের মনে ত্রাস সৃষ্টির মাধ্যমে ঔপনিবেশিক শাসনব্যবস্থাকে পঙ্গু করা।

গোপন সমিতি থেকে প্রকাশিত ‘বর্তমান রণনীতি’ নামক পুস্তিকায় বলা হয়েছিল—“যদি অন্য কোনো উপায়ে শোষণের অবসান ঘটানো না যায়, যদি দাসত্বের কুষ্ঠরোগ আমাদের জাতির রক্তকে বিষাক্ত করে তোলে ও তার জীবনীশক্তি শুষে নেয়, তবে যুদ্ধ অনিবার্য।”[৩]

আন্দোলনের নেপথ্যে নারী সমাজ ও আন্তর্জাতিক প্রভাব

বাংলার সশস্ত্র আন্দোলনে অসামান্য অবদান রেখেছিলেন বেশ কিছু দূরদর্শী নারী ও আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব।

  • সরলাদেবী চৌধুরানী: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাগ্নি সরলাদেবী বিপ্লবী যতীন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে যুক্ত হয়ে যুবকদের শারীরিক ও মানসিক শক্তি বৃদ্ধির জন্য লাঠিখেলা ও ব্যায়ামাগার গড়ে তোলেন এবং বৈপ্লবিক কর্মকাণ্ডে সরাসরি যুক্ত হন।
  • ভগিনী নিবেদিতা: স্বামী বিবেকানন্দের শিষ্যা ভগিনী নিবেদিতা ভারতের রাজনৈতিক ও বিপ্লবী আন্দোলনে সক্রিয় অংশ নেন। তিনি রুশ অ্যানার্কিস্ট (অরাজকতাবাদী) নেতা পিটার ক্রোপটকিনের চিন্তাধারা দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন। বরোদায় অরবিন্দ ঘোষের সাথে সাক্ষাৎ করে তিনি কলকাতার গুপ্তসমিতিগুলোর তথ্য আদান-প্রদান করেন এবং বিপ্লবীদের অনুপ্রাণিত করতে ইতালির বিপ্লবী ম্যাতসিনির (Mazzini) আত্মজীবনী বাংলায় ছড়িয়ে দেন।
  • ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত: বিপ্লবীদের অনুপ্রাণিত করতে ইতালির বিপ্লবী ম্যাতসিনির (Mazzini) আত্মজীবনী বাংলায় ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে ভগিনী নিবেদিতার ভূমিকা ছিল অনবদ্য। স্বামী বিবেকানন্দের ছোট ভাই এবং বাংলার প্রথম যুগের বিপ্লব প্রচেষ্টায় অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত, নিবেদিতার এই প্রচার কার্য সম্বন্ধে পরবর্তীতে বলেছিলেন:

    “ম্যাতসিনির আত্মজীবনীর ছয় খণ্ডের প্রথম খণ্ডটি তিনি বৈপ্লবিক সমিতিকে প্রদান করেন…..এই পুস্তকের শেষে, গেরিলা যুদ্ধ কি প্রকারে করিতে হয় তৎ বিষয়ে একটি অধ্যায় আছে। ইহা টাইপ করিয়া চারিদিকে প্রেরিত হইত,…এই যুদ্ধ পদ্ধতিই আমাদের লক্ষ্য ছিল।”
  • ওকাকুরা ও হেমচন্দ্র দাস: জাপানি অধ্যাপক ওকাকুরা তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘আইডিয়াল অফ দি ইস্ট’ (Ideal of the East)-এ ইউরোপীয় সাম্রাজ্যবাদের হাত থেকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মুক্তির কথা বলেন। তিনি সুরেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও নিবেদিতার সাথে মিলে তরুণদের মাঝে বৈপ্লবিক চেতনা জাগানোর কাজ করেন। অন্যদিকে, যুগান্তর পার্টির হেমচন্দ্র দাস ১৯০৭ সালে ইউরোপে গিয়ে নির্বাসিত রুশ বিপ্লবীদের কাছ থেকে আধুনিক বোমা তৈরির কৌশল শিখে ১৯০৮ সালে দেশে ফিরে আসেন, যা বাংলার বিপ্লবী আন্দোলনে বোমার ব্যবহার ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে দেয়।[৪]

ব্রিটিশ রাজের দমনপীড়ন ও বিপ্লবীদের প্রতিরোধ

১৯০৮ খ্রীস্টাব্দ থেকে বাংলা ও মহারাষ্ট্রে সশস্ত্র ও ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। এর জবাবে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার বিপ্লবীদের ওপর নিষ্ঠুর অত্যাচার ও দমনপীড়ন শুরু করে।

  • নেতৃবৃন্দের কারাদণ্ড ও ফাঁসি: ১৯০৮-১৯০৯ সালের মধ্যে ব্রিটিশদের তীব্র অভিযানে ‘মানিকতলা গার্ডেন সোসাইটি’, ‘অভিনব ভারত’ ও ‘অনুশীলন সমিতি’র মতো প্রকাশ্য সংগঠনগুলো আইনি বাধার মুখে পড়ে। বারীন ঘোষ, উল্লাসকর দত্ত, হেমচন্দ্র দাস, উপেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, পুলিনবিহারী দাস এবং সাভারকর ভাইদের মতো শীর্ষস্থানীয় বিপ্লবী নেতারা গ্রেফতার ও জেলবন্দী হন। বহু বিপ্লবীকে ফাঁসি ও দ্বীপান্তর দেওয়া হয়।
  • আন্দোলনের পুনরুত্থান: সরকারি নির্যাতন সত্ত্বেও বিপ্লবীদের স্তব্ধ করা যায়নি। পুরোনো সংগঠনগুলোর জায়গায় নতুন নতুন দল গড়ে ওঠে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালে (১৯০৯ খ্রীস্টাব্দে) বারাণসী, রাজাবাজার (কলকাতা) ও পূর্ববঙ্গের ‘বরিশাল সমিতি’ পুনরায় অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে ওঠে। ১৯০৯ থেকে ১৯১৪ সালের মধ্যে ব্রিটিশ কর্মকর্তা এবং পুলিশের দালালদের লক্ষ্য করে প্রায় ৩২টি সশস্ত্র অভিযান চালানো হয়।
  • ভাইসরয় হার্ডিঞ্জ হত্যাচেষ্টা: ১৯১২ খ্রীস্টাব্দে বিপ্লবীরা ভারতের ব্রিটিশ ভাইসরয় লর্ড হার্ডিঞ্জকে হত্যার উদ্দেশ্যে বোমা হামলা চালায়, যাতে তিনি মারাত্মকভাবে আহত হন।

সন্ত্রাসের দর্শন: বিচ্ছিন্ন হত্যাকাণ্ড নাকি দীর্ঘমেয়াদী অভ্যুত্থান?

বাংলার বিপ্লবীদের কাছে সশস্ত্র প্রতিরোধ বা রাজনৈতিক সন্ত্রাসের অর্থ একেক দলের কাছে একেক রকম ছিল। এটি কেবল অন্ধ হত্যাকাণ্ড ছিল না, বরং এর পেছনে একটি সুনির্দিষ্ট বৈপ্লবিক অনুঘটকের দর্শন কাজ করত।

বিপ্লবী নেতা বারীন ঘোষের মতে—তারা কেবল কয়েকজন ব্রিটিশকে হত্যা করে দেশ স্বাধীন করার অবাস্তব স্বপ্ন দেখতেন না, বরং তাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে কিভাবে দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করতে হয়, তা তরুণ সমাজকে দেখানো।

দলগতভাবে এই দর্শনের প্রয়োগে কিছুটা ভিন্নতা ছিল:

  • যুগান্তর পার্টির উপদল (মানিকতলা গার্ডেন সোসাইটি): তারা আকস্মিক সশস্ত্র আক্রমণ ও ব্রিটিশদের মনে ত্রাস সৃষ্টি করাকেই বৈপ্লবিক কর্মকাণ্ডের প্রধান অংশ মনে করত।
  • ঢাকার অনুশীলন সমিতি ও গোয়ালিয়রের নবভারত সমিতি: তারা বিচ্ছিন্ন আক্রমণের চেয়ে ভবিষ্যতের একটি সুসংগঠিত ও ব্যাপক সশস্ত্র গণ-অভ্যুত্থানের লক্ষ্যে নিজেদের শক্তি ও সামরিক প্রস্তুতি তৈরি করার দিকে বেশি মনোযোগী ছিল।[৫]

উপসংহার

বাংলার বৈপ্লবিক জাতীয়তাবাদী আন্দোলন হয়তো রাতারাতি ভারতকে স্বাধীন করতে পারেনি, কিন্তু এই আন্দোলন ব্রিটিশদের এই বার্তা স্পষ্ট করে দিয়েছিল যে, বাঙালি তথা ভারতীয়দের আর দাসের মতো শৃঙ্খলিত করে রাখা যাবে না। মাস্টারদা সূর্য সেন, ক্ষুদিরাম বসু, প্রফুল্ল চাকী, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারদের মতো বিপ্লবীদের আত্মত্যাগ পরবর্তীকালের গণ-আন্দোলন ও ভারতের চূড়ান্ত স্বাধীনতার পথকে মসৃণ ও তরান্বিত করেছিল।

আরো পড়ুন

তথ্যসূত্র ও টিকা

১. জয়নাল আবেদীন, উপমহাদেশের জাতীয়তাবাদী ও বামধারার রাজনীতি: প্রেক্ষিত বাংলাদেশ, ফেব্রুয়ারি ২০১৩, বাংলাপ্রকাশ, ঢাকা, পৃষ্ঠা ২-৩।
২. চিন্মোহন সেহানবীশ, গণেশ ঘোষ ও অন্যান্য, মুক্তির সংগ্রামে ভারত, পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি, কলকাতা, দ্বিতীয় সংস্করণ, ডিসেম্বর ২০১০, পৃষ্ঠা ৫৬।
৩. কোকা আন্তোনভা, গ্রিগরি বোনগার্দ-লেভিন, গ্রিগোরি কতোভস্কি; অনুবাদক মঙ্গলাচরণ চট্টোপাধ্যায়; ভারতবর্ষের ইতিহাস, প্রগতি প্রকাশন, মস্কো, প্রথম সংস্করণ ১৯৮২, পৃষ্ঠা- ৫১৩-৫১৮।
৪. স্নিগ্ধা সেন, ঐচ্ছিক ইতিহাস, “চরমপন্থা, স্বদেশী আন্দোলন, এবং সুরাটে কংগ্রেসের ভাঙ্গন”, নেতাজী সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, কলকাতা, দ্বিতীয় পুনঃমুদ্রণ, জুন ২০০৮, পৃষ্ঠা ১৪৫।

প্রকাশনার নোট: এই ঐতিহাসিক প্রবন্ধটি সর্বপ্রথম ২৩ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে রোদ্দুরে.কমে “ভারতীয় বিপ্লবীদের কার্যকলাপ ভারতের বিপ্লবী জাতীয় মুক্তি আন্দোলনের একটি প্রধান অধ্যায়” শিরোনামে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে ফুলকিবাজ.কম-এর সম্মানিত পাঠকদের উদ্দেশ্যে কিছুটা সংস্কার করে প্রকাশিত হয়েছিল। প্রবন্ধের মূল ভাব ও তাত্ত্বিক গভীরতা সম্পূর্ণ অক্ষুণ্ণ রেখে, লেখাটি নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাইপূর্বক পরিমার্জিত, পরিবর্ধিত এবং আধুনিক এসইও-বান্ধব (SEO-friendly) আকারে আজ ২৭ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে পুনর্মূল্যায়ন করে হালনাগাদ (Updated) করা হলো।

Leave a Comment