সর্বহারা একনায়কত্ব থেকেই নির্মিত হয়েছে সমাজতন্ত্র ও সাম্যবাদের পথ

সর্বহারা শ্রেণির একনায়কত্ব (ইংরেজি: Proletarian dictatorship) হচ্ছে সেই ক্ষমতা যা শ্রেণিহীন সমাজতান্ত্রিক সমাজ হতে সাম্যবাদী সমাজের নির্মাণকর্ম সম্পাদন করে। সকল পুঁজিবাদী দেশেই শাসন-ক্ষমতা থাকে বুর্জোয়া শ্রেণিরই হাতে। সরকারের রূপ যাই থাক না কেন তা অপরিবর্তনীয় ভাবে বুর্জোয়া শ্রেণির একনায়কত্বকে আড়াল করেই রাখে। বুর্জোয়া রাষ্ট্রের অভীষ্ট হলো পুঁজিবাদী শোষণকে রক্ষা করা, কল-কারখানা-ফ্যাক্টরীর উপর বুর্জোয়া শ্রেণির ব্যক্তিমালিকানা, জমির ওপর জমিদার ও ধনী কৃষকদের ব্যক্তিমালিকানা রক্ষা করা।

সমাজতন্ত্রকে বিজয় অর্জন করতে হলে, বুর্জোয়া শ্রেণির শাসন অবশ্যই উচ্ছেদ করতে হবে, বুর্জোয়া রাষ্ট্রকে অবশ্যই ধ্বংস করতে হবে ও তার স্থলে অবশ্যই অধিষ্ঠিত করতে হবে সর্বহারা শ্রেণির একনায়কত্ব। পুঁজিপতিদের বিরুদ্ধে সর্বহারা শ্রেণির বিরামহীন শ্রেণিসংগ্রামের মাধ্যমে, সর্বহারা বিপ্লব ও সর্বহারা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমেই কেবল পুঁজিবাদ থেকে সমাজতন্ত্রে উত্তরণ সম্ভব। কেবল মাত্র নিজ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেই শ্রমিক শ্রেণি সমাজতন্ত্র গড়ার পথে অগ্রসর হতে পারে এবং একটি সমাজতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে পারে। 

সমাজ-গণতন্ত্রীরা বা সংশোধনবাদীরা দাবি করে যে, বিপ্লব ছাড়াই, সর্বহারা শ্রেণির একনায়কত্ব প্রতিষ্ঠা ছাড়াই সমাজতন্ত্র লাভ করা যেতে পারে, পার্লামেন্টের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক পন্থায়ই সমাজতন্ত্র প্রবর্তন করা যেতে পারে, শ্রমিক শ্রেণি সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে আইন করেই সমাজতন্ত্র কায়েম করতে পারে। কিন্তু বলপ্রয়োগের সকল যন্ত্রগুলো অর্থাৎ পুলিশ, সেনাবাহিনী ইত্যাদি হাতে থাকায় বুর্জোয়া শ্রেণি কখনোই শ্রমিকদের প্রকৃত প্রতিনিধিদের ক্ষমতা লাভের অনুমতি দিতে পারে না। সমাজ-গণতন্ত্রীদের সম্পর্কে বলতে গেলে, তারা ক্ষমতায় যেতে পারে – আর প্রকৃত পক্ষে বেশ কয়েকটি পুঁজিবাদী দেশে তাদেরকে ক্ষমতা গ্রহণের যে অনুমোদন দেয়া হয়েছে – তা ঠিক এই কারণে যে সর্বহারা শ্রেণির স্বার্থ তারা রক্ষা করেনি, বরং রক্ষা করেছে বুর্জোয়া শ্রেণির স্বার্থ। ক্ষমতায় থাকা কালে “সমাজতন্ত্র প্রবর্তন করে কোনো আইন তো তারা পাস করায়নি, এমন কি শ্রমিকদের অবস্থার উন্নতি বিধানের নিম্নতম কোনো চেষ্টাও তারা করেনি। এর সম্পূর্ণ বিপরীতে, মজুরী কমিয়ে দেয়া, বেকার ভাতা হ্রাস করা ইত্যাদি প্রচেষ্টায় বুর্জোয়া শ্রেণিকে তারা সমর্থন করেছে। 

সমাজ-গণতন্ত্রীদের ভণ্ডামিপূর্ণ কথাবার্তা সত্ত্বেও, সমাজতন্ত্রের পথ পার্লামেন্টের মধ্য দিয়ে, কিংবা বুর্জোয়া গণতন্ত্রের মধ্য দিয়েও এগিয়ে যায়নি। পুঁজিবাদ থেকে সমাজতন্ত্রে যাওয়ার পথ কেবল একটিই – আর তা হলো কমিউনিস্টদের নির্দেশিত পথ – সর্বহারা বিপ্লবের পথ, বুর্জোয়া রাষ্ট্রযন্ত্রকে ধ্বংসের, সর্বহারা শ্রেণির একনায়কত্বের পথ। মার্কস বলেছেন,

“পুঁজিবাদী ও সাম্যবাদী সমাজের মধ্যে রয়েছে একটি থেকে আরেকটিতে বিপ্লবী উত্তরণের এক কাল। এর আনুষঙ্গিকও রয়েছে একটি রাজনৈতিক উত্তরণকাল, যে সময়কালে সর্বহারা শ্রেণির বিপ্লবী একনায়কত্ব ছাড়া রাষ্ট্র আর অন্য কিছু হতে পারে না।”[১]

রাশিয়ার শ্রমিক শ্রেণি এই পথই ১৯১৭ সালে গ্রহণ করে, যে পথ হলো সমাজতন্ত্রের দিকে একমাত্র সঠিক, একমাত্র সম্ভব পথ।

আরো পড়ুন:  হেগেলের জাতীয় রাষ্ট্রের ধারণা হচ্ছে জার্মান রাষ্ট্রের চূড়ান্ত উৎকর্ষ ও শ্রেষ্ঠ শক্তি

সোভিয়েত ইউনিয়নে শ্রমিক শ্রেণি তার নিজের জন্যেই রাজনৈতিক ক্ষমতা জয় করে নেয়। অক্টোবর বিপ্লব কায়েম করে সর্বহারা শ্রেণির শাসন, শ্রমিক শ্রেণির একনায়কত্ব। নিছক ক্ষমতার জন্যেই শ্রমিক শ্রেণি রাষ্ট্রক্ষমতা দখলের প্রচেষ্টা নেয় না। সর্বহারা শ্রেণির হাতে রাষ্ট্র ক্ষমতা হলো নতুন, সমাজতান্ত্রিক সমাজ গড়ে তোলার এক উপায়।

“এর উদ্দেশ্য হলো সমাজতন্ত্র গড়ে তোলা, শ্রেণিতে শ্রেণিতে সমাজের বিভক্তির অবসান ঘটানো, সমাজের সকল সদস্যকে মজুরে পরিণত করা, মানুষ কর্তৃক মানুষের ওপর শোষণের ভিত্তি উপড়ে ফেলা। এই উদ্দেশ্য তাৎক্ষণিকভাবে বাস্তবায়িত করা যেতে পারে না, এর জন্য প্রয়োজন পুঁজিবাদ থেকে সমাজতন্ত্রে একটি বেশ দীর্ঘ উত্তরণকাল, কারণ উৎপাদনের পুনর্সংগঠন হচ্ছে একটি কঠিন ব্যাপার, কারণ জীবনের সর্বক্ষেত্রে সকল আমূল পরিবর্তনের জন্যে সময় দরকার, এবং কারণ। অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে পেটি-বুর্জোয়া ও বুর্জোয়া অভ্যাসের বিপুল শক্তিকে কেবলমাত্র একটি দীর্ঘ, অধ্যবসায়পূর্ণ সংগ্রাম দ্বারাই পরাস্ত করা যায়। সেই কারণেই মার্কস সর্বহারাশ্রেণীর একনায়কত্বের গোটা কালকে পুঁজিবাদ থেকে সমাজতন্ত্রে উত্তরণকাল বলে বর্ণনা করেছেন।”[২]

পুঁজিবাদ থেকে সমাজতন্ত্রে উত্তরণ সাধন তাৎক্ষণিকভাবেই সম্পন্ন করা যায় না। একটি বেশ পরিমাণ দীর্ঘ উত্তরণকাল এড়িয়ে যাওয়া যায় না। এই সময়কালে রাষ্ট্রক্ষমতা শ্রমিক শ্রেণিরই হাতে থাকে, যারা সমাজতন্ত্র গড়ে তুলছে।

বুর্জোয়া শ্রেণির একনায়কত্বের অর্থ হলো মুষ্টিমেয় পরজীবীর স্বার্থে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ওপর নিপীড়ন। সর্বহারা শ্রেণির একনায়কত্বের অর্থ হলো বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের স্বার্থে, সমগ্র শ্রমজীবী জনগণের স্বার্থে শোষকদের একটি ক্ষুদ্র দলের ওপর নিপীড়ন। মানুষ কর্তৃক মানুষের ওপর শোষণের সকল নিদর্শন ধ্বংস করার জন্য সর্বহারা শ্রেণি তার একনায়কত্ব ব্যবহার করে। রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করে সর্বহারা শ্রেণি শাসক শ্রেণিতে পরিণত হয় : সে সকল সামাজিকীকৃত উৎপাদন পরিচালনা করে, শোষক শ্রেণির প্রতিরোধ চূর্ণ-বিচূর্ণ করে, মধ্যবর্তী, দোদুল্যমান ব্যক্তি ও শ্রেণিগুলোকে নেতৃত্ব দেয়। শাসক শ্রেণিতে পরিণত হয়ে, সর্বহারা শ্রেণি শ্রেণিবিহীন – শাসক বা শাসিত শ্রেণিবিহীন – এক সমাজ-ব্যবস্থা গড়ে তোলার কাজ শুরু করে, কারণ সে সমাজে কোন ধরনের শ্রেণি বা শ্রেণি পার্থক্য থাকবে না।

আরো পড়ুন:  দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ হচ্ছে মার্কসবাদের তাত্ত্বিক ভিত্তি

সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায়, শ্রেণি দ্বন্দ্ব ও শ্রেণিসংগ্রামের বিলুপ্তি সাধন করে, শোষক ও শোষিতদের মধ্যেকার বিভক্তি নিশ্চিহ্ন করে, শ্রেণিতে শ্রেণিতে সমাজের বিভক্তির অবসান ঘটানো হয়। কিন্তু শ্রেণিহীন, সমাজতান্ত্রিক সমাজের পথ তিক্ততম শ্রেণিসংগ্রামের এক সময়কালের মধ্যেই নিহিত।

লেনিন প্রতিনিয়ত এই বাস্তব সত্যের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন যে, সর্বহারা শ্রেণির একনায়কত্ব হলো শোষক শ্রেণির বিরুদ্ধে, প্রাক্তন শাসক শ্রেণির অবশেষের বিরুদ্ধে এক সুদীর্ঘ, নিরবচ্ছিন্ন শ্রেণিসংগ্রামের সময়কাল। তিনি লিখেছেন,

“সমাজতন্ত্র হলো শ্রেণিসমূহের বিলুপ্তি। সর্বহারা শ্রেণির একনায়কত্ব এসব শ্রেণিকে বিলুপ্ত করার জন্য সম্ভাব্য সব কিছুই করেছে। কিন্তু সহসাই শ্রেণিসমূহের ধ্বংস সাধন অসম্ভব। সর্বহারা শ্রেণির একনায়কত্বের সময়কালে শ্রেণিসমূহ বিদ্যমান আছে ও বিদ্যমান থাকবে। যখন শ্রেণিসমূহ অন্তর্হিত হয়ে যাবে তখন একনায়কত্ব অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে। সর্বহারা শ্রেণির একনায়কত্ব ছাড়া তারা অন্তর্হিত হতে পারে না। শ্রেণিসমূহ বিদ্যমান রয়েছে, কিন্তু সর্বহারা শ্রেণির একনায়কত্বের অধীনে তাদের প্রত্যেকেই তাদের চেহারার পরিবর্তন ঘটিয়েছে। সর্বহারা শ্রেণির একনায়কত্বাধীনে শ্রেণিসংগ্রাম তিরোহিত হয়ে যায় না, তা কেবল অন্যান্য রূপ পরিগ্রহ করে।”[৩]

অন্যান্য রূপ পরিগ্রহ করার মধ্য দিয়ে, সর্বহারা শ্রেণির একনায়কত্বের অধীনে শ্রেণিসংগ্রাম আরো অধিক বিরামহীন হয়ে পড়ে। আর এটাই কেবল আশা করা যেতে পারে: প্রাক্তন শাসক শ্রেণি তাদের হারানো অবস্থান ফিরে পাওয়ার জন্যে সব কিছুই করবে। শোষক শ্রেণি তাদের শাসনের পরিসমাপ্তি রোধ করার জন্য কোনো কিছু করা থেকেই নিবৃত্ত হয় না, বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ শ্রমজীবীদের স্বার্থের বিরুদ্ধে ঘৃণ্যতম অপরাধ সাধন করতেও তারা প্রস্তুত। 

“শ্রেণীসমূহের বিলুপ্তি হচ্ছে একটা দীর্ঘ, কষ্টসাধ্য ও বিরামহীন শ্রেণিসংগ্রামের ব্যাপার, যা পুঁজির শাসনের উচ্ছেদের পর, বুর্জোয়া রাষ্ট্রের ধ্বংস সাধনের পর, সর্বহারা শ্রেণির একনায়কত্ব প্রতিষ্ঠার পর, তিরোহিত হয়ে যায় না, বরং কেবল মাত্র তার রূপ বদলায়, বহু দিক দিয়েই হয়ে দাড়ায় অধিকতর তিক্ত।”[৪]

সোভিয়েত ইউনিয়নের সমাজতান্ত্রিক নির্মাণকর্মের গোটা ইতিহাস লেনিন কর্তৃক অভিব্যক্ত এই নীতির সত্যতা চমৎকারভাবে প্রদর্শন করছে। সমাজতান্ত্রিক নির্মাণ-কর্মের বিপুল বিজয়সমূহ পুরাতন শোষণ-ব্যবস্থার সকল অবশেষের বিরুদ্ধে বিরামহীন ও সবচেয়ে তিক্ত সংগ্রামের প্রক্রিয়ায়ই অর্জিত হয়েছে। সোভিয়েত ইউনিয়ন সকল বুর্জোয়া শক্তির উপর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও নির্ধারক বিজয় অর্জন করেছে। কিন্তু তাদের প্রতিরো আরো জোরদার হয়ে উঠেছে। সমাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে তাদের সংগ্রামের পদ্ধতি আরো হীন হয়ে উঠেছে। প্রকাশ্য সংগ্রামে সার্বিক পরাজয় বরণ করে, “কুলাক”, ব্যবসায়ী তথা প্রাক্তন শাসক শ্রেণির সকল অবশেষগুলো সোভিয়েত প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহে অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাচ্ছে এবং ধ্বংসাত্মক কাজকর্ম, চৌর্যবৃত্তি ইত্যাদির মাধ্যমে শক্তিশালী সমাজতান্ত্রিক কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করার প্রয়াস নিচ্ছে। সর্বহারা শ্রেণির পক্ষ থেকে সবচেয়ে সদা জাগ্রত সতর্কতা, সর্বহারা একনায়কত্বের চূড়ান্ত জোরদারকরণ সেই কারণে অত্যাবশ্যক।

“সর্বহারা শ্রেণির একটি বলিষ্ঠ ও শক্তিশালী একনায়কত্ব – এটাই হলো তা, মুমূর্ষ শ্রেণিসমূহের সর্বশেষ অবশেষগুলোকে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন করা এবং তাদের চৌর্যবৃত্তিমূলক অভিসন্ধিকে ব্যর্থ করে দেয়ার উদ্দেশ্যে, যা আমাদের অবশ্যই থাকতে হবে।”[৫]

শ্রেণিহীন সমাজ নিজে থেকেই আসবে না। তা জয় করেই নিতে হবে। এই উদ্দেশ্য সাধনের জন্যে সমাজতন্ত্রের পথে বিরাজমান বিপুল বাধা-বিপত্তি সক্রিয়ভাবে অতিক্রম করা আবশ্যক। সকল পুরানো শোষণমূলক ব্যবস্থার প্রতিরোধ চূর্ণ-বিচূর্ণ করা আবশ্যক। সমাজতন্ত্রের কোটি কোটি নির্মাণকর্মীর শক্তি ও তৎপরতাকে সমাবেশ করা আবশ্যক। পার্টির সাধারণ লাইন থেকে যে কোনো এবং সকল বিচ্যুতি প্রতিরোধ করা আবশ্যক। মার্কসবাদী-লেনিনবাদী শিক্ষাবলী বিকৃত করার সকল প্রচেষ্টা সম্পর্কে অব্যর্থ সতর্কতা বজায় রাখা আবশ্যক। 

আরো পড়ুন:  ফ্রিডরিখ হেগেলের সুশীল সমাজ ধারণাটির সীমাবদ্ধতাসহ ব্যাখ্যা

সর্বহারা শ্রেণির একনায়কত্ব হলো সেই ক্ষমতা যা শ্রেণিহীন সমাজতান্ত্রিক সমাজের নির্মাণকর্ম সম্পাদন করে। সর্বহারা শ্রেণির একনায়কত্ব হলো সমাজের মধ্যে সমাজতন্ত্র নির্মাণকারী পরিচালক শক্তি। সুতরাং, পুঁজিবাদ থেকে সমাজতন্ত্রে উত্তরণকে অধ্যয়ন করতে গেলে, সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা-কাঠামোকে অধ্যয়ন করতে গেলে, সর্বহারা শ্রেণির একনায়কত্বই হলো রাজনৈতিক অর্থনীতির মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু।[৬]  

তথ্যসূত্র

১. মার্কস, “গোথা কর্মসূচীর সমালোচনা”, পৃঃ ৪৪, ইন্টারন্যাশনাল পাবলিশার্স, নিউইয়র্ক, ১৯৩৩
২. লেনিন, “ভিয়েনার শ্রমিকদের প্রতি শুভেচ্ছা”।
৩. লেনিন : “সর্বহারাশ্রেণীর একনায়কত্বের যুগে অর্থনীতি ও রাজনীতি”, সঃ রঃ, ৩০শ খণ্ড, মস্কো, ১৯৬৬, পৃঃ ১১৪-১১৫।
৪. পূর্বোক্ত, লেনিন ও ভিয়েনার শ্রমিকদের প্রতি শুভেচ্ছা”।
৫. জোসেফ স্তালিন, “পঞ্চ-বার্ষিক পরিকল্পনার ফলাফল”, “প্রথম থেকে দ্বিতীয় পঞ্চ-বার্ষিক পরিকল্পনা” শীর্ষক সিম্পোজিয়াম, পৃঃ ৫৪, মস্কো, ১৯৩৩।
৬. এ লিয়নতিয়েভ, মার্কসীয় রাজনৈতিক অর্থশাস্ত্র, সেরাজুল আনোয়ার অনূদিত, গণপ্রকাশন, ঢাকা, দ্বিতীয় সংস্করণ ফেব্রুয়ারি ২০০৫, পৃষ্ঠা ১২-১৫।

Leave a Comment

error: Content is protected !!